১১:০১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬
 বিদেশি শ্রমনীতি: সস্তা শ্রম নয়, রাষ্ট্রের জন্য সর্বোচ্চ বৈদেশিক মুদ্রাই এখন লক্ষ্য জিজিগার করব্যবস্থার সংকট: রাজস্ব আদায়, ব্যবসায়িক গোপনীয়তা ও ডিজিটাল সংস্কারের নতুন পরীক্ষা চা পানে দীর্ঘায়ু থেকে মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যে মিলতে পারে ৫ উপকার ইরান যুদ্ধের মূল্য এখন আর যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সার্থক নয় এশীয় ব্যবসায়ীদের চাপে মধ্য ও পূর্ব ইউরোপে শিল্পভাড়া দ্বিগুণ ঋণের বোঝা থাকলে প্রেমেও ‘না’ বলছেন মিলেনিয়াল ও জেন-জি ৪০ ট্রিলিয়ন ডলারে মার্কিন ঋণ, বাড়ছে অর্থনীতির আর্থিক ঝুঁকি কলকাতার হোটেল অগ্নিকাণ্ডে  নিহতদের মধ্যে সাতক্ষীরার দুজন রোহিঙ্গারা পরিবেশ ধ্বংস, মাদক চোরাচালানসহ নানা অপকর্মে জড়িত: সেনাপ্রধান ইবনে খালদুনের উত্তরাধিকার: ইতিহাসের আলোয় এক অসামান্য চিন্তাবিদ ও তাঁর সীমাবদ্ধতা

হবিগঞ্জের দুই রাজাকারের পক্ষে সাফাই

  • Sarakhon Report
  • ০৫:০৮:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ মে ২০২৪
  • 182

নিজস্ব প্রতিবেদক

একাত্তরের মক্তিযুদ্ধের সময় হত্যা, গণহত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় হবিগঞ্জের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবুল খায়ের গোলাপ মিয়াসহ দুইজনের বিষয়ে আসামিপক্ষের পঞ্চম সাফাই সাক্ষীগ্রহণ শেষ করা হয়েছে। এখন মামলায় রাষ্ট্র ও আসামি উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য আগামী ২৪ জুলাই পরবর্তী দিন ঠিক করেছেন আদালত। চেয়ারম্যান বিচারপতি আবু আহমেদ জমাদারের নেতৃত্বে তিন সদস্য বিশিষ্ট আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল -১ বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেন।

আসামিদের একজন হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার গজানাইপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল খায়ের গোলাপ মিয়া (৬৬)। অন্যজন পলাতক মো. জামাল উদ্দিন আহম্মদ ওরফে মো. জামাল উদ্দিন (৬৫)। ট্রাইব্যুনালের আসামিদের বিরুদ্ধে শুনানি করেন প্রসিকিউটর সৈয়দ হায়দার আলী। তার সাথে ছিলেন প্রসিকিউটর রেজিয়া সুলতানা চমন। অন্যদিকে আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী আব্দুস সোবহান তরফদার ও গাজী এম এইচ তামিম। এ মামলায় আসামিপক্ষে ৫জন সাক্ষী সাফাই সাক্ষ্য দিয়েছেন ট্রাইব্যুনালে।

প্রসিকিউটর রেজিয়া সুলতানা চমন গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান। মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলায় মোট আসামি ছিলেন তিনজন। এরমধ্যে গিয়াস উদ্দিন নামের এক আসামি মারা গেছেন। বাকি দুইজনের মধ্যে একজন আবুল খায়ের গোলাপ মিয়া গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছেন। আসামিদের বিরুদ্ধে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ (আইও) প্রসিকিউশনের পক্ষে ১১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। পরে আসামিপক্ষে (ডিফেন্সের) সাফাই সাক্ষী গ্রহন শুরু হয়।
২০১৮ সালের ১৩ মে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) দাখিল করা হয়। এরপর অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে তাদের বিচার কাজ শুরু হয়। আসামিদের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের সময় সংগঠিত বিভিন্ন মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

 বিদেশি শ্রমনীতি: সস্তা শ্রম নয়, রাষ্ট্রের জন্য সর্বোচ্চ বৈদেশিক মুদ্রাই এখন লক্ষ্য

হবিগঞ্জের দুই রাজাকারের পক্ষে সাফাই

০৫:০৮:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ মে ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক

একাত্তরের মক্তিযুদ্ধের সময় হত্যা, গণহত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় হবিগঞ্জের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবুল খায়ের গোলাপ মিয়াসহ দুইজনের বিষয়ে আসামিপক্ষের পঞ্চম সাফাই সাক্ষীগ্রহণ শেষ করা হয়েছে। এখন মামলায় রাষ্ট্র ও আসামি উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য আগামী ২৪ জুলাই পরবর্তী দিন ঠিক করেছেন আদালত। চেয়ারম্যান বিচারপতি আবু আহমেদ জমাদারের নেতৃত্বে তিন সদস্য বিশিষ্ট আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল -১ বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেন।

আসামিদের একজন হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার গজানাইপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল খায়ের গোলাপ মিয়া (৬৬)। অন্যজন পলাতক মো. জামাল উদ্দিন আহম্মদ ওরফে মো. জামাল উদ্দিন (৬৫)। ট্রাইব্যুনালের আসামিদের বিরুদ্ধে শুনানি করেন প্রসিকিউটর সৈয়দ হায়দার আলী। তার সাথে ছিলেন প্রসিকিউটর রেজিয়া সুলতানা চমন। অন্যদিকে আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী আব্দুস সোবহান তরফদার ও গাজী এম এইচ তামিম। এ মামলায় আসামিপক্ষে ৫জন সাক্ষী সাফাই সাক্ষ্য দিয়েছেন ট্রাইব্যুনালে।

প্রসিকিউটর রেজিয়া সুলতানা চমন গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান। মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলায় মোট আসামি ছিলেন তিনজন। এরমধ্যে গিয়াস উদ্দিন নামের এক আসামি মারা গেছেন। বাকি দুইজনের মধ্যে একজন আবুল খায়ের গোলাপ মিয়া গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছেন। আসামিদের বিরুদ্ধে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ (আইও) প্রসিকিউশনের পক্ষে ১১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। পরে আসামিপক্ষে (ডিফেন্সের) সাফাই সাক্ষী গ্রহন শুরু হয়।
২০১৮ সালের ১৩ মে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) দাখিল করা হয়। এরপর অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে তাদের বিচার কাজ শুরু হয়। আসামিদের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের সময় সংগঠিত বিভিন্ন মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে।