০৯:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬
ভারতে সেন্সর কাট, যুক্তরাজ্যে আনকাট মুক্তি পাচ্ছে বিজয়ের ‘জন নায়াগন’ বন্যায় ১০ লাখের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত, মাথাপিছু বরাদ্দ মাত্র ৩.২ কেজি চাল ও ২৮ টাকা বন্যা ও পাহাড়ি ঢলে মৃত বেড়ে ৫১, সাত জেলায় খুলেছে ১,০৪৯ আশ্রয়কেন্দ্র রাজধানীর বাজারে হাঁটুসমান পানি, দোকান ডুবে ব্যবসায়ীদের কোটি টাকার ক্ষতির শঙ্কা লিন্ডসে গ্রাহামের মৃত্যুর আগে ইরানের হুমকি নিয়ে তার দৃঢ় মন্তব্য বন্যার ক্ষতি কাটিয়ে ৫ দিন পর আবার চালু ঢাকা-কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম-কক্সবাজার ট্রেন চলাচল রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় মাদ্রাসা সুপার নিহত, ক্ষুব্ধ জনতার বিক্ষোভে বাসে আগুন মেসির বিপক্ষে ইংল্যান্ড: দুই দশকের অপেক্ষার অবসানে ইতিহাসের এক অসমাপ্ত অধ্যায় নীলফামারীতে বিয়েবাড়িতে যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনা, একই পরিবারের ৪ জন নিহত বিয়ের খরচে নয়, ভালোবাসার স্মৃতিতে গুরুত্ব দিলেন নবদম্পতি

বিচারকের আসনে নয়, সহকারীর ভূমিকাতেই থাকবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা: প্রধান বিচারপতির সতর্কবার্তা

ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত জানিয়েছেন, বিচার ব্যবস্থায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার হতে পারে শুধুমাত্র সহায়ক হিসেবে, কোনোভাবেই বিচারকের বিকল্প হিসেবে নয়। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, প্রযুক্তি বিচার প্রক্রিয়াকে সহজ করতে পারে, কিন্তু চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা মানুষের কাছেই থাকতে হবে।

প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে প্রধান বিচারপতির বার্তা

প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কোনো বিরোধের তথ্য সাজানো, প্রমাণ গোছানো বা প্রাথমিক অনুবাদের মতো কাজে সহায়তা করতে পারে। তবে যখন কোনো পক্ষের স্বার্থ ও ন্যায্যতার ভারসাম্য নির্ধারণের বিষয় আসে, তখন সেটি আর সহায়তা থাকে না, বরং সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর্যায়ে চলে যায়।

তিনি জানান, কোনো যন্ত্র বা পদ্ধতির এখনো মানুষের মতো বিচারিক বিবেচনা ও দায়িত্ব নেওয়ার সক্ষমতা তৈরি হয়নি। তাই বিচার ব্যবস্থায় প্রযুক্তির ব্যবহার হতে হবে সতর্ক ও নিয়ন্ত্রিত।

অন্ধ নির্ভরতার ঝুঁকি নিয়ে সতর্কতা

সম্প্রতি দেশের সর্বোচ্চ আদালতের বিভিন্ন পর্যবেক্ষণেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ওপর অন্ধ নির্ভরতার ঝুঁকির বিষয়টি উঠে এসেছে। একটি মামলায় একটি ট্রাইব্যুনাল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার তৈরি ভুল তথ্যের ওপর নির্ভর করেছিল বলে আদালতের নজরে আসে।

এই ঘটনায় আদালত জানিয়েছিল, প্রযুক্তির ভুল ব্যবহারে বিচার প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে। বিচার ব্যবস্থায় যেকোনো প্রযুক্তিগত সহায়তা ব্যবহারের আগে তার নির্ভরযোগ্যতা যাচাই করা জরুরি।

