০৬:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
আসামে তৃতীয় দফায় ক্ষমতায় এলে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি, চার বিয়েতে নিষেধাজ্ঞার ইঙ্গিত জ্বালানি সংকটে রাজধানীতে এলপিজির কালোবাজারি বিস্তার, পুলিশের অভিযানে হাজারের বেশি সিলিন্ডার জব্দ রিজার্ভে ধাক্কা: দুই সপ্তাহে কমে ২৯.২৯ বিলিয়ন ডলার, অর্থনীতিতে নতুন চাপ মধ্য-এপ্রিলের মধ্যে হরমুজ না খুললে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট আরও তীব্র হবে: তেল শিল্পের সতর্কবার্তা ইরান মার্কিন শর্ত মানতে রাজি, তবে খার্গ দ্বীপ দখলের ভাবনায় ট্রাম্প হরমুজ সংকটের আঘাতে বাংলাদেশ: বার্ষিক জ্বালানি আমদানি ব্যয় বাড়বে ৪৮০ কোটি ডলার ইসলামাবাদে চার দেশের কূটনীতি: পাকিস্তান মার্কিন-ইরান সরাসরি আলোচনা আয়োজনের প্রস্তাব দিল বঙ্গের ধাঁধা — সামাজিক অগ্রগতি কেন উচ্চ আয়ে রূপান্তরিত হয়নি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংলাপে মধ্যস্থতার উদ্যোগে পাকিস্তান, চীনের সমর্থন চাইতে বেইজিং সফরে ইসহাক দার ভারত কেন কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন বেছে নেয়

ইরান যুদ্ধের আগুনে ক্ষতবিক্ষত, কিন্তু শেষ কোথায়—অস্পষ্ট আমেরিকার লক্ষ্য

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে শুরু হওয়া যুদ্ধ এক সপ্তাহের মধ্যেই ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরান বড় ধরনের সামরিক ও রাজনৈতিক ধাক্কা খেলেও যুদ্ধের শেষ কোথায়—তা এখনো পরিষ্কার নয়। হামলায় ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বের বড় অংশ নিহত হয়েছে, কিন্তু তেহরানের সরকার এখনো টিকে আছে এবং পাল্টা আক্রমণে পুরো অঞ্চলে উত্তেজনা ছড়িয়ে দিয়েছে।

এই সংঘাতে ইতিমধ্যে বহু মানুষ নিহত হয়েছে, জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে। একই সঙ্গে যুদ্ধের লক্ষ্য নিয়ে মার্কিন নেতৃত্বের অবস্থান বারবার বদলে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও অনিশ্চিত হয়ে উঠেছে।

U.S.-Israeli Bombing Campaign Targets Tehran as Iran Retaliates

যুদ্ধের শুরুতেই বড় ধাক্কা
ফেব্রুয়ারির শেষ দিনে তেহরানের কেন্দ্রে একটি সরকারি কমপ্লেক্সে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়। সেই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং বহু শীর্ষ সামরিক ও গোয়েন্দা কর্মকর্তা নিহত হন। যুদ্ধের শুরুতেই নেতৃত্ব হারিয়ে ইরান বড় ধরনের ধাক্কা খায়।

তবে হামলায় এমন কিছু কর্মকর্তাও নিহত হন, যাদের যুক্তরাষ্ট্র সম্ভাব্য আলোচনার পথ তৈরি করতে পারে বলে মনে করেছিল। ফলে দ্রুত যুদ্ধ শেষ করার সম্ভাবনাও জটিল হয়ে পড়ে।

আলী খামেনি - উইকিপিডিয়া

যুদ্ধের লক্ষ্য নিয়ে বিভ্রান্তি
মার্কিন প্রশাসন শুরুতে বলেছিল, এই যুদ্ধের লক্ষ্য ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পথ থেকে থামানো। কিন্তু প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কখনো বলেছেন ইরানে গণঅভ্যুত্থান হওয়া উচিত, আবার কখনো বলেছেন ইরানের ভবিষ্যৎ নিয়ে তার তেমন আগ্রহ নেই।

