০৬:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
কোভিড এমআরএনএ টিকা বাতিলের পরিকল্পনা থেকে সরে এল মার্কিন ফেডারেল প্যানেল প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগ শনাক্তে নতুন জাতীয় প্রোটোকল চালু তাঁতিদের আর্তনাদে টাঙ্গাইল শাড়ি: শতাব্দী পুরোনো ঐতিহ্য কি হারিয়ে যাচ্ছে? দুবাইয়ে যুদ্ধের ছায়া: ইরানি হামলায় কেঁপে উঠল উপসাগরের নিরাপত্তার প্রতীক যুদ্ধ আমেরিকার: মূল্য দিচ্ছে আরব দেশগুলো বোমা, ভয় আর ভাঙা স্বপ্নের মাঝখানে ইরান: মুক্তির আশা নাকি ধ্বংসের অন্ধকার? যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিতে হামলার দাবি ইরানে: যুদ্ধের আগুনে কাঁপছে বিশ্ব বাণিজ্য প্রতিদিন যুদ্ধের খরচের প্রায় ৮৯১ মিলিয়ন ডলার  যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা, উপসাগর জুড়ে ক্ষেপণাস্ত্র আতঙ্ক জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় কী করছে বাংলাদেশ?

হরমুজ প্রণালি বন্ধ:  জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা বাড়ছে

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রভাবে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রুট হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ হয়ে পড়েছে। এই সংকটের কারণে বিশ্বজুড়ে তেল ও তরলীকৃত গ্যাসের সরবরাহে বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে। প্রতিদিন বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই সরু জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে প্রণালিটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে গভীর অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

হরমুজ প্রণালির গুরুত্ব কেন এত বেশি

ইরান ও ওমানের মাঝখানে অবস্থিত হরমুজ প্রণালি দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হিসেবে পরিচিত। মধ্যপ্রাচ্যের প্রধান তেল উৎপাদনকারী দেশ সৌদি আরব, ইরাক ও কুয়েতের অধিকাংশ তেল রপ্তানি এই পথ দিয়েই বিশ্ববাজারে পৌঁছায়।

সংঘাতের কারণে প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এই দেশগুলো তাদের তেলক্ষেত্রে উৎপাদন কমাতে বাধ্য হয়েছে। কারণ জাহাজে তেল লোড করা সম্ভব না হওয়ায় উৎপাদিত তেল সংরক্ষণাগারে জমা রাখতে হচ্ছে এবং কয়েকদিনের মধ্যেই সেই সংরক্ষণাগারগুলো প্রায় পূর্ণ হয়ে গেছে।

ইরান যুদ্ধের ধাক্কায় তেলের দাম: জি-৭-এর জরুরি মজুদ ছাড়ের প্রস্তাব এখনো  ঝুলন্ত

বিশ্ব জ্বালানি ব্যবস্থায় বড় ধাক্কা

বিশেষজ্ঞদের মতে, হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়া বৈশ্বিক জ্বালানি ব্যবস্থার জন্য সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতিগুলোর একটি। মধ্যপ্রাচ্য থেকে সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে বিশ্বের অন্য কোথাও পর্যাপ্ত অতিরিক্ত উৎপাদন ক্ষমতা নেই যা এই ঘাটতি পূরণ করতে পারে।

ফলে বিশ্বজুড়ে অনেক শোধনাগার তাদের মজুত তেল ব্যবহার করে উৎপাদন চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা ইতিহাসের সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ হিসেবে প্রায় চল্লিশ কোটি ব্যারেল তেল বাজারে ছাড়ার সুপারিশ করার পরিকল্পনা করছে।

তেলের দাম দ্রুত বেড়েছে

সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার প্রভাব ইতিমধ্যে জ্বালানি বাজারে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি একশ ঊনিশ ডলারে পৌঁছে যায়, যা সাম্প্রতিক কয়েক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়। যদিও পরে কিছুটা কমেছে, তবুও সরবরাহ সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে দাম আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

শুধু তেল নয়, পেট্রোল, ডিজেল, জেট জ্বালানি, প্রাকৃতিক গ্যাস, বিদ্যুৎ ও সার—সব ধরনের জ্বালানির দামই দ্রুত বাড়ছে।

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের ধাক্কা, ব্যারেল প্রতি ছাড়াল ১০০ ডলার

বিশ্ব অর্থনীতিতে চাপ বাড়ছে

জ্বালানির দাম বাড়ার ফলে বিশ্বজুড়ে মুদ্রাস্ফীতির চাপ বাড়ছে। এর প্রভাব পড়ছে সাধারণ ভোক্তা থেকে শুরু করে শিল্প ও কৃষি খাতেও। উত্তর গোলার্ধে বর্তমানে কৃষকেরা নতুন ফসল রোপণের সময় অতিরিক্ত জ্বালানি ও সার খরচের মুখে পড়ছেন।

