০৮:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

নির্বাচনী টানাপোড়েন কাটতেই এমএফএস ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং পুরোপুরি স্বাভাবিক

নির্বাচন ঘিরে টানা চার দিনের কড়াকড়ির পর দেশে আবারও স্বাভাবিক হয়েছে মোবাইল আর্থিক সেবা ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং কার্যক্রম। শুক্রবার সকাল থেকে বিকাশ, নগদ, রকেটসহ বিভিন্ন মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস এবং অনলাইন ব্যাংকিং প্ল্যাটফর্মে লেনদেনের সব সীমাবদ্ধতা তুলে নেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার দিবাগত মধ্যরাতের পর থেকেই আরোপিত অস্থায়ী বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করা হয়। ফলে শুক্রবার থেকে গ্রাহকেরা জরুরি সীমা ছাড়াই স্বাভাবিকভাবে অর্থ লেনদেন করতে পারছেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রাইজবন্ডসহ সব সেবা ২০ নভেম্বর থেকে বন্ধ

নির্বাচনকালীন ৯৬ ঘণ্টার কড়াকড়ি

১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গত ৯ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত বিশেষ নিয়ন্ত্রণ জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই সময়ের মধ্যে অর্থ লেনদেনে বেশ কিছু কঠোর সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

ব্যক্তিগত লেনদেনে সীমা আরোপ

নির্বাচনী সময়ে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিতে অর্থ পাঠানোর ক্ষেত্রে প্রতি লেনদেনে সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা সীমা নির্ধারণ করা হয়। পাশাপাশি দিনে সর্বোচ্চ ১০টি লেনদেনের অনুমতি ছিল। এতে বড় অঙ্কের অর্থ স্থানান্তর কার্যত বন্ধ ছিল।

Polls-time MFS curbs bring miseries for many | The Business Standard

ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়েও বিধিনিষেধ

শুধু মোবাইল আর্থিক সেবা নয়, ব্যাংকের অ্যাপ ও অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিতে অর্থ স্থানান্তরও এই সময় প্রায় স্থগিত ছিল। জাতীয় পেমেন্ট সুইচ ব্যবস্থার মাধ্যমেও লেনদেনে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়।

কেন নেওয়া হয়েছিল এই সিদ্ধান্ত

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য ছিল নির্বাচনে অবৈধ অর্থের প্রভাব ঠেকানো এবং ভোটের স্বচ্ছতা রক্ষা করা। নির্বাচনপর্ব শেষ হওয়ায় এখন আবার আগের মতো উচ্চসীমায় লেনদেন চালু হয়েছে। তবে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে অস্বাভাবিক লেনদেনের ওপর নজরদারি চালিয়ে যেতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

নির্বাচনী টানাপোড়েন কাটতেই এমএফএস ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং পুরোপুরি স্বাভাবিক

১০:৫১:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নির্বাচন ঘিরে টানা চার দিনের কড়াকড়ির পর দেশে আবারও স্বাভাবিক হয়েছে মোবাইল আর্থিক সেবা ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং কার্যক্রম। শুক্রবার সকাল থেকে বিকাশ, নগদ, রকেটসহ বিভিন্ন মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস এবং অনলাইন ব্যাংকিং প্ল্যাটফর্মে লেনদেনের সব সীমাবদ্ধতা তুলে নেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার দিবাগত মধ্যরাতের পর থেকেই আরোপিত অস্থায়ী বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করা হয়। ফলে শুক্রবার থেকে গ্রাহকেরা জরুরি সীমা ছাড়াই স্বাভাবিকভাবে অর্থ লেনদেন করতে পারছেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রাইজবন্ডসহ সব সেবা ২০ নভেম্বর থেকে বন্ধ

নির্বাচনকালীন ৯৬ ঘণ্টার কড়াকড়ি

১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গত ৯ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত বিশেষ নিয়ন্ত্রণ জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই সময়ের মধ্যে অর্থ লেনদেনে বেশ কিছু কঠোর সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

ব্যক্তিগত লেনদেনে সীমা আরোপ

নির্বাচনী সময়ে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিতে অর্থ পাঠানোর ক্ষেত্রে প্রতি লেনদেনে সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা সীমা নির্ধারণ করা হয়। পাশাপাশি দিনে সর্বোচ্চ ১০টি লেনদেনের অনুমতি ছিল। এতে বড় অঙ্কের অর্থ স্থানান্তর কার্যত বন্ধ ছিল।

Polls-time MFS curbs bring miseries for many | The Business Standard

ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়েও বিধিনিষেধ

শুধু মোবাইল আর্থিক সেবা নয়, ব্যাংকের অ্যাপ ও অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিতে অর্থ স্থানান্তরও এই সময় প্রায় স্থগিত ছিল। জাতীয় পেমেন্ট সুইচ ব্যবস্থার মাধ্যমেও লেনদেনে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়।

কেন নেওয়া হয়েছিল এই সিদ্ধান্ত

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য ছিল নির্বাচনে অবৈধ অর্থের প্রভাব ঠেকানো এবং ভোটের স্বচ্ছতা রক্ষা করা। নির্বাচনপর্ব শেষ হওয়ায় এখন আবার আগের মতো উচ্চসীমায় লেনদেন চালু হয়েছে। তবে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে অস্বাভাবিক লেনদেনের ওপর নজরদারি চালিয়ে যেতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।