০৭:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
মৃত্যুর পরেও সিনেমায় ফিরলেন ভ্যাল কিলমার — এআই দিয়ে পুনরুজ্জীবিত হলেন হলিউড তারকা ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি ২২ এপ্রিল শেষ হচ্ছে, দ্বিতীয় দফা আলোচনা ইসলামাবাদে — স্থায়ী শান্তি কতদূর? নাসার আর্টেমিস-২ চাঁদ মিশনের মহাকাশচারীরা সংবাদ সম্মেলনে, ৫০ বছর পর চাঁদ ঘুরে ফেরার অনুভূতি জানালেন পাকিস্তানের সোলার বিপ্লব তাকে বাঁচাল, ইরান যুদ্ধের জ্বালানি ধাক্কায় বাংলাদেশ হিমশিম — তুলনামূলক বিশ্লেষণ আইএমএফ সতর্কবার্তা: ইরান যুদ্ধের ছায়ায় বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি নামবে ৩.১ শতাংশে, বাংলাদেশ সবচেয়ে ঝুঁকিতে পোপ লিও বললেন “কয়েকজন স্বৈরাচার বিশ্বকে ধ্বংস করছে” — ট্রাম্পের সঙ্গে আমেরিকান পোপের সংঘাত তীব্র রাশিয়া ইউক্রেনে ২০২৬ সালের ভয়াবহতম হামলা চালাল — ১৮ জন নিহত, নিহতদের মধ্যে ১২ বছরের শিশু ট্রাম্প বললেন “ইরান সবকিছুতে রাজি হয়েছে” — পারমাণবিক অস্ত্র থেকে হরমুজ, সব দাবি মেনেছে তেহরান? ইসরায়েল-লেবানন ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি কার্যকর, হিজবুল্লাহ হামলা বন্ধ করেছে — বাড়ি ফিরছেন বাস্তুচ্যুতরা হরমুজ প্রণালী “সম্পূর্ণ উন্মুক্ত” ঘোষণা ইরানের, তেলের দাম পড়ল ১১% — বিশ্ব শেয়ারবাজারে রেকর্ড উচ্চতা

দক্ষিণ চীন সাগরে নতুন সংঘর্ষে ফিলিপাইনকে সতর্ক করল চীন

দক্ষিণ চীন সাগরের উত্তেজনা
দক্ষিণ চীন সাগরে চীন ও ফিলিপাইনের মধ্যে আবারও উত্তেজনা বেড়েছে। ফিলিপাইনের একটি সরবরাহ জাহাজ দ্বিতীয় থমাস শোলের কাছে সৈন্যদের জন্য রসদ পৌঁছে দিতে গেলে চীনা কোস্ট গার্ড জাহাজ তাদের পথ আটকে দেয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
ফিলিপাইনের কর্মকর্তারা বলেছেন, চীনা জাহাজগুলো পানির কামান ব্যবহার করে এবং বিপজ্জনকভাবে কাছাকাছি এসে বাধা সৃষ্টি করে। চীন অবশ্য এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে এবং বলেছে তারা নিজেদের সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্যই পদক্ষেপ নিয়েছে।
এই ঘটনা দক্ষিণ চীন সাগরের চলমান উত্তেজনার আরেকটি অধ্যায়। গত এক বছরে বিতর্কিত দ্বীপ ও প্রবালপ্রাচীরকে ঘিরে দুই দেশের মধ্যে একাধিকবার মুখোমুখি পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
দ্বিতীয় থমাস শোল এই বিরোধের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। ফিলিপাইন সেখানে একটি পুরোনো যুদ্ধজাহাজে সামরিক উপস্থিতি বজায় রেখেছে। ১৯৯৯ সালে ইচ্ছাকৃতভাবে সেখানে জাহাজটি স্থাপন করা হয়েছিল যাতে তারা তাদের দাবি বজায় রাখতে পারে।
চীন পুরো দক্ষিণ চীন সাগরের ওপর তাদের ঐতিহাসিক দাবি তুলে ধরে। এই দাবিকে আন্তর্জাতিক আদালত ২০১৬ সালে প্রত্যাখ্যান করলেও বেইজিং সেই রায় মানতে অস্বীকার করেছে।
এই ধরনের ঘটনা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলেও উদ্বেগ বাড়ছে। অনেকেই মনে করছেন, বারবার এই ধরনের সংঘর্ষ বড় ধরনের সংকট তৈরি করতে পারে।