ফলে খাদ্যদ্রব্যের দামও ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করেছে, যা বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য নতুন চাপ তৈরি করছে।

এশিয়ার জন্য সবচেয়ে বড় ঝুঁকি

মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল ও গ্যাস আমদানির ওপর এশিয়ার নির্ভরতা সবচেয়ে বেশি হওয়ায় এই অঞ্চলই সবচেয়ে বড় ঝুঁকির মুখে পড়েছে। সরবরাহ সংকট মোকাবিলায় বিভিন্ন দেশ জরুরি পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে।

চীন তাদের শোধনাগারগুলোকে জ্বালানি রপ্তানি বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়া তিন দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো জ্বালানির দামের ওপর সীমা নির্ধারণ করেছে। অন্যদিকে জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

Iran's Strait of Hormuz Threat: No Closure Despite Tensions, Analysts Say  Oil Market Stable, ETEnergyworld

বিকল্প পথের সীমাবদ্ধতা

হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় বিকল্প পথ হিসেবে কিছু পাইপলাইনের ব্যবহার বাড়ানোর চেষ্টা চলছে। সৌদি আরব তাদের পূর্ব-পশ্চিম পাইপলাইনের মাধ্যমে তেল লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দরে পাঠাচ্ছে। তবে এই পথের সক্ষমতা সীমিত হওয়ায় পুরো ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব নয়।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি পাইপলাইনও ওমান উপসাগরের ফুজাইরাহ বন্দরে তেল পাঠাতে পারে। কিন্তু সেটিও মোট রপ্তানির তুলনায় খুবই সীমিত ক্ষমতার।

তেল অবকাঠামোও হামলার লক্ষ্য

সংঘাতের কারণে শুধু জাহাজ চলাচলই বন্ধ হয়নি, অনেক তেল শোধনাগার ও অবকাঠামোও হামলার শিকার হয়েছে। বাহরাইনের একটি বড় শোধনাগার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সৌদি আরবের একটি বড় শোধনাগারও ড্রোন হামলার পর বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

এই অবকাঠামোগুলো আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে সময় লাগবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি জ্বালানি খাতে ধেয়ে আসছে বড় সংকট

শত শত জাহাজ অপেক্ষায়

বর্তমানে হরমুজ প্রণালির দুই পাশে শত শত জাহাজ নোঙর করে অপেক্ষা করছে। জ্বালানি কোম্পানি ও শিপিং সংস্থাগুলো পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার কোনো ইঙ্গিতের অপেক্ষায় রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সংঘাত দ্রুত শেষ হলেও জাহাজ চলাচল পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে। পাশাপাশি ড্রোন বা অন্যান্য হামলার ঝুঁকি থাকায় ভবিষ্যতেও পরিবহন খরচ বাড়তি থাকতে পারে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

কোভিড এমআরএনএ টিকা বাতিলের পরিকল্পনা থেকে সরে এল মার্কিন ফেডারেল প্যানেল

হরমুজ প্রণালি বন্ধ:  জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা বাড়ছে

০৪:০২:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রভাবে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রুট হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ হয়ে পড়েছে। এই সংকটের কারণে বিশ্বজুড়ে তেল ও তরলীকৃত গ্যাসের সরবরাহে বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে। প্রতিদিন বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই সরু জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে প্রণালিটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে গভীর অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

হরমুজ প্রণালির গুরুত্ব কেন এত বেশি

ইরান ও ওমানের মাঝখানে অবস্থিত হরমুজ প্রণালি দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হিসেবে পরিচিত। মধ্যপ্রাচ্যের প্রধান তেল উৎপাদনকারী দেশ সৌদি আরব, ইরাক ও কুয়েতের অধিকাংশ তেল রপ্তানি এই পথ দিয়েই বিশ্ববাজারে পৌঁছায়।

সংঘাতের কারণে প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এই দেশগুলো তাদের তেলক্ষেত্রে উৎপাদন কমাতে বাধ্য হয়েছে। কারণ জাহাজে তেল লোড করা সম্ভব না হওয়ায় উৎপাদিত তেল সংরক্ষণাগারে জমা রাখতে হচ্ছে এবং কয়েকদিনের মধ্যেই সেই সংরক্ষণাগারগুলো প্রায় পূর্ণ হয়ে গেছে।

