চীনের সঙ্গে চুক্তি হলে কেনিয়ায় প্রকল্প বাস্তবায়ন দ্রুত শুরু হয়—এমনটাই জানিয়েছেন Kenya Investment Authority (ইনভেস্টকেনিয়া)-এর প্রধান নির্বাহী John Mwendwa। তাঁর মতে, চীনা প্রকল্পগুলো সাধারণত চুক্তি স্বাক্ষরের এক বছরের মধ্যেই নির্মাণ পর্যায়ে চলে যায়, যা পশ্চিমা বিনিয়োগের তুলনায় অনেক দ্রুত।
চুক্তি থেকে দ্রুত বাস্তবায়ন
৩০ জানুয়ারি South China Morning Post-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ম্ওয়েন্দওয়া বলেন, ২০২৫ সালে কেনিয়ার প্রেসিডেন্ট William Ruto-র Beijing সফরের সময় যে চুক্তিগুলো স্বাক্ষর হয়েছিল, তার বেশিরভাগই এখন কার্যক্রমে আছে বা নির্মাণাধীন। তাঁর ভাষায়, চীনা বিনিয়োগকারীদের ‘কনভার্সন রেট’ খুবই দ্রুত, ফলে প্রকল্পগুলো দ্রুত বাস্তবে রূপ পায়।

পশ্চিমা প্রকল্পে বিলম্বের কারণ
ম্ওয়েন্দওয়া ব্যাখ্যা করেন, পশ্চিমা অর্থায়নে পরিচালিত প্রকল্পগুলো সাধারণত পরিবেশ, সামাজিক ও সুশাসন (ESG) মানদণ্ডের কঠোরতা এবং জটিল নিয়ন্ত্রক যাচাইয়ের কারণে বেশি সময় নেয়। অনেক ক্ষেত্রে এসব বিনিয়োগ বছরের পর বছর ‘ডিসকভারি’ ও ‘ডিউ ডিলিজেন্স’ পর্যায়েই আটকে থাকে।
কোন কোন প্রকল্প এগিয়ে
তিনি জানান, এপ্রিলের সফরে স্বাক্ষরিত সাতটি চুক্তির মধ্যে ছয়টি ইতোমধ্যে চালু হয়েছে বা নির্মাণ পর্যায়ে রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে Rongtai Steel-এর ১৫০ মিলিয়ন ডলারের স্টিল প্রক্রিয়াজাত কারখানা, যা Machakos-এ, Nairobi-র বাইরে নির্মাণ হচ্ছে।

এছাড়া দক্ষিণাঞ্চলের Kajiado এলাকায় Shandong Jialejia-র ৩০০ মিলিয়ন ডলারের হ্যাচিং সুবিধা এবং উপকূলীয় Kilifi অঞ্চলে China Wu Yi Special Economic Zone প্রকল্পও দ্রুত এগোচ্ছে।
আরও কয়েকটি বড় বিনিয়োগ
রিফট ভ্যালিতে Zonken Group-এর ৪০০ মিলিয়ন ডলারের অ্যালো প্রক্রিয়াজাত ও ভাইনইয়ার্ড প্রকল্প এবং Chongqing Shangcheng Apparel Group-এর পোশাক কারখানাও প্রস্তাব থেকে বাস্তবায়নে যেতে এক বছরের কম সময় নিয়েছে।
সার্বিকভাবে, কেনিয়ায় অবকাঠামো ও শিল্প খাতে দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে চীন পশ্চিমা প্রতিদ্বন্দ্বীদের তুলনায় কার্যকর উপস্থিতি তৈরি করছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