বিচারে মানুষের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত

সারাক্ষণ রিপোর্ট: প্রধান বিচারপতির বক্তব্যে উঠে এসেছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিচারকদের কাজ সহজ করতে পারে, কিন্তু বিচারিক সিদ্ধান্তের দায়িত্ব মানুষের হাতেই থাকবে। কারণ বিচার শুধু তথ্য বিশ্লেষণের বিষয় নয়, এর সঙ্গে ন্যায়বোধ, মানবিকতা ও পরিস্থিতি বোঝার বিষয়ও জড়িত।

প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে বিচার ব্যবস্থায় নতুন পদ্ধতি যুক্ত হলেও, মানুষের বিবেচনাশক্তির গুরুত্ব কখনো কমবে না বলে তিনি মন্তব্য করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতে সেন্সর কাট, যুক্তরাজ্যে আনকাট মুক্তি পাচ্ছে বিজয়ের ‘জন নায়াগন’

বিচারকের আসনে নয়, সহকারীর ভূমিকাতেই থাকবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা: প্রধান বিচারপতির সতর্কবার্তা

০৮:২০:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত জানিয়েছেন, বিচার ব্যবস্থায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার হতে পারে শুধুমাত্র সহায়ক হিসেবে, কোনোভাবেই বিচারকের বিকল্প হিসেবে নয়। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, প্রযুক্তি বিচার প্রক্রিয়াকে সহজ করতে পারে, কিন্তু চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা মানুষের কাছেই থাকতে হবে।

প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে প্রধান বিচারপতির বার্তা

প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কোনো বিরোধের তথ্য সাজানো, প্রমাণ গোছানো বা প্রাথমিক অনুবাদের মতো কাজে সহায়তা করতে পারে। তবে যখন কোনো পক্ষের স্বার্থ ও ন্যায্যতার ভারসাম্য নির্ধারণের বিষয় আসে, তখন সেটি আর সহায়তা থাকে না, বরং সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর্যায়ে চলে যায়।

তিনি জানান, কোনো যন্ত্র বা পদ্ধতির এখনো মানুষের মতো বিচারিক বিবেচনা ও দায়িত্ব নেওয়ার সক্ষমতা তৈরি হয়নি। তাই বিচার ব্যবস্থায় প্রযুক্তির ব্যবহার হতে হবে সতর্ক ও নিয়ন্ত্রিত।

অন্ধ নির্ভরতার ঝুঁকি নিয়ে সতর্কতা

সম্প্রতি দেশের সর্বোচ্চ আদালতের বিভিন্ন পর্যবেক্ষণেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ওপর অন্ধ নির্ভরতার ঝুঁকির বিষয়টি উঠে এসেছে। একটি মামলায় একটি ট্রাইব্যুনাল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার তৈরি ভুল তথ্যের ওপর নির্ভর করেছিল বলে আদালতের নজরে আসে।

এই ঘটনায় আদালত জানিয়েছিল, প্রযুক্তির ভুল ব্যবহারে বিচার প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে। বিচার ব্যবস্থায় যেকোনো প্রযুক্তিগত সহায়তা ব্যবহারের আগে তার নির্ভরযোগ্যতা যাচাই করা জরুরি।

বিচারে মানুষের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত

সারাক্ষণ রিপোর্ট: প্রধান বিচারপতির বক্তব্যে উঠে এসেছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিচারকদের কাজ সহজ করতে পারে, কিন্তু বিচারিক সিদ্ধান্তের দায়িত্ব মানুষের হাতেই থাকবে। কারণ বিচার শুধু তথ্য বিশ্লেষণের বিষয় নয়, এর সঙ্গে ন্যায়বোধ, মানবিকতা ও পরিস্থিতি বোঝার বিষয়ও জড়িত।

প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে বিচার ব্যবস্থায় নতুন পদ্ধতি যুক্ত হলেও, মানুষের বিবেচনাশক্তির গুরুত্ব কখনো কমবে না বলে তিনি মন্তব্য করেন।