ইরানে নতুন বিশ্ববিদ্যালয় সেমিস্টার শুরুর দিনেই বিভিন্ন ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। রাজধানীসহ একাধিক শহরে এই প্রতিবাদ কর্মসূচি পালিত হয়, কোথাও কোথাও সরকারপন্থী গোষ্ঠীর সঙ্গে উত্তেজনাও দেখা গেছে।
চল্লিশা কর্মসূচির দিনে উত্তেজনা
শিক্ষার্থীদের এই বিক্ষোভ এমন সময়ে শুরু হয়েছে, যখন গত মাসের সরকারবিরোধী আন্দোলনে নিহতদের স্মরণে ঐতিহ্যগত চল্লিশা পালন করা হচ্ছিল। ওই আন্দোলনকে ১৯৭৯ সালের বিপ্লবের পর দেশের সবচেয়ে বড় অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা হিসেবে ধরা হচ্ছে।
তেহরানে স্লোগান ও সংঘর্ষ
রাজধানী তেহরান-এর শরীফ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়-এ শিক্ষার্থীদের মিছিলের একটি ভিডিওতে শোনা যায়, তারা সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি-এর বিরুদ্ধে তীব্র স্লোগান দিচ্ছেন। একই সঙ্গে তারা সাবেক শাহের নির্বাসিত পুত্র রেজা পাহলভি-কে নতুন শাসক হিসেবে চাওয়ার কথাও উচ্চারণ করেন।
রাষ্ট্রসমর্থিত সূত্রে প্রচারিত আরেক ভিডিওতে দেখা গেছে, কিছু শিক্ষার্থী নাকি পাথর নিক্ষেপ করলে স্বেচ্ছাসেবী ছাত্র বাসিজ সদস্যরা আহত হন। বাসিজ সাধারণত নিরাপত্তা বাহিনীকে বিক্ষোভ দমনে সহায়তা করে।

অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়েও প্রতিবাদ
তেহরানের শহীদ বেহেশতি ও আমির কবির বিশ্ববিদ্যালয় এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মাশহাদ বিশ্ববিদ্যালয়েও বিক্ষোভের খবর পাওয়া গেছে। বিভিন্ন মানবাধিকার গোষ্ঠী ও সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে এসব ঘটনার উল্লেখ রয়েছে, যদিও সব তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

পশ্চিমাঞ্চলে ‘স্বৈরশাসকের পতন’ স্লোগান
পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর আবদানানে এক শিক্ষক গ্রেপ্তারের পর বিক্ষোভকারীরা রাস্তায় নেমে “খামেনির পতন” ও “স্বৈরশাসকের মৃত্যু” স্লোগান দেন বলে জানা গেছে। শহরটি সাম্প্রতিক সময়ে আন্দোলনের অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















