রংপুর নগরীতে সড়ক দুর্ঘটনায় এক মাদ্রাসা সুপারের মৃত্যু ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। দুর্ঘটনার পর ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা রংপুর-ঢাকা মহাসড়কে একটি বাসে আগুন ধরিয়ে দেন। একই সঙ্গে তারা সংশ্লিষ্ট বাসচালক ও তার সহকারীকে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
পুলিশ জানায়, রোববার সকালে রংপুর নগরীর মডার্ন মোড় এলাকায় রংপুর কটন রিসার্চ সেন্টারের সামনে একটি বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী আবুল কাশেম নিহত হন। তিনি রংপুর নগরীর জিয়াতপুকুর মাজার শরীফ দাখিল মাদ্রাসার সুপার এবং মিঠাপুকুর উপজেলার বাসিন্দা ছিলেন।
মেয়েকে মাদ্রাসায় পৌঁছে দিতে গিয়েই দুর্ঘটনা
তাজহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম রফিক জানান, আবুল কাশেম তাঁর সাত বছর বয়সী মেয়েকে মাদ্রাসায় পৌঁছে দিতে মোটরসাইকেলে করে যাচ্ছিলেন। এ সময় একটি বাস তাদের মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই তিনি প্রাণ হারান।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনার মুহূর্তে তিনি নিজের মেয়েকে মোটরসাইকেল থেকে ছুড়ে নিরাপদে সরিয়ে দেন। এতে শিশুটি অক্ষত থাকে।
দুর্ঘটনার পর বিক্ষোভ
দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তারা রংপুর-ঢাকা মহাসড়কে বাসটিতে আগুন ধরিয়ে দেন। পাশাপাশি দুর্ঘটনার জন্য দায়ীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
মরদেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে নিহত আবুল কাশেমের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় মাদ্রাসা সুপারের মৃত্যু ঘিরে স্থানীয়দের বিক্ষোভ, বাসে আগুন এবং চালক-সহকারীকে গ্রেপ্তারের দাবির ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় মাদ্রাসা সুপারের মৃত্যু; বিক্ষুব্ধ জনতা বাসে আগুন দিয়ে চালক-সহকারীকে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















