ইন্দোনেশিয়ার উত্তর মালুকু সাগরে বৃহস্পতিবার শক্তিশালী ৭.৬ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। এতে একজনের মৃত্যু হয়েছে, বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং স্বল্প উচ্চতার সুনামি ঢেউ দেখা গেছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা।
ভূমিকম্পের প্রভাব ও ক্ষয়ক্ষতি
ভূমিকম্পের পর উত্তর সুলাওয়েসির মানাদো এলাকায় একটি ভবনের অংশ ধসে পড়ে। ওই ভবনটি স্থানীয় ক্রীড়া কর্তৃপক্ষ ব্যবহার করত। ধসে পড়া অংশের নিচে চাপা পড়ে একজনের মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সুনামি ঢেউ ও পরবর্তী পরিস্থিতি
ইন্দোনেশিয়ার আবহাওয়া ও ভূতাত্ত্বিক সংস্থা জানায়, পাঁচটি স্থানে সুনামি ঢেউ আঘাত হানে। এর মধ্যে উত্তর মিনাহাসায় সর্বোচ্চ ঢেউয়ের উচ্চতা ছিল প্রায় ০.৭৫ মিটার। এছাড়া প্রায় ৫০টি আফটারশক রেকর্ড করা হয়েছে, যার মধ্যে সবচেয়ে বড়টির মাত্রা ছিল ৫.৮।
প্রাথমিকভাবে সংস্থাটি সতর্ক করেছিল যে সুনামি ঢেউয়ের উচ্চতা ০.৫ থেকে ৩ মিটার পর্যন্ত হতে পারে। তবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ শেষে একই দিন সকালে সুনামি সতর্কতা তুলে নেওয়া হয়।
আঞ্চলিক সতর্কতা ও পরবর্তীতে প্রত্যাহার
প্রথমদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সুনামি সতর্কতা কেন্দ্র জানায়, ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল থেকে ১,০০০ কিলোমিটারের মধ্যে থাকা ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন ও মালয়েশিয়ার উপকূলে বিপজ্জনক সুনামির আশঙ্কা রয়েছে। পরে সেই সতর্কতাও প্রত্যাহার করা হয়।

ভূমিকম্পের অবস্থান
ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ফিলিপাইনের উপকূল থেকে প্রায় ৫৮০ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং মালয়েশিয়ার সাবাহ অঞ্চল থেকে প্রায় ১,০০০ কিলোমিটার দূরে।
সারসংক্ষেপ
শক্তিশালী এই ভূমিকম্পে তাৎক্ষণিকভাবে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি ঘটলেও বড় ধরনের সুনামির ঝুঁকি শেষ পর্যন্ত দেখা যায়নি। দ্রুত সতর্কতা জারি ও পরে তা প্রত্যাহার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করেছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















