নোয়াখালীর জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে তালা ভেঙে ব্যানার টাঙানোকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার সকালে জেলা শহর মাইজদীর টাউন হল মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে অভিযান চালিয়ে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ।
ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে কার্যালয়ের ফটকে ব্যানার টাঙানো ও স্লোগান দেওয়ার দৃশ্য দেখা যায়।
কীভাবে ঘটল ঘটনা

স্থানীয় সূত্র জানায়, সকালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে জড়ো হন। একপর্যায়ে তারা কার্যালয়ের প্রধান ফটকের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। এরপর ‘নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়’ লেখা একটি ব্যানার ফটকে টাঙানো হয়। এ সময় তারা দলীয় বিভিন্ন স্লোগান দেন।
ঘটনাটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় কৌতূহলী মানুষের ভিড় জমে যায়। পুরো পরিস্থিতি ঘিরে এক ধরনের উত্তেজনা তৈরি হয়।
পূর্বের প্রেক্ষাপট
২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের সময় বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতার হামলায় নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে আগুন দেওয়া হয় এবং ভাঙচুর চালানো হয়। পরে কার্যালয়ের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে রাখা হয়। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর হঠাৎ এভাবে তালা ভেঙে ব্যানার টাঙানোর ঘটনা নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে।

পুলিশের বক্তব্য
সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. তৌহিদুল ইসলাম জানান, ভোরের দিকে কিছু ব্যক্তি কার্যালয়ের ফটকে ব্যানার টাঙায়। বিষয়টি পুলিশের নজরে আসার পর দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই ব্যানারটি সরিয়ে ফেলা হয়।
তিনি আরও জানান, ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের নাম-পরিচয় ও সাংগঠনিক অবস্থান পরে জানানো হবে।
এদিকে স্থানীয় প্রশাসন পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছে। তবে ঘটনার পর রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















