০৮:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬
মঞ্চে ‘ডগ ডে আফটারনুন’: ব্যাংক ডাকাতির গল্পে হাস্যরসের ছোঁয়া, তবু কোথায় যেন অপূর্ণতা বসন্তের সতেজতার প্রতীক স্প্রিং অনিয়ন বায়োহ্যাকিং: আজকের খাদ্য ও স্বাস্থ্য ট্রেন্ড কারা অনুসরণ করছে? টানা ফ্রেঞ্চের রহস্যধর্মী মাস্টারপিস “দ্য কিপার”: আইরিশ গ্রামের অন্ধকারের অন্তর্দৃষ্টি আন্তর্জাতিক বুকার পুরস্কার ২০২৬: ছয়টি উপন্যাস পেল শীর্ষ ষ্ট্রিংলিস্ট, ঘোষণা নিয়ে সাহিত্য দুনিয়ায় আলোড়ন ওয়্যারলেস ফেস্টিভ্যালে কানিয়ে ওয়েস্টকে ঘিরে স্পনসর সরে যাচ্ছে, বাড়ছে সাংস্কৃতিক অস্বস্তি পিকসার্ট নির্মাতাদের জন্য নতুন আয়-পথ খুলছে, এআই ডিজাইন বাজারে বদল আসার ইঙ্গিত এআই অবকাঠামোর দৌড় থামাচ্ছে বিদ্যুৎ সংকট, যন্ত্রাংশের বিলম্ব আর শুল্কচাপ দুই সার কারখানার পর এবার বন্ধের পথে ডিএপিএফসিএল আজ রাতে পুরো সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যাবে – ট্রাম্প

মেঘালয়ের অবৈধ কয়লা খনিতে বিস্ফোরণ, মৃত বেড়ে ২৭, এখনও নিখোঁজ শ্রমিক

মেঘালয়ের পূর্ব জয়ন্তিয়া পাহাড় জেলার একটি অবৈধ  কয়লা খনিতে বিস্ফোরণের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭ জনে। শনিবার উদ্ধার তৎপরতার সময় আরও দুই শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার হওয়ার পর এই সংখ্যা নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। গত ৫ ফেব্রুয়ারির বিস্ফোরণের পর থেকেই বহু সংস্থার সমন্বয়ে টানা উদ্ধার অভিযান চলছে, তবে এখনও কয়েকজন শ্রমিক নিখোঁজ রয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

উদ্ধার অভিযান অব্যাহত
জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী এবং রাজ্য দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনীর সদস্যরা যৌথভাবে খনির ভেতরে অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রায় একশ ফুট গভীর উল্লম্ব খাদ থেকে ছড়িয়ে পড়া জটিল সুড়ঙ্গ পথের ভেতরে কিছু শ্রমিক আটকে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। আহত নয়জন শ্রমিক বর্তমানে শিলংয়ে চিকিৎসাধীন। নিহতদের অধিকাংশের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে এবং তারা আসাম, মেঘালয় ও নেপালের বাসিন্দা।

গ্রেপ্তার ও অভিযান
পুলিশ জানিয়েছে, খনি বিস্ফোরণের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আরও কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর আগে গ্রেপ্তার হওয়া দুই খনি মালিককে আদালত তিন দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠায়। অবৈধভাবে পরিচালিত একাধিক খনি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং বিস্ফোরক সামগ্রীসহ বিভিন্ন যন্ত্রপাতি জব্দ করা হয়েছে। অভিযুক্ত দুই মালিকের একজনের বয়স ৩৬ এবং অন্যজনের ৪২ বছর বলে জানা গেছে।

নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও অবৈধ খনি
২০১৪ সালের এপ্রিলে জাতীয় সবুজ ট্রাইব্যুনাল র‌্যার্টহোল খনন নিষিদ্ধ ঘোষণা করে, যা পরবর্তীতে সর্বোচ্চ আদালতও বহাল রাখে। তবু পূর্ব জয়ন্তিয়া পাহাড় এলাকায় অবৈধ কয়লা খনন অব্যাহত থাকায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিভিন্ন সংগঠন এই ঘটনাকে শাসনব্যবস্থার ব্যর্থতা হিসেবে উল্লেখ করে কেন্দ্রীয় সংস্থার মাধ্যমে তদন্ত ও রাজনৈতিক দায় নির্ধারণের দাবি তুলেছে।

রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া ও ক্ষতিপূরণের দাবি
রাজ্য কংগ্রেসসহ একাধিক সংগঠন উচ্চপর্যায়ে জবাবদিহি নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে র‌্যার্টহোল খনন নিষেধাজ্ঞা কঠোরভাবে কার্যকর করা এবং নিহত শ্রমিকদের পরিবারকে পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মঞ্চে ‘ডগ ডে আফটারনুন’: ব্যাংক ডাকাতির গল্পে হাস্যরসের ছোঁয়া, তবু কোথায় যেন অপূর্ণতা

মেঘালয়ের অবৈধ কয়লা খনিতে বিস্ফোরণ, মৃত বেড়ে ২৭, এখনও নিখোঁজ শ্রমিক

০৯:০৫:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মেঘালয়ের পূর্ব জয়ন্তিয়া পাহাড় জেলার একটি অবৈধ  কয়লা খনিতে বিস্ফোরণের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭ জনে। শনিবার উদ্ধার তৎপরতার সময় আরও দুই শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার হওয়ার পর এই সংখ্যা নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। গত ৫ ফেব্রুয়ারির বিস্ফোরণের পর থেকেই বহু সংস্থার সমন্বয়ে টানা উদ্ধার অভিযান চলছে, তবে এখনও কয়েকজন শ্রমিক নিখোঁজ রয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

উদ্ধার অভিযান অব্যাহত
জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী এবং রাজ্য দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনীর সদস্যরা যৌথভাবে খনির ভেতরে অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রায় একশ ফুট গভীর উল্লম্ব খাদ থেকে ছড়িয়ে পড়া জটিল সুড়ঙ্গ পথের ভেতরে কিছু শ্রমিক আটকে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। আহত নয়জন শ্রমিক বর্তমানে শিলংয়ে চিকিৎসাধীন। নিহতদের অধিকাংশের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে এবং তারা আসাম, মেঘালয় ও নেপালের বাসিন্দা।

গ্রেপ্তার ও অভিযান
পুলিশ জানিয়েছে, খনি বিস্ফোরণের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আরও কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর আগে গ্রেপ্তার হওয়া দুই খনি মালিককে আদালত তিন দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠায়। অবৈধভাবে পরিচালিত একাধিক খনি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং বিস্ফোরক সামগ্রীসহ বিভিন্ন যন্ত্রপাতি জব্দ করা হয়েছে। অভিযুক্ত দুই মালিকের একজনের বয়স ৩৬ এবং অন্যজনের ৪২ বছর বলে জানা গেছে।

নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও অবৈধ খনি
২০১৪ সালের এপ্রিলে জাতীয় সবুজ ট্রাইব্যুনাল র‌্যার্টহোল খনন নিষিদ্ধ ঘোষণা করে, যা পরবর্তীতে সর্বোচ্চ আদালতও বহাল রাখে। তবু পূর্ব জয়ন্তিয়া পাহাড় এলাকায় অবৈধ কয়লা খনন অব্যাহত থাকায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিভিন্ন সংগঠন এই ঘটনাকে শাসনব্যবস্থার ব্যর্থতা হিসেবে উল্লেখ করে কেন্দ্রীয় সংস্থার মাধ্যমে তদন্ত ও রাজনৈতিক দায় নির্ধারণের দাবি তুলেছে।

রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া ও ক্ষতিপূরণের দাবি
রাজ্য কংগ্রেসসহ একাধিক সংগঠন উচ্চপর্যায়ে জবাবদিহি নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে র‌্যার্টহোল খনন নিষেধাজ্ঞা কঠোরভাবে কার্যকর করা এবং নিহত শ্রমিকদের পরিবারকে পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।