ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে নতুন বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সংসদে দেওয়া বক্তব্যে তিনি জানিয়েছেন, দেশটি এখন ৪১টি দেশ থেকে জ্বালানি আমদানি করছে, যা আগে ছিল ২৭টি দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ। চলমান বৈশ্বিক অস্থিরতার মধ্যেও জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
জ্বালানি উৎস বৈচিত্র্যে বড় পরিবর্তন
লোকসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মোদি বলেন, অপরিশোধিত তেল, তরল গ্যাস ও পাইপলাইনের গ্যাসসহ বিভিন্ন জ্বালানি এখন ৪১টি দেশ থেকে সংগ্রহ করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে একক উৎসের ওপর নির্ভরতা কমানো হয়েছে এবং সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও স্থিতিশীল করা হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্য সংকট ও সরবরাহ চ্যালেঞ্জ
পশ্চিম এশিয়ার চলমান সংঘাতের প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, এই সংকট বৈশ্বিক অর্থনীতি ও মানুষের জীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল কঠিন হয়ে পড়ায় সরবরাহে ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। তবুও সরকার পরিস্থিতি মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছে বলে তিনি জানান।
জ্বালানি সরবরাহ ও বিদ্যুতে আশ্বাস
দেশজুড়ে পেট্রোল ও ডিজেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমানে পর্যাপ্ত কয়লা মজুত রয়েছে, ফলে বিদ্যুৎ সরবরাহে কোনো সমস্যা হবে না।
.jpeg)
গ্যাস আমদানি ও অভ্যন্তরীণ অগ্রাধিকার
মোদি জানান, দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ তরল গ্যাস আমদানিনির্ভর। অনিশ্চয়তার কারণে সরকার গৃহস্থালি গ্রাহকদের অগ্রাধিকার দিচ্ছে এবং একই সঙ্গে অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ভুয়া তথ্য ও কালোবাজারি নিয়ে সতর্কতা
সংকটকে কেন্দ্র করে ভুয়া তথ্য ছড়ানো ও কালোবাজারির অভিযোগের বিষয়ে কঠোর অবস্থান নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে রাজ্য সরকারগুলোর প্রতি আহ্বান জানান।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 

















