০৪:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
নিভিডিয়া সিইও জেনসেন হুয়াং শ্যানঘাইয়ে চীনের নিয়ন্ত্রক চ্যালেঞ্জের মুখে চীনের জন্য পশ্চিম ও মধ্য আফ্রিকায় নতুন সামরিক বাজারের সুযোগ চীনের রাষ্ট্র-সমর্থিত থ্রিলার কি অজানা গুপ্তচরবৃত্তি কেসের তথ্য উন্মোচন করবে? মার্কিন ডলারের প্রতি আস্থা কমলে বিশ্ব অর্থনীতি ঝুঁকিতে, সতর্ক করলেন আইএমএফের সাবেক কর্মকর্তা চিপ নয়, এখন লড়াই তাপ নিয়ন্ত্রণে: এআই ডেটা সেন্টারের তাপ চ্যালেঞ্জে চীনের নতুন কৌশল রমজানে বয়কটের হুমকি, তবু ২০ ফেব্রুয়ারি শুরু হচ্ছে অমর একুশে বইমেলা পবিত্র মাসে মুসলমানদের ইবাদত, সংযম ও সামষ্টিক জীবনের রূপ কুষ্টিয়ার চার আসনে জামায়াতের তিনটিতে জয়, ১৭ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত জাকার্তা: বিপদ আর সম্ভাবনার শহর মালয়েশিয়ার ই-আবর্জনা নিষেধাজ্ঞা: কি বিশ্বব্যাপী টক্সিক বর্জ্য প্রবাহ বন্ধ করতে পারবে?

মালয়েশিয়ার ই-আবর্জনা নিষেধাজ্ঞা: কি বিশ্বব্যাপী টক্সিক বর্জ্য প্রবাহ বন্ধ করতে পারবে?

মালয়েশিয়া বিশ্বব্যাপী টক্সিক স্ক্র্যাপের ডাম্পিং গ্রাউন্ড হওয়া থেকে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। তবে সেই প্রতিশ্রুতি কার্যকর করতে হলে প্রতি বছর কোটি কোটি শিপিং কন্টেইনার পরীক্ষা করতে হয়—যা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সব বন্দরেই একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

ই-আবর্জনা আমদানি বন্ধের ঘোষণা

গত সপ্তাহে কুয়ালালামপুর ই-আবর্জনা আমদানি তৎক্ষণাৎ বন্ধের ঘোষণা দিল। এই পদক্ষেপে এই ধরনের বর্জ্যকে “পূর্ণতর নিষেধাজ্ঞা” অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এবং দেশকে বিশ্বের বর্জ্য ডাম্পিংয়ের স্থান নয় বলে ঘোষণা করা হয়েছে। এর লক্ষ্য হচ্ছে বৈধ রিসাইক্লিং এবং অবৈধ প্রবাহের মধ্যে যে বিভ্রান্তি রয়েছে তা কমানো।

ই-বর্জ্য আমদানি নিষিদ্ধ করল মালয়েশিয়া

কাস্টমসের সফল ধরা

এই কঠোর অবস্থানের প্রথম পরীক্ষাগুলোর মধ্যে একটি হলো বুধবার পোর্ট ক্ল্যাংয়ে কাস্টমস কর্মকর্তারা প্রায় ২০০ টন ই-আবর্জনা আটক করেন। কর্মকর্তারা এটিকে বিরল সাফল্য হিসেবে বর্ণনা করেছেন, কারণ সাধারণত চোরাকারবারিরা সুন্দর কাগজপত্র ও রিসাইক্লিং লেবেলের আড়ালে চালান লুকিয়ে রাখে।

আটক করা চালান ও উৎস

একটি তত্ত্বাবধান অনুসারে কাস্টমস কর্মকর্তারা সাতটি কন্টেইনারে ই-আবর্জনা—যেমন ব্যবহৃত প্রিন্টার, ক্ষতিগ্রস্ত ফ্যাক্স মেশিন এবং পুরোনো কম্পিউটার যন্ত্রাংশ—পাওয়া যায়। আরও একটি কন্টেইনারে সন্দেহভাজন অ্যালুমিনিয়াম ড্রস ছিল, যা মালয়েশিয়ার আইনে আমদানি নিষিদ্ধ।

মালয়েশিয়ার বর্ডার কন্ট্রোল ও প্রোটেকশন এজেন্সির নিক ইজানী মোহাম্মদ ফয়সাল জানান, এই ই-আবর্জনাগুলি তিনটি মার্কিন বন্দর থেকে পাঠানো হয়েছিল—নিউ ইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস এবং নরফক, ভার্জিনিয়া। এগুলি অবৈধ ডাম্প বা রিসাইক্লিংয়ের উদ্দেশ্যে পাঠানো হচ্ছিল।

Malaysia 'awaits' US president's attendance at ASEAN summit, says premier

 

পরবর্তী ব্যবস্থা

কন্টেইনারগুলো নিরাপত্তার আওতায় রাখা হয়েছে এবং বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে ফেরত পাঠানোর অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