পরে তিনি দাবি করেন, ইরানের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নির্ধারণেও যুক্তরাষ্ট্র ভূমিকা রাখতে পারে। এই পরস্পরবিরোধী বক্তব্য যুক্তরাষ্ট্রের জনগণ এবং আন্তর্জাতিক মহলে বিভ্রান্তি তৈরি করেছে।

ইরান যুদ্ধ এক মাসের বেশি দীর্ঘ হতে পারে: ডোনাল্ড ট্রাম্প :: এটিএন নিউজ

প্রচণ্ড সামরিক অভিযান
যুদ্ধের প্রথম সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল প্রায় চার হাজার লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে বলে জানা গেছে। ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি, সামরিক সদরদপ্তর এবং পারস্য উপসাগরে চলাচলকারী নৌযান লক্ষ্য করে এসব আক্রমণ করা হয়।

এই হামলায় ইরানের সামরিক সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার হার প্রায় নব্বই শতাংশ কমে গেছে বলে সামরিক কর্মকর্তারা দাবি করেছেন।

তবে ইরানের হাতে এখনো বিপুল অস্ত্রভাণ্ডার রয়েছে। অনুমান করা হচ্ছে, দেশটির ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির প্রায় অর্ধেক এখনো অক্ষত রয়েছে এবং ড্রোন সক্ষমতাও পুরোপুরি ধ্বংস হয়নি।

নিরীহ মানুষের প্রাণহানি
যুদ্ধের ভয়াবহতার সবচেয়ে মর্মান্তিক উদাহরণ দেখা গেছে দক্ষিণ ইরানের মিনাব শহরে। একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিমান হামলায় অন্তত একশ পঁচাত্তর জন নিহত হয়েছে, যাদের মধ্যে অনেক শিশু ছিল।

ইরানের স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের মতে, এখন পর্যন্ত প্রায় এক হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এই হামলার দায় এখনো কোনো পক্ষ স্বীকার করেনি, তবে বিশ্লেষণে ধারণা করা হচ্ছে এটি যুক্তরাষ্ট্রের হামলা হতে পারে।

ইরানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হামলায় নিহত বেড়ে ১৪৮

ইরানের পাল্টা কৌশল
ইরান এই যুদ্ধকে দীর্ঘায়িত করার পরিকল্পনা নিয়েছে। তাদের সামরিক কৌশলের নাম দেওয়া হয়েছে “অপারেশন ম্যাডম্যান”। এই পরিকল্পনার লক্ষ্য হলো যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং তাদের মিত্রদের ওপর যুদ্ধের খরচ ও চাপ বাড়িয়ে দেওয়া।

এই কৌশলের অংশ হিসেবে ইরান প্রথমে ইসরায়েলে হামলা চালায়, এরপর আরব দেশগুলোতে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে আক্রমণ করে এবং পরে আঞ্চলিক অর্থনীতি ও অবকাঠামোতে আঘাত হানতে শুরু করে।

মধ্যপ্রাচ্যে সহিংসতার বিস্তার
যুদ্ধ দ্রুত মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। উপসাগরীয় অঞ্চলে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তেল ও গ্যাস স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচলও ব্যাহত হয়েছে।

এর ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে চাপ বেড়েছে এবং অনেক দেশে জ্বালানির দাম বাড়তে শুরু করেছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক পরিবহন ও পর্যটন খাতেও বড় ধাক্কা লেগেছে।

লেবাননভিত্তিক হিজবুল্লাহও এই সংঘাতে যুক্ত হয়েছে এবং ইসরায়েলের দিকে হামলা চালিয়েছে। এর জবাবে ইসরায়েল লেবাননে পাল্টা হামলা চালিয়েছে।

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরাইলের সংঘাতে অস্থির তেলবাজার; হরমুজ প্রণালি  ঘিরে দামের ঊর্ধ্বগতির শঙ্কা

ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত
ইরানের শীর্ষ নেতাদের অনেকেই নিহত হলেও দেশটির ক্ষমতার কাঠামো এখনো পুরোপুরি ভেঙে পড়েনি। নতুন সামরিক কমান্ডার নিয়োগ করা হয়েছে এবং সরকার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র এখন ইরানের নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের দাবি তুলেছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, এই যুদ্ধ কয়েক সপ্তাহ বা তারও বেশি সময় ধরে চলতে পারে এবং এর প্রভাব পুরো মধ্যপ্রাচ্যকে দীর্ঘ সময় ধরে অস্থির করে রাখতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

আসামে তৃতীয় দফায় ক্ষমতায় এলে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি, চার বিয়েতে নিষেধাজ্ঞার ইঙ্গিত

ইরান যুদ্ধের আগুনে ক্ষতবিক্ষত, কিন্তু শেষ কোথায়—অস্পষ্ট আমেরিকার লক্ষ্য

০৫:২৫:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে শুরু হওয়া যুদ্ধ এক সপ্তাহের মধ্যেই ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরান বড় ধরনের সামরিক ও রাজনৈতিক ধাক্কা খেলেও যুদ্ধের শেষ কোথায়—তা এখনো পরিষ্কার নয়। হামলায় ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বের বড় অংশ নিহত হয়েছে, কিন্তু তেহরানের সরকার এখনো টিকে আছে এবং পাল্টা আক্রমণে পুরো অঞ্চলে উত্তেজনা ছড়িয়ে দিয়েছে।

এই সংঘাতে ইতিমধ্যে বহু মানুষ নিহত হয়েছে, জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে। একই সঙ্গে যুদ্ধের লক্ষ্য নিয়ে মার্কিন নেতৃত্বের অবস্থান বারবার বদলে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও অনিশ্চিত হয়ে উঠেছে।

U.S.-Israeli Bombing Campaign Targets Tehran as Iran Retaliates

যুদ্ধের শুরুতেই বড় ধাক্কা
ফেব্রুয়ারির শেষ দিনে তেহরানের কেন্দ্রে একটি সরকারি কমপ্লেক্সে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়। সেই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং বহু শীর্ষ সামরিক ও গোয়েন্দা কর্মকর্তা নিহত হন। যুদ্ধের শুরুতেই নেতৃত্ব হারিয়ে ইরান বড় ধরনের ধাক্কা খায়।

তবে হামলায় এমন কিছু কর্মকর্তাও নিহত হন, যাদের যুক্তরাষ্ট্র সম্ভাব্য আলোচনার পথ তৈরি করতে পারে বলে মনে করেছিল। ফলে দ্রুত যুদ্ধ শেষ করার সম্ভাবনাও জটিল হয়ে পড়ে।

আলী খামেনি - উইকিপিডিয়া

যুদ্ধের লক্ষ্য নিয়ে বিভ্রান্তি
মার্কিন প্রশাসন শুরুতে বলেছিল, এই যুদ্ধের লক্ষ্য ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পথ থেকে থামানো। কিন্তু প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কখনো বলেছেন ইরানে গণঅভ্যুত্থান হওয়া উচিত, আবার কখনো বলেছেন ইরানের ভবিষ্যৎ নিয়ে তার তেমন আগ্রহ নেই।

পরে তিনি দাবি করেন, ইরানের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নির্ধারণেও যুক্তরাষ্ট্র ভূমিকা রাখতে পারে। এই পরস্পরবিরোধী বক্তব্য যুক্তরাষ্ট্রের জনগণ এবং আন্তর্জাতিক মহলে বিভ্রান্তি তৈরি করেছে।

