১০:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬
এআইয়ের চাপে কিছু কর্মী পুনঃপ্রশিক্ষণের বদলে অবসর বেছে নিচ্ছেন মঞ্চে ‘ডগ ডে আফটারনুন’: ব্যাংক ডাকাতির গল্পে হাস্যরসের ছোঁয়া, তবু কোথায় যেন অপূর্ণতা বসন্তের সতেজতার প্রতীক স্প্রিং অনিয়ন বায়োহ্যাকিং: আজকের খাদ্য ও স্বাস্থ্য ট্রেন্ড কারা অনুসরণ করছে? টানা ফ্রেঞ্চের রহস্যধর্মী মাস্টারপিস “দ্য কিপার”: আইরিশ গ্রামের অন্ধকারের অন্তর্দৃষ্টি আন্তর্জাতিক বুকার পুরস্কার ২০২৬: ছয়টি উপন্যাস পেল শীর্ষ ষ্ট্রিংলিস্ট, ঘোষণা নিয়ে সাহিত্য দুনিয়ায় আলোড়ন ওয়্যারলেস ফেস্টিভ্যালে কানিয়ে ওয়েস্টকে ঘিরে স্পনসর সরে যাচ্ছে, বাড়ছে সাংস্কৃতিক অস্বস্তি পিকসার্ট নির্মাতাদের জন্য নতুন আয়-পথ খুলছে, এআই ডিজাইন বাজারে বদল আসার ইঙ্গিত এআই অবকাঠামোর দৌড় থামাচ্ছে বিদ্যুৎ সংকট, যন্ত্রাংশের বিলম্ব আর শুল্কচাপ দুই সার কারখানার পর এবার বন্ধের পথে ডিএপিএফসিএল

ট্রাম্পের বর্ণবাদী ভিডিও বিতর্কে তীব্র প্রতিক্রিয়া, ক্ষমা চাইতে অস্বীকৃতি

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করা একটি বর্ণবাদী ভিডিও নিয়ে বিতর্কের মুখে পড়লে ও ক্ষমা চাইতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। ভিডিওটিতে সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও সাবেক ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামাকে বানরের অবয়বে দেখানো হয়, যা যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র সমালোচনার জন্ম দেয়।

বিতর্কের সূত্রপাত
ট্রাম্পের নিজস্ব প্ল্যাটফর্মে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে প্রকাশিত ভিডিওটি দ্রুতই রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন তোলে। শুরুতে হোয়াইট হাউস এই প্রতিক্রিয়াকে বাড়াবাড়ি বলে উড়িয়ে দিলেও পরে জানায়, একজন কর্মীর ভুলে ভিডিওটি পোস্ট হয়েছিল এবং তা সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

ট্রাম্পের অবস্থান
শুক্রবার এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, তিনি কোনো ভুল করেননি এবং ক্ষমা চাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। তবে ভিডিওর বর্ণবাদী চিত্র নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি সেটিকে নিন্দা করেন বলে জানান। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, ভিডিওটির পুরো অংশ তিনি দেখেননি এবং প্রথম অংশ দেখেই পোস্টের দায়িত্ব কর্মীদের হাতে দিয়েছিলেন।

রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া
ডেমোক্র্যাট নেতারা ভিডিওটিকে জঘন্য বলে আখ্যা দেন। এক জ্যেষ্ঠ রিপাবলিকান সিনেটর ও এটিকে প্রকাশ্য বর্ণবাদ হিসেবে উল্লেখ করেন। ভিডিওটিতে ট্রাম্পের দুই হাজার বিশ সালের নির্বাচনী পরাজয় নিয়ে ষড়যন্ত্রমূলক অভিযোগ ও পুনরাবৃত্তি করা হয়, যেখানে ডমিনিয়ন ভোটিং সিস্টেমসকে দায়ী করা হয়েছে।