U.S. backs Philippine ally after China warns over vessel clash
আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও কূটনীতি  
দক্ষিণ চীন সাগর বিশ্ব বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পথ। প্রতিবছর ট্রিলিয়ন ডলারের পণ্য এই সমুদ্রপথ দিয়ে পরিবহন হয়।
ফিলিপাইন সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা বাড়িয়েছে। যৌথ সামরিক মহড়া বৃদ্ধি পেয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রকে আরও সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
এদিকে চীনও তাদের কোস্ট গার্ড ও নৌবাহিনীর উপস্থিতি বাড়াচ্ছে। বড় আকারের জাহাজ এবং নিয়মিত টহলের মাধ্যমে তারা তাদের দাবি শক্তিশালী করার চেষ্টা করছে।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অনেক দেশই চীনের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখতে চায়, আবার একই সঙ্গে পশ্চিমা নিরাপত্তা অংশীদারদের সঙ্গে সহযোগিতাও চালিয়ে যেতে চায়।
বিশ্লেষকদের মতে, এই সূক্ষ্ম ভারসাম্য এখন ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। সামান্য ভুল বোঝাবুঝিও বড় সংঘর্ষে রূপ নিতে পারে।
যদিও উভয় পক্ষই সরাসরি যুদ্ধ এড়াতে চায় বলে জানিয়েছে, তবুও সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো দেখায় যে এই বিরোধ সহজে শেষ হওয়ার সম্ভাবনা কম।

জনপ্রিয় সংবাদ

মৃত্যুর পরেও সিনেমায় ফিরলেন ভ্যাল কিলমার — এআই দিয়ে পুনরুজ্জীবিত হলেন হলিউড তারকা

দক্ষিণ চীন সাগরে নতুন সংঘর্ষে ফিলিপাইনকে সতর্ক করল চীন

০৩:৩৩:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

দক্ষিণ চীন সাগরের উত্তেজনা
দক্ষিণ চীন সাগরে চীন ও ফিলিপাইনের মধ্যে আবারও উত্তেজনা বেড়েছে। ফিলিপাইনের একটি সরবরাহ জাহাজ দ্বিতীয় থমাস শোলের কাছে সৈন্যদের জন্য রসদ পৌঁছে দিতে গেলে চীনা কোস্ট গার্ড জাহাজ তাদের পথ আটকে দেয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
ফিলিপাইনের কর্মকর্তারা বলেছেন, চীনা জাহাজগুলো পানির কামান ব্যবহার করে এবং বিপজ্জনকভাবে কাছাকাছি এসে বাধা সৃষ্টি করে। চীন অবশ্য এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে এবং বলেছে তারা নিজেদের সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্যই পদক্ষেপ নিয়েছে।
এই ঘটনা দক্ষিণ চীন সাগরের চলমান উত্তেজনার আরেকটি অধ্যায়। গত এক বছরে বিতর্কিত দ্বীপ ও প্রবালপ্রাচীরকে ঘিরে দুই দেশের মধ্যে একাধিকবার মুখোমুখি পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
দ্বিতীয় থমাস শোল এই বিরোধের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। ফিলিপাইন সেখানে একটি পুরোনো যুদ্ধজাহাজে সামরিক উপস্থিতি বজায় রেখেছে। ১৯৯৯ সালে ইচ্ছাকৃতভাবে সেখানে জাহাজটি স্থাপন করা হয়েছিল যাতে তারা তাদের দাবি বজায় রাখতে পারে।
চীন পুরো দক্ষিণ চীন সাগরের ওপর তাদের ঐতিহাসিক দাবি তুলে ধরে। এই দাবিকে আন্তর্জাতিক আদালত ২০১৬ সালে প্রত্যাখ্যান করলেও বেইজিং সেই রায় মানতে অস্বীকার করেছে।
এই ধরনের ঘটনা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলেও উদ্বেগ বাড়ছে। অনেকেই মনে করছেন, বারবার এই ধরনের সংঘর্ষ বড় ধরনের সংকট তৈরি করতে পারে।

U.S. backs Philippine ally after China warns over vessel clash
আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও কূটনীতি  
দক্ষিণ চীন সাগর বিশ্ব বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পথ। প্রতিবছর ট্রিলিয়ন ডলারের পণ্য এই সমুদ্রপথ দিয়ে পরিবহন হয়।
ফিলিপাইন সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা বাড়িয়েছে। যৌথ সামরিক মহড়া বৃদ্ধি পেয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রকে আরও সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
এদিকে চীনও তাদের কোস্ট গার্ড ও নৌবাহিনীর উপস্থিতি বাড়াচ্ছে। বড় আকারের জাহাজ এবং নিয়মিত টহলের মাধ্যমে তারা তাদের দাবি শক্তিশালী করার চেষ্টা করছে।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অনেক দেশই চীনের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখতে চায়, আবার একই সঙ্গে পশ্চিমা নিরাপত্তা অংশীদারদের সঙ্গে সহযোগিতাও চালিয়ে যেতে চায়।
বিশ্লেষকদের মতে, এই সূক্ষ্ম ভারসাম্য এখন ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। সামান্য ভুল বোঝাবুঝিও বড় সংঘর্ষে রূপ নিতে পারে।
যদিও উভয় পক্ষই সরাসরি যুদ্ধ এড়াতে চায় বলে জানিয়েছে, তবুও সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো দেখায় যে এই বিরোধ সহজে শেষ হওয়ার সম্ভাবনা কম।