মার্কিন কংগ্রেসে প্রেসিডেন্টের যুদ্ধ পরিচালনার ক্ষমতা সীমিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব ভোটাভুটিতে আটকে গেছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যেন কংগ্রেসের অনুমতি ছাড়া ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে না পারেন—এ লক্ষ্যেই দ্বিদলীয় সমর্থনে প্রস্তাবটি আনা হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত প্রতিনিধি পরিষদের ভোটে সেটি পাস হয়নি।
প্রতিনিধি পরিষদে ভোটাভুটি
প্রস্তাবটির ওপর ভোটাভুটিতে ২১৯ জন সদস্য এর বিরোধিতা করেন এবং ২১২ জন সমর্থন দেন। ফলে অল্প ব্যবধানে প্রস্তাবটি পাস হতে ব্যর্থ হয়।
ভোটের সময় দেখা যায়, প্রায় সব রিপাবলিকান সদস্য এই উদ্যোগের বিরোধিতা করেন। কেবল দুইজন রিপাবলিকান এর বিপক্ষে অবস্থান নেননি। অন্যদিকে চারজন ডেমোক্র্যাটও রিপাবলিকানদের সঙ্গে যোগ দিয়ে প্রস্তাবটির বিরোধিতা করেন।
প্রস্তাবের মূল উদ্দেশ্য
এই প্রস্তাবের উদ্দেশ্য ছিল প্রেসিডেন্টের যুদ্ধ পরিচালনার ক্ষমতার ওপর কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ বাড়ানো। বিশেষ করে ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে, কংগ্রেসের অনুমতি ছাড়া যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার ক্ষমতা সীমিত করার কথা বলা হয়েছিল।
প্রস্তাবটি পাস হলে প্রেসিডেন্টকে সামরিক পদক্ষেপ চালিয়ে যেতে হলে কংগ্রেসের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন নিতে হতো।
সেনেটেও একই পরিণতি
এর আগে বুধবার মার্কিন সিনেটেও একই ধরনের একটি উদ্যোগ ব্যর্থ হয়। সেখানে ভোটাভুটির মাধ্যমে অনুরূপ একটি প্রস্তাব আটকে দেওয়া হয়েছিল।

ফলে প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট—দুই কক্ষেই প্রেসিডেন্টের যুদ্ধ পরিচালনার ক্ষমতা সীমিত করার প্রচেষ্টা আপাতত সফল হয়নি।
ইরান ইস্যুতে উত্তেজনা
ইরানকে ঘিরে সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনার মধ্যেই এই প্রস্তাবটি নিয়ে আলোচনা হয়। অনেক আইনপ্রণেতা মনে করছেন, বড় ধরনের সামরিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে কংগ্রেসের সরাসরি অনুমোদন থাকা জরুরি।
তবে বিরোধীরা বলছেন, সংকটময় পরিস্থিতিতে প্রেসিডেন্টের দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা সীমিত করা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















