০৮:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
“আমি এ বছরই দেশে ফিরব” – শেখ হাসিনা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার চাহিদায় উড়ছে সিঙ্গাপুরের কারখানা উৎপাদন, টানা নয় মাস প্রবৃদ্ধি নামমাত্র পরিচালক হয়ে বিপাকে সিঙ্গাপুরের নারী, চাকরি হারিয়ে এখনও ১৫ প্রতিষ্ঠানের পরিচালক! নতুন শ্রবণ পরীক্ষা বুথে অপেক্ষার সময় অর্ধেক, দ্রুত সেবা পাচ্ছেন রোগীরা সিঙ্গাপুরে দুই মসজিদের সাবেক চেয়ারম্যানের কারাদণ্ড, ঠিকাদারি কাজ পাইয়ে দিতে দুর্নীতির প্রমাণ এয়ারএশিয়ার বড় সিদ্ধান্ত: ১ জুলাই থেকে বন্ধ সিঙ্গাপুর-জাকার্তা সরাসরি ফ্লাইট, বাড়বে যাত্রার সময় স্থানীয় নির্বাচনে একক প্রার্থী দিতে বহু কৌশল বিএনপির নেশার বিরুদ্ধে বড় অভিযান: ৬৮০ মিলিয়ন ডলারের মাদক আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করল মিয়ানমার পেন্টাগনের নতুন নীতি: যুদ্ধক্ষেত্রে লক্ষ্য নির্ধারণে বাড়ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভূমিকা ইসরায়েল-লেবানন সমঝোতার পথে নতুন উদ্যোগ, দক্ষিণ লেবাননে ‘হিজবুল্লাহমুক্ত অঞ্চল’ নিয়ে আলোচনা

শফিকুর রহমান সম্মতি দিলে জামায়াতের চিঠি প্রকাশে প্রস্তুত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

সাম্প্রতিক সময়ে জনপরিসরে আলোচনা বাড়তে থাকায় জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের পাঠানো একটি চিঠি প্রকাশে প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তবে এ জন্য তার লিখিত সম্মতি প্রয়োজন বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

চিঠি প্রকাশে শর্ত
বুধবার দেওয়া এক বিবৃতিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ডা. শফিকুর রহমান লিখিত অনুমতি দিলে তার পাঠানো চিঠির পূর্ণাঙ্গ পাঠ প্রকাশ করতে তারা প্রস্তুত। বিষয়টি ঘিরে বিভিন্ন আলোচনা ও সংবাদ প্রকাশের পর মন্ত্রণালয় এই অবস্থান স্পষ্ট করেছে।

চিঠি পাঠানোর প্রক্রিয়া
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি সংসদের বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান ইলেকট্রনিক মাধ্যমে ওই চিঠিটি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে পাঠান। পরে তিনি একই চিঠি সরাসরি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর হাতেও তুলে দেন।

চিঠিটি জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি প্যাডে লেখা হয়েছিল বলে জানানো হয়েছে।

চিঠির মূল বিষয়বস্তু
চিঠির বিষয় ছিল—বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে ডা. মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসানকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে উপদেষ্টা বা মন্ত্রী পর্যায়ের পদে নিয়োগ ও সুপারিশ।

স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে ডা. শফিকুর রহমান ডা. মাহমুদুল হাসানের দক্ষতা, পেশাদারিত্ব ও বিচক্ষণতার প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে দেশের পররাষ্ট্রনীতি এগিয়ে নিতে তাকে ওই পদে নিয়োগের জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে সুপারিশ জানান। বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনার অনুরোধও করেন তিনি।

মন্ত্রণালয় জানায়, চিঠিটিতে কেবল বিরোধীদলীয় নেতার স্বাক্ষরই রয়েছে।

ফোনালাপের দাবি অস্বীকার
এদিকে একটি সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, জামায়াতের আমির সরাসরি ফোন করে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ওই চিঠি সম্পর্কে জামায়াতের আমির অবগত ছিলেন না।

তবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ দাবি স্পষ্টভাবে অস্বীকার করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এ ধরনের কোনো ফোনালাপ ঘটেনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

“আমি এ বছরই দেশে ফিরব” – শেখ হাসিনা

শফিকুর রহমান সম্মতি দিলে জামায়াতের চিঠি প্রকাশে প্রস্তুত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

০৬:২৬:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

সাম্প্রতিক সময়ে জনপরিসরে আলোচনা বাড়তে থাকায় জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের পাঠানো একটি চিঠি প্রকাশে প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তবে এ জন্য তার লিখিত সম্মতি প্রয়োজন বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

চিঠি প্রকাশে শর্ত
বুধবার দেওয়া এক বিবৃতিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ডা. শফিকুর রহমান লিখিত অনুমতি দিলে তার পাঠানো চিঠির পূর্ণাঙ্গ পাঠ প্রকাশ করতে তারা প্রস্তুত। বিষয়টি ঘিরে বিভিন্ন আলোচনা ও সংবাদ প্রকাশের পর মন্ত্রণালয় এই অবস্থান স্পষ্ট করেছে।

চিঠি পাঠানোর প্রক্রিয়া
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি সংসদের বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান ইলেকট্রনিক মাধ্যমে ওই চিঠিটি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে পাঠান। পরে তিনি একই চিঠি সরাসরি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর হাতেও তুলে দেন।

চিঠিটি জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি প্যাডে লেখা হয়েছিল বলে জানানো হয়েছে।

চিঠির মূল বিষয়বস্তু
চিঠির বিষয় ছিল—বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে ডা. মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসানকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে উপদেষ্টা বা মন্ত্রী পর্যায়ের পদে নিয়োগ ও সুপারিশ।

স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে ডা. শফিকুর রহমান ডা. মাহমুদুল হাসানের দক্ষতা, পেশাদারিত্ব ও বিচক্ষণতার প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে দেশের পররাষ্ট্রনীতি এগিয়ে নিতে তাকে ওই পদে নিয়োগের জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে সুপারিশ জানান। বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনার অনুরোধও করেন তিনি।

মন্ত্রণালয় জানায়, চিঠিটিতে কেবল বিরোধীদলীয় নেতার স্বাক্ষরই রয়েছে।

ফোনালাপের দাবি অস্বীকার
এদিকে একটি সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, জামায়াতের আমির সরাসরি ফোন করে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ওই চিঠি সম্পর্কে জামায়াতের আমির অবগত ছিলেন না।

তবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ দাবি স্পষ্টভাবে অস্বীকার করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এ ধরনের কোনো ফোনালাপ ঘটেনি।