১০:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬
ডাটা সেন্টার ঘিরে বাড়ছে বাধা, থমকে যেতে পারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দৌড় খাগড়াছড়িতে অভিযান, সুপারি বাগান থেকে ১০ লাখ টাকার অবৈধ কাঠ জব্দ ইরান যুদ্ধ ঘিরে হঠাৎ পদত্যাগ, যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তার বিস্ফোরক দাবি বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন হামলা, বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল এলাকা ট্রাম্পের শুল্ক বাতিল: সুপ্রিম কোর্টের রায়ে দাম কমবে, না বাড়বে? ভোক্তাদের সামনে নতুন অনিশ্চয়তা মধ্যপ্রাচ্যে ট্রাম্পের ঝুঁকিপূর্ণ যুদ্ধ সিদ্ধান্ত: ইরান হামলায় নতুন বৈশ্বিক অস্থিরতার সূচনা ইরানে উল্লাস থেকে আতঙ্ক: হামলার পর স্বপ্ন, শঙ্কা আর ভাঙনের আশঙ্কা হরমুজ প্রণালী ঘিরে উত্তেজনা: মধ্যপ্রাচ্যে ২,৫০০ মার্কিন মেরিন মোতায়েন ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলা: শিল্প ও সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু সৌদি আরবের মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা: ১২ আমেরিকান সৈন্য আহত

আলমডাঙ্গায় সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, নারীসহ ৬ জন গ্রেপ্তার

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় এক নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে নারীসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার ভোরে অভিযান চালিয়ে তাদের নিজ নিজ বাড়ি থেকে আটক করা হয়।

ঘটনার বিবরণ
পুলিশ জানায়, ২৫ মার্চ রাত প্রায় ১০টার দিকে আলমডাঙ্গার খাদিমপুর বেলেদাড়ি এলাকার একটি আমবাগানে এই নৃশংস ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে অভিযুক্ত কবিতা নামে এক নারী ভুক্তভোগীর সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তোলেন এবং তাকে ফুঁসলিয়ে সেখানে নিয়ে যান। পরে অস্ত্রের মুখে তাকে আমবাগানে নিয়ে গিয়ে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতদের পরিচয়
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন সাতগাড়ি গ্রামের ফয়সালের স্ত্রী কবিতা, মিজান, সামাদ আলী, আদম, শাহজাহান এবং আব্দুস সালাম। তারা সবাই আশপাশের বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা।

মামলার তথ্য ও অভিযোগ
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে দায়ের করা মামলায় বলা হয়েছে, কবিতা ভুক্তভোগীর সঙ্গে সখ্য গড়ে তুলে তাকে ইজিবাইকে করে চুয়াডাঙ্গা বাজারে যেতে রাজি করান। সেখানে পৌঁছানোর পর আব্দুস সালাম, শাহজাহান ও সামাদ আলী, আদম আলী ও মিজানের সহায়তায় তাকে আমবাগানে নিয়ে যায় এবং পর্যায়ক্রমে ধর্ষণ করে। এ সময় তাকে চুপ থাকার জন্য হুমকিও দেওয়া হয়। পরে তাকে আবার বাজারে রেখে দেওয়া হয়।

ঘটনার পর ভুক্তভোগী তার স্বামীকে বিষয়টি জানান। স্বামীর পরামর্শে তিনি ২৮ মার্চ আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেন।

পুলিশের অভিযান ও বক্তব্য
অভিযোগ পাওয়ার পর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে দ্রুত অভিযান শুরু করে পুলিশ। শনিবার ভোরে অভিযান চালিয়ে সব অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবির খান বলেন, এটি একটি অত্যন্ত জঘন্য অপরাধ। দ্রুত ও ধারাবাহিক অভিযানের মাধ্যমে অল্প সময়ের মধ্যেই সকল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। চুয়াডাঙ্গা পুলিশ এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা নীতি বজায় রাখবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ডাটা সেন্টার ঘিরে বাড়ছে বাধা, থমকে যেতে পারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দৌড়

আলমডাঙ্গায় সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, নারীসহ ৬ জন গ্রেপ্তার

০৮:০৭:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় এক নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে নারীসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার ভোরে অভিযান চালিয়ে তাদের নিজ নিজ বাড়ি থেকে আটক করা হয়।

ঘটনার বিবরণ
পুলিশ জানায়, ২৫ মার্চ রাত প্রায় ১০টার দিকে আলমডাঙ্গার খাদিমপুর বেলেদাড়ি এলাকার একটি আমবাগানে এই নৃশংস ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে অভিযুক্ত কবিতা নামে এক নারী ভুক্তভোগীর সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তোলেন এবং তাকে ফুঁসলিয়ে সেখানে নিয়ে যান। পরে অস্ত্রের মুখে তাকে আমবাগানে নিয়ে গিয়ে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতদের পরিচয়
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন সাতগাড়ি গ্রামের ফয়সালের স্ত্রী কবিতা, মিজান, সামাদ আলী, আদম, শাহজাহান এবং আব্দুস সালাম। তারা সবাই আশপাশের বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা।

মামলার তথ্য ও অভিযোগ
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে দায়ের করা মামলায় বলা হয়েছে, কবিতা ভুক্তভোগীর সঙ্গে সখ্য গড়ে তুলে তাকে ইজিবাইকে করে চুয়াডাঙ্গা বাজারে যেতে রাজি করান। সেখানে পৌঁছানোর পর আব্দুস সালাম, শাহজাহান ও সামাদ আলী, আদম আলী ও মিজানের সহায়তায় তাকে আমবাগানে নিয়ে যায় এবং পর্যায়ক্রমে ধর্ষণ করে। এ সময় তাকে চুপ থাকার জন্য হুমকিও দেওয়া হয়। পরে তাকে আবার বাজারে রেখে দেওয়া হয়।

ঘটনার পর ভুক্তভোগী তার স্বামীকে বিষয়টি জানান। স্বামীর পরামর্শে তিনি ২৮ মার্চ আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেন।

পুলিশের অভিযান ও বক্তব্য
অভিযোগ পাওয়ার পর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে দ্রুত অভিযান শুরু করে পুলিশ। শনিবার ভোরে অভিযান চালিয়ে সব অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবির খান বলেন, এটি একটি অত্যন্ত জঘন্য অপরাধ। দ্রুত ও ধারাবাহিক অভিযানের মাধ্যমে অল্প সময়ের মধ্যেই সকল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। চুয়াডাঙ্গা পুলিশ এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা নীতি বজায় রাখবে।