হোয়াইট হাউসের ব্যাখ্যা
প্রেস সচিব কারোলিন লেভিট প্রথমে বলেন, ভিডিওটি ইন্টারনেট ভিত্তিক একটি রসিকতা মূলক উপস্থাপনা, যেখানে ট্রাম্পকে জঙ্গলের রাজা এবং ডেমোক্র্যাটদের সিংহরাজ চলচ্চিত্রের চরিত্র হিসেবে দেখানো হয়েছে। পরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্বীকার করা হয়, একজন কর্মীর ভুলে পোস্টটি প্রকাশিত হয়েছিল।

ওবামাদের নীরবতা
ঘটনার পরপরই বারাক ও মিশেল ওবামার পক্ষ থেকে কোনো তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে পুরো ঘটনাটি যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতি ও বর্ণবৈষম্য প্রসঙ্গকে আবারও আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

এআইয়ের চাপে কিছু কর্মী পুনঃপ্রশিক্ষণের বদলে অবসর বেছে নিচ্ছেন

ট্রাম্পের বর্ণবাদী ভিডিও বিতর্কে তীব্র প্রতিক্রিয়া, ক্ষমা চাইতে অস্বীকৃতি

০৭:৩৮:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করা একটি বর্ণবাদী ভিডিও নিয়ে বিতর্কের মুখে পড়লে ও ক্ষমা চাইতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। ভিডিওটিতে সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও সাবেক ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামাকে বানরের অবয়বে দেখানো হয়, যা যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র সমালোচনার জন্ম দেয়।

বিতর্কের সূত্রপাত
ট্রাম্পের নিজস্ব প্ল্যাটফর্মে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে প্রকাশিত ভিডিওটি দ্রুতই রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন তোলে। শুরুতে হোয়াইট হাউস এই প্রতিক্রিয়াকে বাড়াবাড়ি বলে উড়িয়ে দিলেও পরে জানায়, একজন কর্মীর ভুলে ভিডিওটি পোস্ট হয়েছিল এবং তা সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

ট্রাম্পের অবস্থান
শুক্রবার এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, তিনি কোনো ভুল করেননি এবং ক্ষমা চাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। তবে ভিডিওর বর্ণবাদী চিত্র নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি সেটিকে নিন্দা করেন বলে জানান। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, ভিডিওটির পুরো অংশ তিনি দেখেননি এবং প্রথম অংশ দেখেই পোস্টের দায়িত্ব কর্মীদের হাতে দিয়েছিলেন।

রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া
ডেমোক্র্যাট নেতারা ভিডিওটিকে জঘন্য বলে আখ্যা দেন। এক জ্যেষ্ঠ রিপাবলিকান সিনেটর ও এটিকে প্রকাশ্য বর্ণবাদ হিসেবে উল্লেখ করেন। ভিডিওটিতে ট্রাম্পের দুই হাজার বিশ সালের নির্বাচনী পরাজয় নিয়ে ষড়যন্ত্রমূলক অভিযোগ ও পুনরাবৃত্তি করা হয়, যেখানে ডমিনিয়ন ভোটিং সিস্টেমসকে দায়ী করা হয়েছে।

হোয়াইট হাউসের ব্যাখ্যা
প্রেস সচিব কারোলিন লেভিট প্রথমে বলেন, ভিডিওটি ইন্টারনেট ভিত্তিক একটি রসিকতা মূলক উপস্থাপনা, যেখানে ট্রাম্পকে জঙ্গলের রাজা এবং ডেমোক্র্যাটদের সিংহরাজ চলচ্চিত্রের চরিত্র হিসেবে দেখানো হয়েছে। পরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্বীকার করা হয়, একজন কর্মীর ভুলে পোস্টটি প্রকাশিত হয়েছিল।

ওবামাদের নীরবতা
ঘটনার পরপরই বারাক ও মিশেল ওবামার পক্ষ থেকে কোনো তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে পুরো ঘটনাটি যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতি ও বর্ণবৈষম্য প্রসঙ্গকে আবারও আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে।