মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রভাব নিয়ে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার লন্ডনে সাধারণ মানুষের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ইরানকে ঘিরে বাড়তে থাকা সংকটের অর্থনৈতিক প্রভাব সীমিত রাখতে ব্রিটেন সরকার আন্তর্জাতিক অংশীদার এবং ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে।
অর্থনীতিতে সংঘাতের চাপ
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত শুরুর পর থেকেই ব্রিটেনের ঋণ গ্রহণের খরচ দ্রুত বেড়েছে। ইউরোপের অনেক দেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় এই বৃদ্ধি বেশি। বিনিয়োগকারীদের আশঙ্কা, তেল ও গ্যাসের দাম বাড়তে থাকলে ইতিমধ্যেই উচ্চ থাকা মূল্যস্ফীতি আরও বেড়ে যেতে পারে।\

এই পরিস্থিতি সরকারের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। অর্থনীতির ধাক্কা সামাল দিতে সরকারকে আবারও হস্তক্ষেপ করতে হতে পারে, যা আগে থেকেই অজনপ্রিয় সরকারের জন্য বড় চাপ হয়ে দাঁড়াতে পারে। একই সঙ্গে সরকারি ব্যয় বাড়ানোর সুযোগও খুব সীমিত।
ঝুঁকি পর্যবেক্ষণে সরকার
কিয়ার স্টারমার বলেন, সরকার পরিস্থিতি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং ঝুঁকি কমাতে বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে কাজ করছে।
তিনি বলেন, আমরা ঝুঁকি পর্যবেক্ষণ করছি এবং অন্যদের সঙ্গে কাজ করছি যাতে এই ঝুঁকি কমানো যায়। জ্বালানি মূল্যের বিষয়টি নিয়ে চ্যান্সেলর প্রতিদিন ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের সঙ্গে আলোচনা করছেন, যাতে পরিবারের ওপর প্রভাব কমানো যায়।

তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে আলোচনা চলছে যাতে ব্রিটেনের সাধারণ মানুষের ওপর সম্ভাব্য প্রভাব কমানো যায়। একই সঙ্গে সংঘাত কমানোর পথও খোঁজা হচ্ছে।
স্টারমারের মতে, সংঘাত যত দীর্ঘ হবে, অর্থনীতির ওপর তার প্রভাব তত বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















