০১:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরাজয়ের পরও মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছাড়তে অস্বীকার: এরপর কী, কী বলছে নিয়ম পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে চুরির অভিযোগে গাছে বেঁধে নির্যাতন, দুই শিশুকে ঘিরে তোলপাড় গ্রামীণ ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্তদের আন্দোলন স্থগিত, ঈদের আগেই দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাস এপ্রিলে মব ভায়োলেন্সে ২২ নিহত, রাজনৈতিক সংঘাতে আরও ৬: এইচআরএসএস প্রতিবেদন ৩৯ কর্মকর্তার বড় রদবদল, এক দিনে বদলি ৯ ডিআইজি এক ভোটেই হার-জিত: তামিলনাড়ু ভোটে সাবেক মন্ত্রীর পরাজয়, ‘সারকার’-এর বার্তা ফের প্রমাণিত বাংলা-আসাম ফলাফল ঘিরে গণতন্ত্রে হুমকি, ঐক্যের ডাক রাহুল গান্ধীর সংসার যখন চালায় ভাগ্য, তখন অর্থনীতি কোথায় দাঁড়িয়ে? গ্রামেও ভ্যাট বসাতে চায় সরকার, টোকেন কর নিয়ে নতুন পরিকল্পনা ইন্দোনেশিয়ায় ম্যালেরিয়ার রেকর্ড সংক্রমণ, জলবায়ু ও মানুষের চলাচলে বাড়ছে ঝুঁকি

জানুয়ারিতে মূল্যস্ফীতি বাড়ল ৮ দশমিক ৫৮ শতাংশে, চাপ বাড়াল খাদ্যদাম

দেশে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার জানুয়ারি মাসে সামান্য বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৫৮ শতাংশে। আগের মাস ডিসেম্বরের তুলনায় এই বৃদ্ধি সীমিত হলেও মূল চালিকা শক্তি ছিল খাদ্যপণ্যের দামের ঊর্ধ্বগতি। পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ তথ্যেই উঠে এসেছে এমন চিত্র, যা সাধারণ মানুষের ব্যয়চাপ অব্যাহত থাকার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

খাদ্যদামের ঊর্ধ্বগতিই প্রধান কারণ
জানুয়ারিতে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছে ৮ দশমিক ২৯ শতাংশ, যা আগের মাসে ছিল ৭ দশমিক ৭১ শতাংশ। বিপরীতে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৮১ শতাংশে, যা ডিসেম্বরে ছিল ৯ দশমিক ১৩ শতাংশ। অর্থাৎ খাদ্যপণ্যের বাজার ই সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি কে ওপরে তুলেছে।

গ্রামাঞ্চলে মূল্যস্ফীতির চিত্র
গ্রামাঞ্চলে সার্বিক মূল্যস্ফীতি জানুয়ারিতে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৬৩ শতাংশে, যা ডিসেম্বরের ৮ দশমিক ৪৮ শতাংশের তুলনায় বেশি। তবে গত বছরের একই সময়ে এই হার ছিল আরও উঁচু, ১০ দশমিক ১৮ শতাংশ। জানুয়ারিতে গ্রামে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছে ৮ দশমিক ১৮ শতাংশ এবং খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ০৪ শতাংশে। এক বছর আগে একই সময়ে এই দুই হার ছিল যথাক্রমে ১০ দশমিক ৬১ ও ৯ দশমিক ৭৭ শতাংশ।

শহরাঞ্চলেও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা
শহরাঞ্চলে জানুয়ারিতে সার্বিক মূল্যস্ফীতি সামান্য বেড়ে হয়েছে ৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ, যা ডিসেম্বরের ৮ দশমিক ৫৫ শতাংশের চেয়ে বেশি। শহরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৬১ শতাংশে, অন্যদিকে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি কমে হয়েছে ৮ দশমিক ৫৪ শতাংশ। গত বছরের জানুয়ারিতে শহরে খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ছিল যথাক্রমে ১০ দশমিক ৯৫ ও ৯ দশমিক ২৫ শতাংশ।

সামগ্রিক বিশ্লেষণ
সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান বলছে, খাদ্যপণ্যের বাজারে চাপ অব্যাহত থাকায় মূল্যস্ফীতি কমার গতি ধীর। যদিও খাদ্যবহির্ভূত খাতে কিছুটা স্বস্তির ইঙ্গিত মিলেছে, তবু নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়িয়ে রাখছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরাজয়ের পরও মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছাড়তে অস্বীকার: এরপর কী, কী বলছে নিয়ম

জানুয়ারিতে মূল্যস্ফীতি বাড়ল ৮ দশমিক ৫৮ শতাংশে, চাপ বাড়াল খাদ্যদাম

০৭:৩৩:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দেশে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার জানুয়ারি মাসে সামান্য বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৫৮ শতাংশে। আগের মাস ডিসেম্বরের তুলনায় এই বৃদ্ধি সীমিত হলেও মূল চালিকা শক্তি ছিল খাদ্যপণ্যের দামের ঊর্ধ্বগতি। পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ তথ্যেই উঠে এসেছে এমন চিত্র, যা সাধারণ মানুষের ব্যয়চাপ অব্যাহত থাকার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

খাদ্যদামের ঊর্ধ্বগতিই প্রধান কারণ
জানুয়ারিতে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছে ৮ দশমিক ২৯ শতাংশ, যা আগের মাসে ছিল ৭ দশমিক ৭১ শতাংশ। বিপরীতে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৮১ শতাংশে, যা ডিসেম্বরে ছিল ৯ দশমিক ১৩ শতাংশ। অর্থাৎ খাদ্যপণ্যের বাজার ই সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি কে ওপরে তুলেছে।

গ্রামাঞ্চলে মূল্যস্ফীতির চিত্র
গ্রামাঞ্চলে সার্বিক মূল্যস্ফীতি জানুয়ারিতে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৬৩ শতাংশে, যা ডিসেম্বরের ৮ দশমিক ৪৮ শতাংশের তুলনায় বেশি। তবে গত বছরের একই সময়ে এই হার ছিল আরও উঁচু, ১০ দশমিক ১৮ শতাংশ। জানুয়ারিতে গ্রামে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছে ৮ দশমিক ১৮ শতাংশ এবং খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ০৪ শতাংশে। এক বছর আগে একই সময়ে এই দুই হার ছিল যথাক্রমে ১০ দশমিক ৬১ ও ৯ দশমিক ৭৭ শতাংশ।

শহরাঞ্চলেও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা
শহরাঞ্চলে জানুয়ারিতে সার্বিক মূল্যস্ফীতি সামান্য বেড়ে হয়েছে ৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ, যা ডিসেম্বরের ৮ দশমিক ৫৫ শতাংশের চেয়ে বেশি। শহরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৬১ শতাংশে, অন্যদিকে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি কমে হয়েছে ৮ দশমিক ৫৪ শতাংশ। গত বছরের জানুয়ারিতে শহরে খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ছিল যথাক্রমে ১০ দশমিক ৯৫ ও ৯ দশমিক ২৫ শতাংশ।

সামগ্রিক বিশ্লেষণ
সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান বলছে, খাদ্যপণ্যের বাজারে চাপ অব্যাহত থাকায় মূল্যস্ফীতি কমার গতি ধীর। যদিও খাদ্যবহির্ভূত খাতে কিছুটা স্বস্তির ইঙ্গিত মিলেছে, তবু নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়িয়ে রাখছে।