০২:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬
কক্সবাজারের পাঁচতারা হোটেল থেকে সুপ্রা, সিভিক ও মিয়াটা জব্দ, আমদানির পথ খতিয়ে দেখছে শুল্ক গোয়েন্দা কারাগারে ইমরান খানকে হত্যা করা হচ্ছে—বাবার জীবন নিয়ে চরম শঙ্কায় দুই ছেলে ইরান যুদ্ধের ধাক্কায় যুক্তরাষ্ট্র দুর্বল, ইউক্রেনে বড় পদক্ষেপের সুযোগ দেখছে পুতিন: গোয়েন্দা রিপোর্ট বেসরকারি শিক্ষকদের অধিকার ও সুশাসনে নতুন উদ্যোগ, গঠিত হলো শিক্ষক অ্যালায়েন্স ভারতে প্যাকেটজাত খাবারে লাল সতর্কতা লেবেল, জনরোষের পর অবস্থান বদল সরকারের জলাশয়ের নাম বদলে ট্রাম্পের উদ্যোগে ধাক্কা, মার্কিনদের আগ্রহ নেই: সিএনএনের তথ্য বিশ্লেষক পেনসিলভানিয়ায় ভয়াবহ হাম ছড়িয়ে পড়ছে, ঝুঁকিতে টিকাদান-অযোগ্য শিশুরা নেপালে বন্যার দ্বিতীয় ঢেউয়ের শঙ্কা:আগাম সতর্কতার সীমাবদ্ধতা ইরান ছয় মাস পরও অটুট, যুদ্ধের লক্ষ্য পূরণে ব্যর্থ যুক্তরাষ্ট্র জিন কেটে চিরতরে উচ্চ কোলেস্টেরল দূর করার আশায় বিজ্ঞানীরা

হরমুজ প্রণালী বন্ধ হলে বাড়তে পারে খাদ্যদাম, তীব্র হতে পারে জীবনযাত্রার ব্যয়

মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে গেলে বিশ্বজুড়ে খাদ্যের দাম বেড়ে যেতে পারে এবং জীবনযাত্রার ব্যয় আরও তীব্র হয়ে উঠতে পারে—এমন সতর্কতা দিয়েছে জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থা।

হরমুজ প্রণালী নিয়ে জাতিসংঘের সতর্কতা
জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থা ইউএনসিটিএডি জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে গেলে বৈশ্বিক বাজারে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষ করে খাদ্যের দাম বাড়ার ঝুঁকি তৈরি হবে এবং জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বাড়বে, যা সবচেয়ে বেশি আঘাত হানতে পারে দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর ওপর।

সংস্থাটি একটি নতুন প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে, বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের একটি বড় অংশ এই সরু নৌপথের ওপর নির্ভরশীল।

জাতিসংঘ বাণিজ্য ও উন্নয়ন সম্মেলন - উইকিপিডিয়া

বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহে হরমুজের গুরুত্ব
ইউএনসিটিএডির তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের মোট অপরিশোধিত তেলের প্রায় ৩৮ শতাংশ হরমুজ প্রণালী দিয়ে পরিবাহিত হয়। এছাড়া তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাসের ২৯ শতাংশ এবং তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের ১৯ শতাংশ এই পথ দিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছে।

শুধু জ্বালানি নয়, সমুদ্রপথে পরিবাহিত বৈশ্বিক সার সরবরাহেরও প্রায় এক-তৃতীয়াংশ এই প্রণালী দিয়ে যায়।

হরমুজে মাইন পাততে শুরু করেছে ইরান; তেল আবিব, হাইফা, জেরুজালেমে হামলার দাবি  | The Business Standard

খাদ্যদাম বাড়ার আশঙ্কা
ইউএনসিটিএডি বলছে, জ্বালানি, সার এবং পরিবহন ব্যয় বেড়ে গেলে তার সরাসরি প্রভাব পড়বে খাদ্য উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থায়। ফলে খাদ্যের দাম বাড়তে পারে এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে।

সংস্থাটির মতে, এসব পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে নিম্ন আয়ের মানুষ ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী।

