১০:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬
ডাটা সেন্টার ঘিরে বাড়ছে বাধা, থমকে যেতে পারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দৌড় খাগড়াছড়িতে অভিযান, সুপারি বাগান থেকে ১০ লাখ টাকার অবৈধ কাঠ জব্দ ইরান যুদ্ধ ঘিরে হঠাৎ পদত্যাগ, যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তার বিস্ফোরক দাবি বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন হামলা, বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল এলাকা ট্রাম্পের শুল্ক বাতিল: সুপ্রিম কোর্টের রায়ে দাম কমবে, না বাড়বে? ভোক্তাদের সামনে নতুন অনিশ্চয়তা মধ্যপ্রাচ্যে ট্রাম্পের ঝুঁকিপূর্ণ যুদ্ধ সিদ্ধান্ত: ইরান হামলায় নতুন বৈশ্বিক অস্থিরতার সূচনা ইরানে উল্লাস থেকে আতঙ্ক: হামলার পর স্বপ্ন, শঙ্কা আর ভাঙনের আশঙ্কা হরমুজ প্রণালী ঘিরে উত্তেজনা: মধ্যপ্রাচ্যে ২,৫০০ মার্কিন মেরিন মোতায়েন ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলা: শিল্প ও সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু সৌদি আরবের মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা: ১২ আমেরিকান সৈন্য আহত

শিলাবৃষ্টিতে লালমনিরহাটে ব্যাপক ক্ষতি, ঘরহারা শতাধিক পরিবার

শুক্রবার গভীর রাতে হঠাৎ ঝড়ের সঙ্গে ভারী শিলাবৃষ্টিতে লালমনিরহাট জেলাজুড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঘরবাড়ি ও দাঁড়ানো ফসলের বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে, অনেক পরিবার পড়েছে বিপাকে।

জেলাজুড়ে তাণ্ডব, ক্ষতিগ্রস্ত পাঁচ উপজেলা
ঝড়টি জেলার পাঁচটি উপজেলায় একযোগে আঘাত হানে। এতে অসংখ্য বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়, অনেক স্থাপনা ভেঙে যায় এবং মাঠের ফসল নষ্ট হয়ে যায়। বড় আকারের শিলায় টিনের চাল ছিদ্র হয়ে পড়ে, ফলে ঘরের ভেতরের জিনিসপত্র ভিজে যায়। তীব্র বাতাসে বেড়া ও ছাউনি উড়ে গিয়ে অনেক পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়ে।

খোলা আকাশের নিচে আশ্রয়, বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন
শনিবার সরেজমিনে দেখা গেছে, অনেক পরিবার বাড়ি বিধ্বস্ত হওয়ায় খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছে। টিনের চাল উড়ে গিয়ে দূরের মাঠ ও গাছের ডালে ছড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। ঝড়ে গাছ উপড়ে বিদ্যুৎ লাইনের ওপর পড়ায় বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। তবে সংশ্লিষ্টরা দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ পুনরুদ্ধারের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

ফসলের ব্যাপক ক্ষতি, দুশ্চিন্তায় কৃষক
এই দুর্যোগে ভুট্টা, পেঁয়াজ, রসুন, তামাক, বাদামসহ বিভিন্ন সবজির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। চাষাবাদে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ করায় ক্ষতির আশঙ্কায় কৃষকেরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা
সদর উপজেলার হারাটি ও খুনিয়াগাছ ইউনিয়ন, কালীগঞ্জের ভোটমারি ও কাকিনা, আদিতমারীর মহিষখোঁচা এবং তিস্তা চরাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ক্ষয়ক্ষতির তালিকা প্রস্তুত, সহায়তার আশ্বাস
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা ক্ষয়ক্ষতির তালিকা প্রস্তুত করছেন। মহিষখোঁচা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ হোসেন জানান, প্রায় ১০০টি পরিবার তাদের ঘরবাড়ি হারিয়েছে। জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মীর ফয়সাল আলী বলেছেন, ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ চলছে এবং বরাদ্দ পেলে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা দেওয়া হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ডাটা সেন্টার ঘিরে বাড়ছে বাধা, থমকে যেতে পারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দৌড়

শিলাবৃষ্টিতে লালমনিরহাটে ব্যাপক ক্ষতি, ঘরহারা শতাধিক পরিবার

০৮:১০:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

শুক্রবার গভীর রাতে হঠাৎ ঝড়ের সঙ্গে ভারী শিলাবৃষ্টিতে লালমনিরহাট জেলাজুড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঘরবাড়ি ও দাঁড়ানো ফসলের বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে, অনেক পরিবার পড়েছে বিপাকে।

জেলাজুড়ে তাণ্ডব, ক্ষতিগ্রস্ত পাঁচ উপজেলা
ঝড়টি জেলার পাঁচটি উপজেলায় একযোগে আঘাত হানে। এতে অসংখ্য বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়, অনেক স্থাপনা ভেঙে যায় এবং মাঠের ফসল নষ্ট হয়ে যায়। বড় আকারের শিলায় টিনের চাল ছিদ্র হয়ে পড়ে, ফলে ঘরের ভেতরের জিনিসপত্র ভিজে যায়। তীব্র বাতাসে বেড়া ও ছাউনি উড়ে গিয়ে অনেক পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়ে।

খোলা আকাশের নিচে আশ্রয়, বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন
শনিবার সরেজমিনে দেখা গেছে, অনেক পরিবার বাড়ি বিধ্বস্ত হওয়ায় খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছে। টিনের চাল উড়ে গিয়ে দূরের মাঠ ও গাছের ডালে ছড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। ঝড়ে গাছ উপড়ে বিদ্যুৎ লাইনের ওপর পড়ায় বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। তবে সংশ্লিষ্টরা দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ পুনরুদ্ধারের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

ফসলের ব্যাপক ক্ষতি, দুশ্চিন্তায় কৃষক
এই দুর্যোগে ভুট্টা, পেঁয়াজ, রসুন, তামাক, বাদামসহ বিভিন্ন সবজির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। চাষাবাদে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ করায় ক্ষতির আশঙ্কায় কৃষকেরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা
সদর উপজেলার হারাটি ও খুনিয়াগাছ ইউনিয়ন, কালীগঞ্জের ভোটমারি ও কাকিনা, আদিতমারীর মহিষখোঁচা এবং তিস্তা চরাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ক্ষয়ক্ষতির তালিকা প্রস্তুত, সহায়তার আশ্বাস
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা ক্ষয়ক্ষতির তালিকা প্রস্তুত করছেন। মহিষখোঁচা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ হোসেন জানান, প্রায় ১০০টি পরিবার তাদের ঘরবাড়ি হারিয়েছে। জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মীর ফয়সাল আলী বলেছেন, ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ চলছে এবং বরাদ্দ পেলে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা দেওয়া হবে।