১০:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬
জুলাই আন্দোলনের পর সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হওয়া মামলাগুলোর কী অবস্থা? তানজানিয়ায় ভোটের পর রক্তঝরা অধ্যায়, সত্য চাপা দেওয়ার অভিযোগে সামিয়ার শাসন ঘিরে তীব্র বিতর্ক হামের টিকা আগে নেওয়া থাকলেও কি শিশুকে আবার দিতে হবে? এআই নিয়ে আলোচনায় স্থায়িত্ব হারিয়ে যাচ্ছে দেশের আমদানি-রফতানি দুই খাতেই মন্দা হরমুজ বন্ধে জাপানে আসছে রাশিয়ার তেলের ট্যাংকার পুলিশ নেতৃত্বে বড় রদবদল, ১৬ ডিআইজি সহ ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে ৮ মাস পরে এপ্রিলে রফতানি কিছুটা বাড়লো ২৯ হাজার ফুটে বই পড়া—একজন নারী পাইলটের সহজ-সরল দিনের গল্প খিলক্ষেতে ফ্ল্যাটে একা থাকা বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার, মৃত্যুর কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা

তেলের দাম আবার ১০০ ডলার ছাড়াল, বিশ্বজুড়ে শেয়ারবাজারে ধস

যুদ্ধ পরিস্থিতির সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে বাড়তে থাকা উদ্বেগের জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও তেলের দাম ১০০ ডলার প্রতি ব্যারেলের ওপরে উঠে গেছে। একই সঙ্গে বিশ্বজুড়ে শেয়ারবাজারেও বড় ধরনের পতন দেখা গেছে, যা বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

তেলের দামে হঠাৎ উল্লম্ফন

বিশ্ববাজারে বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম দ্রুত বেড়ে সর্বোচ্চ ১০১ দশমিক ৫৯ ডলার প্রতি ব্যারেল পর্যন্ত পৌঁছে যায়। যুদ্ধ পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটতে পারে—এই আশঙ্কাই মূলত দাম বাড়ার প্রধান কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়লে জ্বালানি বাজার খুব দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখায়। সরবরাহে অনিশ্চয়তার আশঙ্কা তৈরি হলেই বিনিয়োগকারীরা তেল কিনতে ঝুঁকে পড়েন, যার ফলে দাম দ্রুত বাড়তে শুরু করে।

তেলের দাম আবারো ১০০ ডলার ছাড়াল

বিশ্বজুড়ে শেয়ারবাজারে পতন

তেলের দাম বাড়ার পাশাপাশি বিশ্বব্যাপী শেয়ারবাজারেও নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। বৃহস্পতিবার বিভিন্ন দেশের শেয়ারবাজারে বড় ধরনের পতন দেখা যায়। যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান সূচক এসঅ্যান্ডপি ৫০০ সূচক প্রায় ১ দশমিক ৫ শতাংশ কমে যায়।

বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, কয়েকদিনের তুলনামূলক স্থিতিশীলতার পর আবারও বাজারে বড় ওঠানামা শুরু হয়েছে। যুদ্ধের সম্ভাব্য প্রভাব, জ্বালানির দাম বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা মিলিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সতর্কতা বেড়েছে।

তেলের দাম ৪ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চে : শেয়ারবাজারে ধস

বিনিয়োগকারীদের বাড়তি উদ্বেগ

বিশেষজ্ঞদের মতে, যুদ্ধ পরিস্থিতি দীর্ঘ হলে বিশ্ব অর্থনীতির ওপর এর বড় প্রভাব পড়তে পারে। জ্বালানির দাম বাড়লে পরিবহন ব্যয় থেকে শুরু করে উৎপাদন খরচ পর্যন্ত সবকিছুই বেড়ে যেতে পারে, যা শেষ পর্যন্ত বৈশ্বিক অর্থনীতিকে চাপের মুখে ফেলতে পারে।

এ কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে বিনিয়োগকারীরা এখন পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি এড়াতে অনেকেই শেয়ার বিক্রি করে নিরাপদ বিনিয়োগের দিকে ঝুঁকছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই আন্দোলনের পর সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হওয়া মামলাগুলোর কী অবস্থা?

তেলের দাম আবার ১০০ ডলার ছাড়াল, বিশ্বজুড়ে শেয়ারবাজারে ধস

১০:১৮:৩১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬

যুদ্ধ পরিস্থিতির সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে বাড়তে থাকা উদ্বেগের জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও তেলের দাম ১০০ ডলার প্রতি ব্যারেলের ওপরে উঠে গেছে। একই সঙ্গে বিশ্বজুড়ে শেয়ারবাজারেও বড় ধরনের পতন দেখা গেছে, যা বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

তেলের দামে হঠাৎ উল্লম্ফন

বিশ্ববাজারে বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম দ্রুত বেড়ে সর্বোচ্চ ১০১ দশমিক ৫৯ ডলার প্রতি ব্যারেল পর্যন্ত পৌঁছে যায়। যুদ্ধ পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটতে পারে—এই আশঙ্কাই মূলত দাম বাড়ার প্রধান কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়লে জ্বালানি বাজার খুব দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখায়। সরবরাহে অনিশ্চয়তার আশঙ্কা তৈরি হলেই বিনিয়োগকারীরা তেল কিনতে ঝুঁকে পড়েন, যার ফলে দাম দ্রুত বাড়তে শুরু করে।

তেলের দাম আবারো ১০০ ডলার ছাড়াল

বিশ্বজুড়ে শেয়ারবাজারে পতন

তেলের দাম বাড়ার পাশাপাশি বিশ্বব্যাপী শেয়ারবাজারেও নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। বৃহস্পতিবার বিভিন্ন দেশের শেয়ারবাজারে বড় ধরনের পতন দেখা যায়। যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান সূচক এসঅ্যান্ডপি ৫০০ সূচক প্রায় ১ দশমিক ৫ শতাংশ কমে যায়।

বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, কয়েকদিনের তুলনামূলক স্থিতিশীলতার পর আবারও বাজারে বড় ওঠানামা শুরু হয়েছে। যুদ্ধের সম্ভাব্য প্রভাব, জ্বালানির দাম বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা মিলিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সতর্কতা বেড়েছে।

তেলের দাম ৪ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চে : শেয়ারবাজারে ধস

বিনিয়োগকারীদের বাড়তি উদ্বেগ

বিশেষজ্ঞদের মতে, যুদ্ধ পরিস্থিতি দীর্ঘ হলে বিশ্ব অর্থনীতির ওপর এর বড় প্রভাব পড়তে পারে। জ্বালানির দাম বাড়লে পরিবহন ব্যয় থেকে শুরু করে উৎপাদন খরচ পর্যন্ত সবকিছুই বেড়ে যেতে পারে, যা শেষ পর্যন্ত বৈশ্বিক অর্থনীতিকে চাপের মুখে ফেলতে পারে।

এ কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে বিনিয়োগকারীরা এখন পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি এড়াতে অনেকেই শেয়ার বিক্রি করে নিরাপদ বিনিয়োগের দিকে ঝুঁকছেন।