এশিয়ায় প্রভাব সবচেয়ে বেশি
প্রতিবেদন অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালী দিয়ে যে পণ্যসম্ভার পরিবাহিত হয় তার প্রায় ৮৪ শতাংশই এশিয়ার দেশগুলোতে পৌঁছায়। ফলে এই নৌপথ বন্ধ হয়ে গেলে এশিয়ার অর্থনীতি ও বাজারে সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়তে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হরমুজ প্রণালীতে কোনো ধরনের অচলাবস্থা সৃষ্টি হলে তা কেবল জ্বালানি বাজারেই নয়, বৈশ্বিক খাদ্য নিরাপত্তা ও জীবনযাত্রার ব্যয়ের ওপরও বড় ধরনের চাপ তৈরি করতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারের পাঁচতারা হোটেল থেকে সুপ্রা, সিভিক ও মিয়াটা জব্দ, আমদানির পথ খতিয়ে দেখছে শুল্ক গোয়েন্দা

হরমুজ প্রণালী বন্ধ হলে বাড়তে পারে খাদ্যদাম, তীব্র হতে পারে জীবনযাত্রার ব্যয়

১১:৩৫:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে গেলে বিশ্বজুড়ে খাদ্যের দাম বেড়ে যেতে পারে এবং জীবনযাত্রার ব্যয় আরও তীব্র হয়ে উঠতে পারে—এমন সতর্কতা দিয়েছে জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থা।

হরমুজ প্রণালী নিয়ে জাতিসংঘের সতর্কতা
জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থা ইউএনসিটিএডি জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে গেলে বৈশ্বিক বাজারে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষ করে খাদ্যের দাম বাড়ার ঝুঁকি তৈরি হবে এবং জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বাড়বে, যা সবচেয়ে বেশি আঘাত হানতে পারে দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর ওপর।

সংস্থাটি একটি নতুন প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে, বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের একটি বড় অংশ এই সরু নৌপথের ওপর নির্ভরশীল।

জাতিসংঘ বাণিজ্য ও উন্নয়ন সম্মেলন - উইকিপিডিয়া

বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহে হরমুজের গুরুত্ব
ইউএনসিটিএডির তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের মোট অপরিশোধিত তেলের প্রায় ৩৮ শতাংশ হরমুজ প্রণালী দিয়ে পরিবাহিত হয়। এছাড়া তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাসের ২৯ শতাংশ এবং তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের ১৯ শতাংশ এই পথ দিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছে।

শুধু জ্বালানি নয়, সমুদ্রপথে পরিবাহিত বৈশ্বিক সার সরবরাহেরও প্রায় এক-তৃতীয়াংশ এই প্রণালী দিয়ে যায়।

হরমুজে মাইন পাততে শুরু করেছে ইরান; তেল আবিব, হাইফা, জেরুজালেমে হামলার দাবি  | The Business Standard

খাদ্যদাম বাড়ার আশঙ্কা
ইউএনসিটিএডি বলছে, জ্বালানি, সার এবং পরিবহন ব্যয় বেড়ে গেলে তার সরাসরি প্রভাব পড়বে খাদ্য উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থায়। ফলে খাদ্যের দাম বাড়তে পারে এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে।

সংস্থাটির মতে, এসব পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে নিম্ন আয়ের মানুষ ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী।

এশিয়ায় প্রভাব সবচেয়ে বেশি
প্রতিবেদন অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালী দিয়ে যে পণ্যসম্ভার পরিবাহিত হয় তার প্রায় ৮৪ শতাংশই এশিয়ার দেশগুলোতে পৌঁছায়। ফলে এই নৌপথ বন্ধ হয়ে গেলে এশিয়ার অর্থনীতি ও বাজারে সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়তে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হরমুজ প্রণালীতে কোনো ধরনের অচলাবস্থা সৃষ্টি হলে তা কেবল জ্বালানি বাজারেই নয়, বৈশ্বিক খাদ্য নিরাপত্তা ও জীবনযাত্রার ব্যয়ের ওপরও বড় ধরনের চাপ তৈরি করতে পারে।