পোর্ট ক্ল্যাং কাস্টমসের কমান্ডার নিক ইজানী বলেন, “আমরা যে পরিমাণ চালান হ্যান্ডেল করি, সেগুলোর মধ্যে ই-আবর্জনা শনাক্ত করা সত্যিই একটি চ্যালেঞ্জ।”

মালয়েশিয়ার এই পদক্ষেপ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় বর্জ্য নিয়ন্ত্রণে এক শক্ত বার্তা দিচ্ছে, তবে বৈধ রিসাইক্লিং এবং অবৈধ প্রবাহের পার্থক্য নিশ্চিত করা এখনও বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

নিভিডিয়া সিইও জেনসেন হুয়াং শ্যানঘাইয়ে চীনের নিয়ন্ত্রক চ্যালেঞ্জের মুখে

মালয়েশিয়ার ই-আবর্জনা নিষেধাজ্ঞা: কি বিশ্বব্যাপী টক্সিক বর্জ্য প্রবাহ বন্ধ করতে পারবে?

০৩:০৬:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মালয়েশিয়া বিশ্বব্যাপী টক্সিক স্ক্র্যাপের ডাম্পিং গ্রাউন্ড হওয়া থেকে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। তবে সেই প্রতিশ্রুতি কার্যকর করতে হলে প্রতি বছর কোটি কোটি শিপিং কন্টেইনার পরীক্ষা করতে হয়—যা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সব বন্দরেই একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

ই-আবর্জনা আমদানি বন্ধের ঘোষণা

গত সপ্তাহে কুয়ালালামপুর ই-আবর্জনা আমদানি তৎক্ষণাৎ বন্ধের ঘোষণা দিল। এই পদক্ষেপে এই ধরনের বর্জ্যকে “পূর্ণতর নিষেধাজ্ঞা” অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এবং দেশকে বিশ্বের বর্জ্য ডাম্পিংয়ের স্থান নয় বলে ঘোষণা করা হয়েছে। এর লক্ষ্য হচ্ছে বৈধ রিসাইক্লিং এবং অবৈধ প্রবাহের মধ্যে যে বিভ্রান্তি রয়েছে তা কমানো।

ই-বর্জ্য আমদানি নিষিদ্ধ করল মালয়েশিয়া

কাস্টমসের সফল ধরা

এই কঠোর অবস্থানের প্রথম পরীক্ষাগুলোর মধ্যে একটি হলো বুধবার পোর্ট ক্ল্যাংয়ে কাস্টমস কর্মকর্তারা প্রায় ২০০ টন ই-আবর্জনা আটক করেন। কর্মকর্তারা এটিকে বিরল সাফল্য হিসেবে বর্ণনা করেছেন, কারণ সাধারণত চোরাকারবারিরা সুন্দর কাগজপত্র ও রিসাইক্লিং লেবেলের আড়ালে চালান লুকিয়ে রাখে।

আটক করা চালান ও উৎস

একটি তত্ত্বাবধান অনুসারে কাস্টমস কর্মকর্তারা সাতটি কন্টেইনারে ই-আবর্জনা—যেমন ব্যবহৃত প্রিন্টার, ক্ষতিগ্রস্ত ফ্যাক্স মেশিন এবং পুরোনো কম্পিউটার যন্ত্রাংশ—পাওয়া যায়। আরও একটি কন্টেইনারে সন্দেহভাজন অ্যালুমিনিয়াম ড্রস ছিল, যা মালয়েশিয়ার আইনে আমদানি নিষিদ্ধ।

মালয়েশিয়ার বর্ডার কন্ট্রোল ও প্রোটেকশন এজেন্সির নিক ইজানী মোহাম্মদ ফয়সাল জানান, এই ই-আবর্জনাগুলি তিনটি মার্কিন বন্দর থেকে পাঠানো হয়েছিল—নিউ ইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস এবং নরফক, ভার্জিনিয়া। এগুলি অবৈধ ডাম্প বা রিসাইক্লিংয়ের উদ্দেশ্যে পাঠানো হচ্ছিল।

Malaysia 'awaits' US president's attendance at ASEAN summit, says premier

 

পরবর্তী ব্যবস্থা

কন্টেইনারগুলো নিরাপত্তার আওতায় রাখা হয়েছে এবং বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে ফেরত পাঠানোর অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

পোর্ট ক্ল্যাং কাস্টমসের কমান্ডার নিক ইজানী বলেন, “আমরা যে পরিমাণ চালান হ্যান্ডেল করি, সেগুলোর মধ্যে ই-আবর্জনা শনাক্ত করা সত্যিই একটি চ্যালেঞ্জ।”

মালয়েশিয়ার এই পদক্ষেপ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় বর্জ্য নিয়ন্ত্রণে এক শক্ত বার্তা দিচ্ছে, তবে বৈধ রিসাইক্লিং এবং অবৈধ প্রবাহের পার্থক্য নিশ্চিত করা এখনও বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে।