সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে ঢাকার শেয়ারবাজারে নেতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে। রবিবার লেনদেন শুরুর পর থেকেই প্রধান সূচকগুলো উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। একই সঙ্গে বেশিরভাগ তালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে এবং সার্বিক লেনদেনের পরিমাণও হ্রাস পেয়েছে।
সূচকের বড় পতন
দিনের লেনদেন শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৪৯ পয়েন্ট কমে যায়। শরিয়াহভিত্তিক সূচক ডিএসইএস কমেছে ৮ পয়েন্ট এবং ব্লু-চিপ সূচক ডিএস৩০ কমেছে ২৩ পয়েন্ট।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, লেনদেনে অংশ নেওয়া অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে। মোট লেনদেন হওয়া কোম্পানির মধ্যে ২৪৬টির শেয়ারদর কমেছে। বিপরীতে ৯৯টির দাম বেড়েছে এবং ৪৫টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
লেনদেনের পরিমাণেও পতন
শুধু সূচক নয়, লেনদেনের পরিমাণেও পতন লক্ষ্য করা গেছে। দিনের শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে মোট ৫২৩ কোটি টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে এই পরিমাণ ছিল ৫৯১ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক দিনের ব্যবধানে বাজারে লেনদেন উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।
শীর্ষ দরবৃদ্ধি ও দরপতন
দিনের লেনদেনে দরবৃদ্ধির তালিকায় শীর্ষে ছিল মারকেন্টাইল ব্যাংক পিএলসি। কোম্পানিটির শেয়ারদর প্রায় ৫ শতাংশ বেড়েছে।
অন্যদিকে সবচেয়ে বেশি দরপতন হয়েছে আইসিবি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের শেয়ারে। প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারদর প্রায় ৬ শতাংশ কমে দিনের সবচেয়ে বড় ক্ষতিগ্রস্ত কোম্পানিতে পরিণত হয়েছে।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের চিত্র
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে প্রধান সূচকে বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা যায়নি। তবে এখানে বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে।
বন্দরনগরীর এই বাজারে মোট ৯৪টি কোম্পানির শেয়ারদর বেড়েছে, ৫২টির কমেছে এবং ১৯টির দাম অপরিবর্তিত ছিল।
এই বাজারে লেনদেনের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। আগের কার্যদিবসে যেখানে ১৪ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছিল, সেখানে রবিবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫ কোটি টাকায়।
শীর্ষ পারফরমার
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে ফাস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড ১০ শতাংশ দরবৃদ্ধি নিয়ে শীর্ষে অবস্থান করেছে।
অন্যদিকে ইনডেক্স অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড প্রায় ১০ শতাংশ দরপতনের মাধ্যমে দিনের সবচেয়ে বড় ক্ষতিগ্রস্ত কোম্পানিতে পরিণত হয়েছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 

















