০১:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে বিশেষ বাহিনী মোতায়েন, ইরান ইস্যুতে পরবর্তী পদক্ষেপ ভাবছেন ট্রাম্প ইরানি উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে রাতে সমুদ্রে চলাচল নিষিদ্ধ করল বাহরাইন কুয়েতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা: সেনা ক্যাম্পে আঘাত, আহত ১০ সেনাসদস্য বিশ্ব বাণিজ্যে নতুন ঝুঁকি, হুথিদের সক্রিয়তায় শিপিং সংকট আরও গভীর ইসরায়েলের দিকে হুথিদের দ্বিতীয় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, উত্তেজনায় নতুন মোড় মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের নতুন মোড়: হুথিদের হামলা, মার্কিন মেরিন মোতায়েন, ইরান ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে মার্কিন বাহিনীর ইরানে স্থল অভিযানের প্রস্তুতি, কয়েক সপ্তাহের পরিকল্পনা—অনিশ্চয়তায় ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত সৌদি ঘাঁটিতে ইরানের হামলা, মার্কিন গোয়েন্দা বিমান ধ্বংসের দাবি খুলনায় ট্রেনের ধাক্কায় ব্যক্তিগত গাড়ি দুমড়ে-মুচড়ে, আহত ৪: অল্পের জন্য বড় দুর্ঘটনা এড়ানো নিরাপদ ডিজিটাল সংযোগে বড় পদক্ষেপ: বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন পার্টনার নেটওয়ার্ক নির্দেশিকা জারি

দক্ষিণ কোরিয়া থেকে মার্কিন অস্ত্র সরানো নিয়ে বিতর্ক

দক্ষিণ কোরিয়ায় অবস্থানরত মার্কিন বাহিনী দেশটির অনুমতি ছাড়াই কিছু অস্ত্র অন্যত্র সরিয়ে নিতে পারে—এমন মন্তব্য করেছেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিউং। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রেক্ষাপটে মার্কিন প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সেখানে পাঠানো হচ্ছে—এমন প্রতিবেদনের পর তিনি এই মন্তব্য করেন।

দক্ষিণ কোরিয়া বাধা দিতে পারবে না

মঙ্গলবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রেসিডেন্ট লি জে মিউং বলেন, দক্ষিণ কোরিয়ায় অবস্থানরত মার্কিন বাহিনী দেশ থেকে কিছু অস্ত্র সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে আর্টিলারি ব্যাটারি ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বিদেশে পাঠানো নিয়ে আলোচনা চলছে।

A U.S. army soldier walks past military vehicles at a U.S army base in Pyeongtaek

তিনি বলেন, এ বিষয়ে সিউল সরকারের আপত্তি থাকলেও বাস্তবে তাদের দাবি চাপিয়ে দেওয়ার মতো অবস্থান নেই। কারণ এসব অস্ত্রের নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা মূলত মার্কিন বাহিনীর অধীনেই থাকে।

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রভাব

সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত মোকাবিলায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ কোরিয়া থেকে কিছু প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সরিয়ে নিতে পারে। এই পদক্ষেপকে ঘিরেই দক্ষিণ কোরিয়ায় রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে।

সরকারের আশ্বাস: প্রতিরোধ সক্ষমতায় প্রভাব নেই

তবে প্রেসিডেন্ট লি জে মিউং স্পষ্টভাবে বলেন, দক্ষিণ কোরিয়া থেকে কিছু মার্কিন অস্ত্র সরিয়ে নেওয়া হলেও উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ কৌশলে বড় কোনো বাধা তৈরি হবে না।

U.S. Patriot missile defense systems at a U.S army base in Pyeongtaek

তিনি উল্লেখ করেন, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা ব্যয় এবং প্রচলিত সামরিক সক্ষমতা উত্তর কোরিয়ার তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী। তাই সীমিত পরিসরে অস্ত্র সরানো হলেও সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি দুর্বল হয়ে পড়বে না।

সরকারের মতে, দক্ষিণ কোরিয়া নিজস্ব সামরিক শক্তি ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নিরাপত্তা জোটের ওপর নির্ভর করেই উত্তর কোরিয়ার সম্ভাব্য হুমকি মোকাবিলা করতে সক্ষম।

জনপ্রিয় সংবাদ

মধ্যপ্রাচ্যে বিশেষ বাহিনী মোতায়েন, ইরান ইস্যুতে পরবর্তী পদক্ষেপ ভাবছেন ট্রাম্প

দক্ষিণ কোরিয়া থেকে মার্কিন অস্ত্র সরানো নিয়ে বিতর্ক

০৪:২৮:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

দক্ষিণ কোরিয়ায় অবস্থানরত মার্কিন বাহিনী দেশটির অনুমতি ছাড়াই কিছু অস্ত্র অন্যত্র সরিয়ে নিতে পারে—এমন মন্তব্য করেছেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিউং। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রেক্ষাপটে মার্কিন প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সেখানে পাঠানো হচ্ছে—এমন প্রতিবেদনের পর তিনি এই মন্তব্য করেন।

দক্ষিণ কোরিয়া বাধা দিতে পারবে না

মঙ্গলবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রেসিডেন্ট লি জে মিউং বলেন, দক্ষিণ কোরিয়ায় অবস্থানরত মার্কিন বাহিনী দেশ থেকে কিছু অস্ত্র সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে আর্টিলারি ব্যাটারি ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বিদেশে পাঠানো নিয়ে আলোচনা চলছে।

A U.S. army soldier walks past military vehicles at a U.S army base in Pyeongtaek

তিনি বলেন, এ বিষয়ে সিউল সরকারের আপত্তি থাকলেও বাস্তবে তাদের দাবি চাপিয়ে দেওয়ার মতো অবস্থান নেই। কারণ এসব অস্ত্রের নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা মূলত মার্কিন বাহিনীর অধীনেই থাকে।

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রভাব

সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত মোকাবিলায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ কোরিয়া থেকে কিছু প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সরিয়ে নিতে পারে। এই পদক্ষেপকে ঘিরেই দক্ষিণ কোরিয়ায় রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে।

সরকারের আশ্বাস: প্রতিরোধ সক্ষমতায় প্রভাব নেই

তবে প্রেসিডেন্ট লি জে মিউং স্পষ্টভাবে বলেন, দক্ষিণ কোরিয়া থেকে কিছু মার্কিন অস্ত্র সরিয়ে নেওয়া হলেও উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ কৌশলে বড় কোনো বাধা তৈরি হবে না।

U.S. Patriot missile defense systems at a U.S army base in Pyeongtaek

তিনি উল্লেখ করেন, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা ব্যয় এবং প্রচলিত সামরিক সক্ষমতা উত্তর কোরিয়ার তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী। তাই সীমিত পরিসরে অস্ত্র সরানো হলেও সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি দুর্বল হয়ে পড়বে না।

সরকারের মতে, দক্ষিণ কোরিয়া নিজস্ব সামরিক শক্তি ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নিরাপত্তা জোটের ওপর নির্ভর করেই উত্তর কোরিয়ার সম্ভাব্য হুমকি মোকাবিলা করতে সক্ষম।