মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে ইরান ইতোমধ্যে দুই হাজারের বেশি ড্রোন এবং প্রায় পাঁচশ ব্যালিস্টিক মিসাইল নিক্ষেপ করেছে বলে জানিয়েছেন ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের মুখপাত্র আলী মোহাম্মদ নাঈনি। তার দাবি, যুদ্ধের শুরুতে নয় বরং এখন ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র আগের তুলনায় আরও শক্তিশালী এবং আকারেও বড় হয়েছে।
ইরানের দাবি: ক্ষেপণাস্ত্র আরও শক্তিশালী
মঙ্গলবার ভোরে দেওয়া এক বক্তব্যে আলী মোহাম্মদ নাঈনি বলেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা কমে যাচ্ছে—এমন দাবি সঠিক নয়। বরং যুদ্ধের শুরুর সময়ের তুলনায় বর্তমানে ব্যবহৃত ক্ষেপণাস্ত্রগুলো আরও শক্তিশালী এবং আকারে বড়।
আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম এই তথ্য প্রকাশ করেছে। সংস্থাটি ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সংশ্লিষ্ট।

ড্রোন ও মিসাইল হামলার পরিসংখ্যান
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের এক হিসাব অনুযায়ী, সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোর দিকে ইরান ব্যাপক সংখ্যায় ড্রোন ও ব্যালিস্টিক মিসাইল নিক্ষেপ করেছে।
বিভিন্ন দেশের সামরিক বাহিনী ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এখন পর্যন্ত ইরান দুই হাজারের বেশি ড্রোন এবং প্রায় পাঁচশ ব্যালিস্টিক মিসাইল নিক্ষেপ করেছে।

হামলা অব্যাহত থাকার ইঙ্গিত
তথ্য বিশ্লেষণে কিছু ইঙ্গিত পাওয়া যায় যে ইরানের সামরিক সক্ষমতা কিছুটা কমে যেতে পারে। তবে বাস্তবে হামলা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি।
মঙ্গলবার ভোর পর্যন্তও ইরানের পক্ষ থেকে নতুন করে ড্রোন ও মিসাইল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে, যা ইঙ্গিত দেয় যে সংঘাতের মাঝেও তাদের সামরিক অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ইসরায়েল নিয়ে তথ্য প্রকাশ হয়নি
এই পরিসংখ্যানের মধ্যে ইসরায়েলের দিকে চালানো হামলার সংখ্যা অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। কারণ ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ এ ধরনের হামলার বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করতে রাজি হয়নি।
ফলে মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের মোট হামলার প্রকৃত সংখ্যা এর চেয়েও বেশি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