ইরান যুদ্ধের ধাক্কায় তেলের দাম: জি-৭-এর জরুরি মজুদ ছাড়ের প্রস্তাব এখনো  ঝুলন্ত

বিশ্ব জ্বালানি ব্যবস্থায় বড় ধাক্কা

বিশেষজ্ঞদের মতে, হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়া বৈশ্বিক জ্বালানি ব্যবস্থার জন্য সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতিগুলোর একটি। মধ্যপ্রাচ্য থেকে সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে বিশ্বের অন্য কোথাও পর্যাপ্ত অতিরিক্ত উৎপাদন ক্ষমতা নেই যা এই ঘাটতি পূরণ করতে পারে।

ফলে বিশ্বজুড়ে অনেক শোধনাগার তাদের মজুত তেল ব্যবহার করে উৎপাদন চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা ইতিহাসের সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ হিসেবে প্রায় চল্লিশ কোটি ব্যারেল তেল বাজারে ছাড়ার সুপারিশ করার পরিকল্পনা করছে।

তেলের দাম দ্রুত বেড়েছে

সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার প্রভাব ইতিমধ্যে জ্বালানি বাজারে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি একশ ঊনিশ ডলারে পৌঁছে যায়, যা সাম্প্রতিক কয়েক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়। যদিও পরে কিছুটা কমেছে, তবুও সরবরাহ সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে দাম আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

শুধু তেল নয়, পেট্রোল, ডিজেল, জেট জ্বালানি, প্রাকৃতিক গ্যাস, বিদ্যুৎ ও সার—সব ধরনের জ্বালানির দামই দ্রুত বাড়ছে।

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের ধাক্কা, ব্যারেল প্রতি ছাড়াল ১০০ ডলার

বিশ্ব অর্থনীতিতে চাপ বাড়ছে

জ্বালানির দাম বাড়ার ফলে বিশ্বজুড়ে মুদ্রাস্ফীতির চাপ বাড়ছে। এর প্রভাব পড়ছে সাধারণ ভোক্তা থেকে শুরু করে শিল্প ও কৃষি খাতেও। উত্তর গোলার্ধে বর্তমানে কৃষকেরা নতুন ফসল রোপণের সময় অতিরিক্ত জ্বালানি ও সার খরচের মুখে পড়ছেন।

ফলে খাদ্যদ্রব্যের দামও ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করেছে, যা বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য নতুন চাপ তৈরি করছে।

এশিয়ার জন্য সবচেয়ে বড় ঝুঁকি

মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল ও গ্যাস আমদানির ওপর এশিয়ার নির্ভরতা সবচেয়ে বেশি হওয়ায় এই অঞ্চলই সবচেয়ে বড় ঝুঁকির মুখে পড়েছে। সরবরাহ সংকট মোকাবিলায় বিভিন্ন দেশ জরুরি পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে।

চীন তাদের শোধনাগারগুলোকে জ্বালানি রপ্তানি বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়া তিন দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো জ্বালানির দামের ওপর সীমা নির্ধারণ করেছে। অন্যদিকে জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

Iran's Strait of Hormuz Threat: No Closure Despite Tensions, Analysts Say  Oil Market Stable, ETEnergyworld

বিকল্প পথের সীমাবদ্ধতা

হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় বিকল্প পথ হিসেবে কিছু পাইপলাইনের ব্যবহার বাড়ানোর চেষ্টা চলছে। সৌদি আরব তাদের পূর্ব-পশ্চিম পাইপলাইনের মাধ্যমে তেল লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দরে পাঠাচ্ছে। তবে এই পথের সক্ষমতা সীমিত হওয়ায় পুরো ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব নয়।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি পাইপলাইনও ওমান উপসাগরের ফুজাইরাহ বন্দরে তেল পাঠাতে পারে। কিন্তু সেটিও মোট রপ্তানির তুলনায় খুবই সীমিত ক্ষমতার।

তেল অবকাঠামোও হামলার লক্ষ্য

সংঘাতের কারণে শুধু জাহাজ চলাচলই বন্ধ হয়নি, অনেক তেল শোধনাগার ও অবকাঠামোও হামলার শিকার হয়েছে। বাহরাইনের একটি বড় শোধনাগার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সৌদি আরবের একটি বড় শোধনাগারও ড্রোন হামলার পর বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

এই অবকাঠামোগুলো আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে সময় লাগবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি জ্বালানি খাতে ধেয়ে আসছে বড় সংকট

শত শত জাহাজ অপেক্ষায়

বর্তমানে হরমুজ প্রণালির দুই পাশে শত শত জাহাজ নোঙর করে অপেক্ষা করছে। জ্বালানি কোম্পানি ও শিপিং সংস্থাগুলো পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার কোনো ইঙ্গিতের অপেক্ষায় রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সংঘাত দ্রুত শেষ হলেও জাহাজ চলাচল পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে। পাশাপাশি ড্রোন বা অন্যান্য হামলার ঝুঁকি থাকায় ভবিষ্যতেও পরিবহন খরচ বাড়তি থাকতে পারে।