কুয়েতে এক রাতে সংঘটিত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় দেশটির একটি সেনা ক্যাম্প লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। এতে অন্তত ১০ জন সেনাসদস্য আহত হয়েছেন। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ঘটনাটি নিশ্চিত করে জানিয়েছে, হামলায় সামরিক ও বেসামরিক উভয় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
হামলার বিবরণ
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র কর্নেল সৌদ আল-আতওয়ান জানান, রাতের আঁধারে চালানো এই হামলায় সেনা ক্যাম্প সরাসরি আঘাতপ্রাপ্ত হয়। এতে ১০ জন সেনাসদস্য আহত হন এবং তারা বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। হামলার ফলে বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও তিনি নিশ্চিত করেন।

গত ২৪ ঘণ্টার পরিস্থিতি
কর্নেল আল-আতওয়ান আরও জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় কুয়েতের আকাশসীমায় মোট ১৪টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ১২টি ড্রোন প্রবেশ করে। এর মধ্যে কয়েকটি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রতিহত করা হয়।
প্রতিরক্ষা প্রতিক্রিয়া
রবিবার ভোরে পাঁচবার সাইরেন বাজানো হয়, যখন আকাশে আসা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন শনাক্ত ও প্রতিরোধ করা হচ্ছিল। একই দিনে কুয়েতের ন্যাশনাল গার্ড জানায়, তারা অন্তত চারটি ড্রোন ভূপাতিত করেছে।
ক্ষয়ক্ষতি ও প্রভাব
এই হামলায় একটি বেসরকারি লজিস্টিক কোম্পানির গুদামঘরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে বোঝা যাচ্ছে, হামলার প্রভাব শুধু সামরিক স্থাপনায় সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং বেসামরিক অবকাঠামোতেও আঘাত হেনেছে।

মোট হুমকির চিত্র
কুয়েতি কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত দেশটির বিরুদ্ধে মোট ৩০৭টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ২টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ৬১৬টি ড্রোন হামলার হুমকি বা আক্রমণ নথিভুক্ত হয়েছে। এটি সাম্প্রতিক সময়ে আকাশপথে নিরাপত্তা ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ার ইঙ্গিত দেয়।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