ইরান যুদ্ধ এক মাসের বেশি দীর্ঘ হতে পারে: ডোনাল্ড ট্রাম্প :: এটিএন নিউজ

প্রচণ্ড সামরিক অভিযান
যুদ্ধের প্রথম সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল প্রায় চার হাজার লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে বলে জানা গেছে। ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি, সামরিক সদরদপ্তর এবং পারস্য উপসাগরে চলাচলকারী নৌযান লক্ষ্য করে এসব আক্রমণ করা হয়।

এই হামলায় ইরানের সামরিক সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার হার প্রায় নব্বই শতাংশ কমে গেছে বলে সামরিক কর্মকর্তারা দাবি করেছেন।

তবে ইরানের হাতে এখনো বিপুল অস্ত্রভাণ্ডার রয়েছে। অনুমান করা হচ্ছে, দেশটির ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির প্রায় অর্ধেক এখনো অক্ষত রয়েছে এবং ড্রোন সক্ষমতাও পুরোপুরি ধ্বংস হয়নি।

নিরীহ মানুষের প্রাণহানি
যুদ্ধের ভয়াবহতার সবচেয়ে মর্মান্তিক উদাহরণ দেখা গেছে দক্ষিণ ইরানের মিনাব শহরে। একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিমান হামলায় অন্তত একশ পঁচাত্তর জন নিহত হয়েছে, যাদের মধ্যে অনেক শিশু ছিল।

ইরানের স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের মতে, এখন পর্যন্ত প্রায় এক হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এই হামলার দায় এখনো কোনো পক্ষ স্বীকার করেনি, তবে বিশ্লেষণে ধারণা করা হচ্ছে এটি যুক্তরাষ্ট্রের হামলা হতে পারে।

ইরানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হামলায় নিহত বেড়ে ১৪৮

ইরানের পাল্টা কৌশল
ইরান এই যুদ্ধকে দীর্ঘায়িত করার পরিকল্পনা নিয়েছে। তাদের সামরিক কৌশলের নাম দেওয়া হয়েছে “অপারেশন ম্যাডম্যান”। এই পরিকল্পনার লক্ষ্য হলো যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং তাদের মিত্রদের ওপর যুদ্ধের খরচ ও চাপ বাড়িয়ে দেওয়া।

এই কৌশলের অংশ হিসেবে ইরান প্রথমে ইসরায়েলে হামলা চালায়, এরপর আরব দেশগুলোতে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে আক্রমণ করে এবং পরে আঞ্চলিক অর্থনীতি ও অবকাঠামোতে আঘাত হানতে শুরু করে।

মধ্যপ্রাচ্যে সহিংসতার বিস্তার
যুদ্ধ দ্রুত মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। উপসাগরীয় অঞ্চলে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তেল ও গ্যাস স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচলও ব্যাহত হয়েছে।

এর ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে চাপ বেড়েছে এবং অনেক দেশে জ্বালানির দাম বাড়তে শুরু করেছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক পরিবহন ও পর্যটন খাতেও বড় ধাক্কা লেগেছে।

লেবাননভিত্তিক হিজবুল্লাহও এই সংঘাতে যুক্ত হয়েছে এবং ইসরায়েলের দিকে হামলা চালিয়েছে। এর জবাবে ইসরায়েল লেবাননে পাল্টা হামলা চালিয়েছে।

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরাইলের সংঘাতে অস্থির তেলবাজার; হরমুজ প্রণালি  ঘিরে দামের ঊর্ধ্বগতির শঙ্কা

ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত
ইরানের শীর্ষ নেতাদের অনেকেই নিহত হলেও দেশটির ক্ষমতার কাঠামো এখনো পুরোপুরি ভেঙে পড়েনি। নতুন সামরিক কমান্ডার নিয়োগ করা হয়েছে এবং সরকার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র এখন ইরানের নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের দাবি তুলেছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, এই যুদ্ধ কয়েক সপ্তাহ বা তারও বেশি সময় ধরে চলতে পারে এবং এর প্রভাব পুরো মধ্যপ্রাচ্যকে দীর্ঘ সময় ধরে অস্থির করে রাখতে পারে।