১০:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
বিশ্বকাপে রেকর্ড প্রাইজমানি: চ্যাম্পিয়ন পাবে ৫ কোটি ডলার, বাড়ছে সব দলের পুরস্কার দাপুটে জয়ে সিরিজে ফিরল বাংলাদেশ, শেষ ম্যাচেই নির্ধারিত হবে ভাগ্য জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার দণ্ডপ্রাপ্ত মোজাফফর সেনা হেফাজতে, জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রিকশা ছিনতাইয়ের সন্দেহে রাজবাড়ীতে চালককে হত্যা, মরদেহ উদ্ধার যশোরে তরুণ সাংবাদিকের মরদেহ উদ্ধার, মানসিক চাপে মর্মান্তিক পরিণতি মেক্সিকোতে আইনকে হাতিয়ার বানিয়ে সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধ গুরগ্রামে আটক ১৩ বাংলাদেশি নাগরিককে মালদায় পাঠাল পুলিশ, শুরু হচ্ছে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া নির্বাসিত মিয়ানমারের রাঁধুনিদের হাতে বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় হচ্ছে দেশটির খাবার ফেনীতে মহাসড়কে বাসচাপায় নারী নিহত, উদ্ধার করেও বাঁচানো গেল না ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘনঘটা-২: বর্ষার ছন্দে জমে উঠল নৃত্য উৎসব

জানুয়ারিতে মূল্যস্ফীতি বাড়ল ৮ দশমিক ৫৮ শতাংশে, চাপ বাড়াল খাদ্যদাম

দেশে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার জানুয়ারি মাসে সামান্য বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৫৮ শতাংশে। আগের মাস ডিসেম্বরের তুলনায় এই বৃদ্ধি সীমিত হলেও মূল চালিকা শক্তি ছিল খাদ্যপণ্যের দামের ঊর্ধ্বগতি। পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ তথ্যেই উঠে এসেছে এমন চিত্র, যা সাধারণ মানুষের ব্যয়চাপ অব্যাহত থাকার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

খাদ্যদামের ঊর্ধ্বগতিই প্রধান কারণ
জানুয়ারিতে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছে ৮ দশমিক ২৯ শতাংশ, যা আগের মাসে ছিল ৭ দশমিক ৭১ শতাংশ। বিপরীতে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৮১ শতাংশে, যা ডিসেম্বরে ছিল ৯ দশমিক ১৩ শতাংশ। অর্থাৎ খাদ্যপণ্যের বাজার ই সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি কে ওপরে তুলেছে।

গ্রামাঞ্চলে মূল্যস্ফীতির চিত্র
গ্রামাঞ্চলে সার্বিক মূল্যস্ফীতি জানুয়ারিতে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৬৩ শতাংশে, যা ডিসেম্বরের ৮ দশমিক ৪৮ শতাংশের তুলনায় বেশি। তবে গত বছরের একই সময়ে এই হার ছিল আরও উঁচু, ১০ দশমিক ১৮ শতাংশ। জানুয়ারিতে গ্রামে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছে ৮ দশমিক ১৮ শতাংশ এবং খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ০৪ শতাংশে। এক বছর আগে একই সময়ে এই দুই হার ছিল যথাক্রমে ১০ দশমিক ৬১ ও ৯ দশমিক ৭৭ শতাংশ।

শহরাঞ্চলেও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা
শহরাঞ্চলে জানুয়ারিতে সার্বিক মূল্যস্ফীতি সামান্য বেড়ে হয়েছে ৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ, যা ডিসেম্বরের ৮ দশমিক ৫৫ শতাংশের চেয়ে বেশি। শহরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৬১ শতাংশে, অন্যদিকে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি কমে হয়েছে ৮ দশমিক ৫৪ শতাংশ। গত বছরের জানুয়ারিতে শহরে খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ছিল যথাক্রমে ১০ দশমিক ৯৫ ও ৯ দশমিক ২৫ শতাংশ।

সামগ্রিক বিশ্লেষণ
সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান বলছে, খাদ্যপণ্যের বাজারে চাপ অব্যাহত থাকায় মূল্যস্ফীতি কমার গতি ধীর। যদিও খাদ্যবহির্ভূত খাতে কিছুটা স্বস্তির ইঙ্গিত মিলেছে, তবু নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়িয়ে রাখছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বকাপে রেকর্ড প্রাইজমানি: চ্যাম্পিয়ন পাবে ৫ কোটি ডলার, বাড়ছে সব দলের পুরস্কার

জানুয়ারিতে মূল্যস্ফীতি বাড়ল ৮ দশমিক ৫৮ শতাংশে, চাপ বাড়াল খাদ্যদাম

০৭:৩৩:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দেশে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার জানুয়ারি মাসে সামান্য বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৫৮ শতাংশে। আগের মাস ডিসেম্বরের তুলনায় এই বৃদ্ধি সীমিত হলেও মূল চালিকা শক্তি ছিল খাদ্যপণ্যের দামের ঊর্ধ্বগতি। পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ তথ্যেই উঠে এসেছে এমন চিত্র, যা সাধারণ মানুষের ব্যয়চাপ অব্যাহত থাকার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

খাদ্যদামের ঊর্ধ্বগতিই প্রধান কারণ
জানুয়ারিতে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছে ৮ দশমিক ২৯ শতাংশ, যা আগের মাসে ছিল ৭ দশমিক ৭১ শতাংশ। বিপরীতে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৮১ শতাংশে, যা ডিসেম্বরে ছিল ৯ দশমিক ১৩ শতাংশ। অর্থাৎ খাদ্যপণ্যের বাজার ই সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি কে ওপরে তুলেছে।

গ্রামাঞ্চলে মূল্যস্ফীতির চিত্র
গ্রামাঞ্চলে সার্বিক মূল্যস্ফীতি জানুয়ারিতে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৬৩ শতাংশে, যা ডিসেম্বরের ৮ দশমিক ৪৮ শতাংশের তুলনায় বেশি। তবে গত বছরের একই সময়ে এই হার ছিল আরও উঁচু, ১০ দশমিক ১৮ শতাংশ। জানুয়ারিতে গ্রামে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছে ৮ দশমিক ১৮ শতাংশ এবং খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ০৪ শতাংশে। এক বছর আগে একই সময়ে এই দুই হার ছিল যথাক্রমে ১০ দশমিক ৬১ ও ৯ দশমিক ৭৭ শতাংশ।

শহরাঞ্চলেও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা
শহরাঞ্চলে জানুয়ারিতে সার্বিক মূল্যস্ফীতি সামান্য বেড়ে হয়েছে ৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ, যা ডিসেম্বরের ৮ দশমিক ৫৫ শতাংশের চেয়ে বেশি। শহরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৬১ শতাংশে, অন্যদিকে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি কমে হয়েছে ৮ দশমিক ৫৪ শতাংশ। গত বছরের জানুয়ারিতে শহরে খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ছিল যথাক্রমে ১০ দশমিক ৯৫ ও ৯ দশমিক ২৫ শতাংশ।

সামগ্রিক বিশ্লেষণ
সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান বলছে, খাদ্যপণ্যের বাজারে চাপ অব্যাহত থাকায় মূল্যস্ফীতি কমার গতি ধীর। যদিও খাদ্যবহির্ভূত খাতে কিছুটা স্বস্তির ইঙ্গিত মিলেছে, তবু নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়িয়ে রাখছে।