১২:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ট্রাম্প বনাম ব্যাড বানি: সুপার বাউল বিতর্কে লাতিন ভোটারদের সমর্থন ঝুঁকিতে রিও কার্নিভালে লুলার জীবন কাহিনী উদযাপন, রাজনৈতিক বিতর্ক তুঙ্গে ফেদেরিকা ব্রিগ্নোনের অলিম্পিক স্বর্ণজয়ের অনন্য ইতিহাস মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান নাভালনির বিষকাণ্ডে: রাশিয়ার ওপর দায় চাপানো রিপোর্ট নিয়ে দ্বিমত নেই যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলি ক্যাবিনেটের নতুন সিদ্ধান্ত: পশ্চিম তীরে জমি নিবন্ধন, ফিলিস্তিনের ক্ষোভ মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে ইউরোপের নতুন বার্তা, যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়াই গড়ছে স্বতন্ত্র নিরাপত্তা কাঠামো ইউরোপের নিরাপত্তা নীতিতে বড় মোড়, গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে ট্রাম্পের চাপের পর যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা কমানোর ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের ইরান অভিযান প্রস্তুতি, টানা কয়েক সপ্তাহের সামরিক হামলার আশঙ্কা ইরান-যুক্তরাষ্ট্র পরমাণু আলোচনা: জ্বালানি, খনি ও বিমান চুক্তির ইঙ্গিত, নিষেধাজ্ঞা শিথিলে সমঝোতার বার্তা চার্চের দানপাত্রে প্রযুক্তির ছোঁয়া, কার্ডে দান সুবিধা

চূুড়ান্ত রায়ের আগে আসামিকে কনডেম সেলে নেওয়া যাবে না: হাইকোর্ট

  • Sarakhon Report
  • ০৫:৫৮:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ মে ২০২৪
  • 103

নিজস্ব প্রতিবেদক

মৃত্যুদন্ডাদেশ চুড়ান্ত হওয়ার আগে কোনো ফাঁসির আসামিকে কনডেম সেলে নেওয়া যাবে না বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। রায়ে আসামিদের সাধারণ সেলে রাখার আদেশ দেওয়া হয়েছে।ধএকইসঙ্গে জেলকোডের ৯৮০ বিধি অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হয়েছে। সোমবার বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি মো. বজলুর রহমানের বেঞ্চ এ রায় দেন।

রায়ে বলা হয়েছে, মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামির আপিল, রিভিউ, রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনার ধাপগুলো নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত আসামিকে কনডেম সেলে রাখা যাবে না। বর্তমানে মত্যুদন্ড চূড়ান্ত হওয়ার আগে সারা দেশে যত আসামিকে কনডেম সেলে রাখা হয়েছে তাদের দুই বছরের মধ্যে ক্রমান্বয়ে সাধারণ সেলে রাখার কথা বলা হয়েছে। তবে, বিশেষ কারণে (স্বাস্থ্যগত কারণ, সংক্রামক রোগ) কোনো ব্যক্তিকে নির্জন কক্ষে রাখতে পারবে কারা কর্তৃপক্ষ। সেক্ষেত্রে ওই ব্যক্তির উপস্থিতিতে শুনানি হতে হবে। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির। সঙ্গে ছিলেন অ্যাডভোকেট আসাদ উদ্দিন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার। সঙ্গে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল এমএমজি সারোয়ার পায়েল, নাসিম ইসলাম রাজু। আইনজীবীরা বলেছেন, এটি একটি ঐতিহাসিক রায়।

এর আগে ২০২১ সালের ২ সেপ্টেম্বর মৃত্যুদন্ডাদেশ চুড়ান্ত হওয়ার আগে আসামিদের কনডেম সেলে রাখার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন তিন কয়েদি। ওই রিট শুনানি করে ২০২২ সালের ৫ এপ্রিল রুল জারি করেন হাইকোর্ট।

এরপর গত বছরের ৫ এপ্রিল মৃত্যুদন্ডাদেশ চুড়ান্ত হওয়ার আগে আসামিদের কনডেম সেলে বন্দি রাখা কেন বেআইনি হবে না এবং কেন জেলকোডের ৯৮০ বিধি অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। ওই বছরের ১২ ডিসেম্বর এই মর্মে জারি করা রুলের শুনানি শেষ হয়। রিট আবেদনকারী হলেন- চট্টগ্রাম কারাগারের কনডেম সেলে থাকা সাতকানিয়ার জিল্লুর রহমান, সিলেট কারাগারে থাকা সুনামগঞ্জের আব্দুর বশির ও কুমিল্লা কারাগারে থাকা খাগড়াছড়ির শাহ আলম।

অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির জানান, বিচারিক আদালতে মৃত্যুদন্ড ঘোষণার পর তাৎক্ষণিক সাজা কার্যকর করার আইনগত বিধান নেই। এ জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন নিতে হয়। তিনি আরও বলেন, সংবিধানের ১০৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আপিলের রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ আবেদনের সুযোগ রয়েছে। এসব প্রক্রিয়া শেষ করতে ১০ থেকে ১২ বছর পার হয়ে যায়। কিন্তু বাংলাদেশে বিচারিক আদালতে মৃত্যুদন্ড ঘোষণার পরই সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে নির্জন কনডেম সেলে বন্দী রাখা হয়। অথচ অনেকের পরবর্তীতে সাজা কমে। অনেকে খালাসও পান।

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্প বনাম ব্যাড বানি: সুপার বাউল বিতর্কে লাতিন ভোটারদের সমর্থন ঝুঁকিতে

চূুড়ান্ত রায়ের আগে আসামিকে কনডেম সেলে নেওয়া যাবে না: হাইকোর্ট

০৫:৫৮:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ মে ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক

মৃত্যুদন্ডাদেশ চুড়ান্ত হওয়ার আগে কোনো ফাঁসির আসামিকে কনডেম সেলে নেওয়া যাবে না বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। রায়ে আসামিদের সাধারণ সেলে রাখার আদেশ দেওয়া হয়েছে।ধএকইসঙ্গে জেলকোডের ৯৮০ বিধি অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হয়েছে। সোমবার বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি মো. বজলুর রহমানের বেঞ্চ এ রায় দেন।

রায়ে বলা হয়েছে, মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামির আপিল, রিভিউ, রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনার ধাপগুলো নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত আসামিকে কনডেম সেলে রাখা যাবে না। বর্তমানে মত্যুদন্ড চূড়ান্ত হওয়ার আগে সারা দেশে যত আসামিকে কনডেম সেলে রাখা হয়েছে তাদের দুই বছরের মধ্যে ক্রমান্বয়ে সাধারণ সেলে রাখার কথা বলা হয়েছে। তবে, বিশেষ কারণে (স্বাস্থ্যগত কারণ, সংক্রামক রোগ) কোনো ব্যক্তিকে নির্জন কক্ষে রাখতে পারবে কারা কর্তৃপক্ষ। সেক্ষেত্রে ওই ব্যক্তির উপস্থিতিতে শুনানি হতে হবে। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির। সঙ্গে ছিলেন অ্যাডভোকেট আসাদ উদ্দিন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার। সঙ্গে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল এমএমজি সারোয়ার পায়েল, নাসিম ইসলাম রাজু। আইনজীবীরা বলেছেন, এটি একটি ঐতিহাসিক রায়।

এর আগে ২০২১ সালের ২ সেপ্টেম্বর মৃত্যুদন্ডাদেশ চুড়ান্ত হওয়ার আগে আসামিদের কনডেম সেলে রাখার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন তিন কয়েদি। ওই রিট শুনানি করে ২০২২ সালের ৫ এপ্রিল রুল জারি করেন হাইকোর্ট।

এরপর গত বছরের ৫ এপ্রিল মৃত্যুদন্ডাদেশ চুড়ান্ত হওয়ার আগে আসামিদের কনডেম সেলে বন্দি রাখা কেন বেআইনি হবে না এবং কেন জেলকোডের ৯৮০ বিধি অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। ওই বছরের ১২ ডিসেম্বর এই মর্মে জারি করা রুলের শুনানি শেষ হয়। রিট আবেদনকারী হলেন- চট্টগ্রাম কারাগারের কনডেম সেলে থাকা সাতকানিয়ার জিল্লুর রহমান, সিলেট কারাগারে থাকা সুনামগঞ্জের আব্দুর বশির ও কুমিল্লা কারাগারে থাকা খাগড়াছড়ির শাহ আলম।

অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির জানান, বিচারিক আদালতে মৃত্যুদন্ড ঘোষণার পর তাৎক্ষণিক সাজা কার্যকর করার আইনগত বিধান নেই। এ জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন নিতে হয়। তিনি আরও বলেন, সংবিধানের ১০৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আপিলের রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ আবেদনের সুযোগ রয়েছে। এসব প্রক্রিয়া শেষ করতে ১০ থেকে ১২ বছর পার হয়ে যায়। কিন্তু বাংলাদেশে বিচারিক আদালতে মৃত্যুদন্ড ঘোষণার পরই সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে নির্জন কনডেম সেলে বন্দী রাখা হয়। অথচ অনেকের পরবর্তীতে সাজা কমে। অনেকে খালাসও পান।