১০:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
৩৯ কর্মকর্তার বড় রদবদল, এক দিনে বদলি ৯ ডিআইজি এক ভোটেই হার-জিত: তামিলনাড়ু ভোটে সাবেক মন্ত্রীর পরাজয়, ‘সারকার’-এর বার্তা ফের প্রমাণিত বাংলা-আসাম ফলাফল ঘিরে গণতন্ত্রে হুমকি, ঐক্যের ডাক রাহুল গান্ধীর সংসার যখন চালায় ভাগ্য, তখন অর্থনীতি কোথায় দাঁড়িয়ে? গ্রামেও ভ্যাট বসাতে চায় সরকার, টোকেন কর নিয়ে নতুন পরিকল্পনা ইন্দোনেশিয়ায় ম্যালেরিয়ার রেকর্ড সংক্রমণ, জলবায়ু ও মানুষের চলাচলে বাড়ছে ঝুঁকি টিসিবির পণ্য না পেয়ে ক্ষোভে ফুটছে কুড়িগ্রামের কার্ডধারীরা, তিন দিন লাইনে থেকেও মিলছে না সহায়তা গ্রেপ্তার সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ: জাহেদ উর রহমান নিজামীর ছেলের এনসিপিতে যোগ, নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত ব্যাংককে তাপমাত্রা নয়, তাপ অনুভূতি ৫২ ডিগ্রি ছাড়াল, চরম বিপদের সতর্কতা জারি

নির্বাচনী টানাপোড়েন কাটতেই এমএফএস ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং পুরোপুরি স্বাভাবিক

নির্বাচন ঘিরে টানা চার দিনের কড়াকড়ির পর দেশে আবারও স্বাভাবিক হয়েছে মোবাইল আর্থিক সেবা ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং কার্যক্রম। শুক্রবার সকাল থেকে বিকাশ, নগদ, রকেটসহ বিভিন্ন মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস এবং অনলাইন ব্যাংকিং প্ল্যাটফর্মে লেনদেনের সব সীমাবদ্ধতা তুলে নেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার দিবাগত মধ্যরাতের পর থেকেই আরোপিত অস্থায়ী বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করা হয়। ফলে শুক্রবার থেকে গ্রাহকেরা জরুরি সীমা ছাড়াই স্বাভাবিকভাবে অর্থ লেনদেন করতে পারছেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রাইজবন্ডসহ সব সেবা ২০ নভেম্বর থেকে বন্ধ

নির্বাচনকালীন ৯৬ ঘণ্টার কড়াকড়ি

১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গত ৯ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত বিশেষ নিয়ন্ত্রণ জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই সময়ের মধ্যে অর্থ লেনদেনে বেশ কিছু কঠোর সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

ব্যক্তিগত লেনদেনে সীমা আরোপ

নির্বাচনী সময়ে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিতে অর্থ পাঠানোর ক্ষেত্রে প্রতি লেনদেনে সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা সীমা নির্ধারণ করা হয়। পাশাপাশি দিনে সর্বোচ্চ ১০টি লেনদেনের অনুমতি ছিল। এতে বড় অঙ্কের অর্থ স্থানান্তর কার্যত বন্ধ ছিল।

Polls-time MFS curbs bring miseries for many | The Business Standard

ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়েও বিধিনিষেধ

শুধু মোবাইল আর্থিক সেবা নয়, ব্যাংকের অ্যাপ ও অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিতে অর্থ স্থানান্তরও এই সময় প্রায় স্থগিত ছিল। জাতীয় পেমেন্ট সুইচ ব্যবস্থার মাধ্যমেও লেনদেনে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়।

কেন নেওয়া হয়েছিল এই সিদ্ধান্ত

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য ছিল নির্বাচনে অবৈধ অর্থের প্রভাব ঠেকানো এবং ভোটের স্বচ্ছতা রক্ষা করা। নির্বাচনপর্ব শেষ হওয়ায় এখন আবার আগের মতো উচ্চসীমায় লেনদেন চালু হয়েছে। তবে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে অস্বাভাবিক লেনদেনের ওপর নজরদারি চালিয়ে যেতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

৩৯ কর্মকর্তার বড় রদবদল, এক দিনে বদলি ৯ ডিআইজি

নির্বাচনী টানাপোড়েন কাটতেই এমএফএস ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং পুরোপুরি স্বাভাবিক

১০:৫১:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নির্বাচন ঘিরে টানা চার দিনের কড়াকড়ির পর দেশে আবারও স্বাভাবিক হয়েছে মোবাইল আর্থিক সেবা ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং কার্যক্রম। শুক্রবার সকাল থেকে বিকাশ, নগদ, রকেটসহ বিভিন্ন মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস এবং অনলাইন ব্যাংকিং প্ল্যাটফর্মে লেনদেনের সব সীমাবদ্ধতা তুলে নেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার দিবাগত মধ্যরাতের পর থেকেই আরোপিত অস্থায়ী বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করা হয়। ফলে শুক্রবার থেকে গ্রাহকেরা জরুরি সীমা ছাড়াই স্বাভাবিকভাবে অর্থ লেনদেন করতে পারছেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রাইজবন্ডসহ সব সেবা ২০ নভেম্বর থেকে বন্ধ

নির্বাচনকালীন ৯৬ ঘণ্টার কড়াকড়ি

১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গত ৯ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত বিশেষ নিয়ন্ত্রণ জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই সময়ের মধ্যে অর্থ লেনদেনে বেশ কিছু কঠোর সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

ব্যক্তিগত লেনদেনে সীমা আরোপ

নির্বাচনী সময়ে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিতে অর্থ পাঠানোর ক্ষেত্রে প্রতি লেনদেনে সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা সীমা নির্ধারণ করা হয়। পাশাপাশি দিনে সর্বোচ্চ ১০টি লেনদেনের অনুমতি ছিল। এতে বড় অঙ্কের অর্থ স্থানান্তর কার্যত বন্ধ ছিল।

Polls-time MFS curbs bring miseries for many | The Business Standard

ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়েও বিধিনিষেধ

শুধু মোবাইল আর্থিক সেবা নয়, ব্যাংকের অ্যাপ ও অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিতে অর্থ স্থানান্তরও এই সময় প্রায় স্থগিত ছিল। জাতীয় পেমেন্ট সুইচ ব্যবস্থার মাধ্যমেও লেনদেনে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়।

কেন নেওয়া হয়েছিল এই সিদ্ধান্ত

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য ছিল নির্বাচনে অবৈধ অর্থের প্রভাব ঠেকানো এবং ভোটের স্বচ্ছতা রক্ষা করা। নির্বাচনপর্ব শেষ হওয়ায় এখন আবার আগের মতো উচ্চসীমায় লেনদেন চালু হয়েছে। তবে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে অস্বাভাবিক লেনদেনের ওপর নজরদারি চালিয়ে যেতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।