০৬:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬
রুপিয়ার দুর্বলতা শুধু মুদ্রাবাজারের সংকট নয়, মধ্যবিত্তের ভঙ্গুর ভবিষ্যতেরও প্রতিচ্ছবি বৈদেশিক ঋণের চাপে বাংলাদেশ চরাচর মহানন্দা নদী থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার, হত্যার সন্দেহ পুলিশের গাজীপুরে ২০ কিলোমিটার যানজট, ঈদযাত্রায় চরম ভোগান্তি ঈদযাত্রায় বাড়তে পারে হামের সংক্রমণ, সতর্ক করলেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা ‘দ্য জাপানিজ ওয়ে অব প্যারেন্টিং’ বইয়ে জাপানি মাতৃত্বের অদৃশ্য শ্রম ও আধুনিক পরিবারের নতুন প্রশ্ন স্টার ওয়ার্সের বড় পর্দায় প্রত্যাবর্তন, ডিজনির সামনে এখন সবচেয়ে বড় পরীক্ষা নিখোঁজ বৃদ্ধদের অদৃশ্য ট্র্যাজেডি: বার্ধক্য, ডিমেনশিয়া ও সমাজের ব্যর্থতা ই-কমার্স আইনে রাইড-হেইলিং অন্তর্ভুক্তির পরিকল্পনা ঘিরে বিতর্ক ইন্দোনেশিয়ায়

চীনের চিপ শিল্পে নতুন মার্কিন চাপ

চীনের চিপশিল্প ঠেকাতে নতুন মার্কিন উদ্যোগ, চাপে এএসএমএলও
চীনের সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদন সক্ষমতা সীমিত করতে যুক্তরাষ্ট্রে নতুন আইনগত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত পদক্ষেপে এমন সব যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তির রপ্তানি আরও কড়াকড়ির আওতায় আনার কথা বলা হচ্ছে, যেগুলো উন্নত চিপ উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ। এতে শুধু মার্কিন কোম্পানিই নয়, মিত্রদেশের প্রতিষ্ঠানগুলোকেও একই ধরনের সীমাবদ্ধতার মধ্যে আনার চেষ্টা দেখা যাচ্ছে।

এই পদক্ষেপের আলোচনায় এসেছে নেদারল্যান্ডসের এএসএমএল-এর নামও, কারণ উন্নত চিপ তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় কিছু গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জামে প্রতিষ্ঠানটি প্রভাবশালী অবস্থানে আছে। প্রস্তাব কার্যকর হলে চীনের বেশ কয়েকটি বড় প্রযুক্তি ও চিপ কোম্পানির ওপর তার সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে। এতে যুক্তরাষ্ট্র-চীন প্রযুক্তিযুদ্ধ আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

কেন বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ
চিপ এখন শুধু প্রযুক্তি পণ্য নয়, সামরিক সক্ষমতা, এআই উন্নয়ন ও কৌশলগত প্রতিযোগিতার কেন্দ্রেও পরিণত হয়েছে।

কারা সবচেয়ে বেশি চাপে পড়তে পারে
চীনের বড় চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর পাশাপাশি সরঞ্জাম সরবরাহকারী বিদেশি কোম্পানিগুলোকেও নতুন বাস্তবতা বিবেচনায় নিতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

রুপিয়ার দুর্বলতা শুধু মুদ্রাবাজারের সংকট নয়, মধ্যবিত্তের ভঙ্গুর ভবিষ্যতেরও প্রতিচ্ছবি

চীনের চিপ শিল্পে নতুন মার্কিন চাপ

০৪:০০:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬

চীনের চিপশিল্প ঠেকাতে নতুন মার্কিন উদ্যোগ, চাপে এএসএমএলও
চীনের সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদন সক্ষমতা সীমিত করতে যুক্তরাষ্ট্রে নতুন আইনগত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত পদক্ষেপে এমন সব যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তির রপ্তানি আরও কড়াকড়ির আওতায় আনার কথা বলা হচ্ছে, যেগুলো উন্নত চিপ উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ। এতে শুধু মার্কিন কোম্পানিই নয়, মিত্রদেশের প্রতিষ্ঠানগুলোকেও একই ধরনের সীমাবদ্ধতার মধ্যে আনার চেষ্টা দেখা যাচ্ছে।

এই পদক্ষেপের আলোচনায় এসেছে নেদারল্যান্ডসের এএসএমএল-এর নামও, কারণ উন্নত চিপ তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় কিছু গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জামে প্রতিষ্ঠানটি প্রভাবশালী অবস্থানে আছে। প্রস্তাব কার্যকর হলে চীনের বেশ কয়েকটি বড় প্রযুক্তি ও চিপ কোম্পানির ওপর তার সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে। এতে যুক্তরাষ্ট্র-চীন প্রযুক্তিযুদ্ধ আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

কেন বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ
চিপ এখন শুধু প্রযুক্তি পণ্য নয়, সামরিক সক্ষমতা, এআই উন্নয়ন ও কৌশলগত প্রতিযোগিতার কেন্দ্রেও পরিণত হয়েছে।

কারা সবচেয়ে বেশি চাপে পড়তে পারে
চীনের বড় চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর পাশাপাশি সরঞ্জাম সরবরাহকারী বিদেশি কোম্পানিগুলোকেও নতুন বাস্তবতা বিবেচনায় নিতে হবে।