মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। ইরানের ছোড়া শত শত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের আকাশে প্রতিহত করা হয়েছে। তবু প্রাণহানি এড়ানো যায়নি। দুই দেশে মিলিয়ে অন্তত চারজন নিহত এবং বহু মানুষ আহত হয়েছেন।
কুয়েতে আকাশ প্রতিরক্ষার সাফল্য
কুয়েতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরান হামলা শুরু করার পর থেকে দেশটির বিমান বাহিনী ৯৭টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ২৮৩টি ড্রোন ভূপাতিত ও ধ্বংস করেছে। সরকারি বার্তা সংস্থা জানায়, চলমান আঞ্চলিক অস্থিরতার মধ্যে অন্তত একজন নিহত এবং ৩২ জন আহত হয়েছেন।
কর্তৃপক্ষ বলছে, পরিস্থিতি এখনও সংবেদনশীল। প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে সর্বোচ্চ সতর্কতায় রাখা হয়েছে এবং যেকোনো হুমকি মোকাবিলায় বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে।

আমিরাতে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি
সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গতকাল থেকে ইরানি হামলায় সেখানে তিনজন নিহত হয়েছেন। এখন পর্যন্ত ১৬৭টি ক্ষেপণাস্ত্র এবং ৫৪১টি ড্রোন মোকাবিলা করা হয়েছে। প্রতিহত করা ড্রোনের মধ্যে ৩৫টি আমিরাতের ভেতরে আছড়ে পড়ে। এতে তিনজনের মৃত্যু, ৫৮ জন সামান্য আহত এবং বিভিন্ন স্থাপনায় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
আমিরাত কর্তৃপক্ষ বলছে, দেশজুড়ে উচ্চ সতর্কতা জারি আছে এবং যেকোনো নতুন আক্রমণের জবাব দিতে তারা প্রস্তুত।

আঞ্চলিক উত্তেজনা কোন পথে
ইরানের এই হামলার ফলে উপসাগরীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা ঝুঁকি আরও বেড়েছে। আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সক্রিয়তা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি ঠেকালেও প্রাণহানি প্রমাণ করছে পরিস্থিতি কতটা গুরুতর। বিশ্লেষকদের মতে, এই সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে পুরো অঞ্চলে অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়তে পারে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















