১০:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬
জিও নিউজের সম্প্রচার আবার শুরু, ১৫ দিনের স্থগিতাদেশ বহাল রাখল পেমরা তামিলনাড়ুতে প্রতিদ্বন্দ্বী, দিল্লিতে একজোট? বিজয়ের টিভিকে নিয়ে ডিএমকের আপত্তিতে নতুন জটিলতা ইন্ডিয়া জোটে বেলুচিস্তানে ‘অপারেশন শাবান’ অব্যাহত, নিহত আরও ৭; মোট নিহত ৭১ সন্ত্রাসী ভারতে সেন্সর কাট, যুক্তরাজ্যে আনকাট মুক্তি পাচ্ছে বিজয়ের ‘জন নায়াগন’ বন্যায় ১০ লাখের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত, মাথাপিছু বরাদ্দ মাত্র ৩.২ কেজি চাল ও ২৮ টাকা বন্যা ও পাহাড়ি ঢলে মৃত বেড়ে ৫১, সাত জেলায় খুলেছে ১,০৪৯ আশ্রয়কেন্দ্র রাজধানীর বাজারে হাঁটুসমান পানি, দোকান ডুবে ব্যবসায়ীদের কোটি টাকার ক্ষতির শঙ্কা লিন্ডসে গ্রাহামের মৃত্যুর আগে ইরানের হুমকি নিয়ে তার দৃঢ় মন্তব্য বন্যার ক্ষতি কাটিয়ে ৫ দিন পর আবার চালু ঢাকা-কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম-কক্সবাজার ট্রেন চলাচল রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় মাদ্রাসা সুপার নিহত, ক্ষুব্ধ জনতার বিক্ষোভে বাসে আগুন

মেসির বিপক্ষে ইংল্যান্ড: দুই দশকের অপেক্ষার অবসানে ইতিহাসের এক অসমাপ্ত অধ্যায়

লিওনেল মেসির নাম উচ্চারিত হলেই ইংলিশ ফুটবল সমর্থকদের মনে প্রথম যে ছবিগুলো ভেসে ওঠে, তার বেশির ভাগই ক্লাব ফুটবলের। বার্সেলোনার জার্সিতে তিনি একের পর এক ইংলিশ ক্লাবকে বিপর্যস্ত করেছেন। আর্সেনাল, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, চেলসি কিংবা ম্যানচেস্টার সিটি—চ্যাম্পিয়ন্স লিগের মঞ্চে প্রায় সবাই কোনো না কোনো সময় তাঁর অসাধারণ প্রতিভার সাক্ষী হয়েছে। অথচ বিস্ময়কর হলেও সত্য, এত দীর্ঘ আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের পরও ইংল্যান্ড জাতীয় দলের বিপক্ষে তাঁর কখনও মাঠে নামা হয়নি।

ফুটবলের ইতিহাসে কিছু ঘটনা এতটাই অস্বাভাবিক যে সেগুলো কেবল পরিসংখ্যান দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায় না। ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার মতো দুই ঐতিহাসিক প্রতিদ্বন্দ্বীর মধ্যে অসংখ্য স্মরণীয় বিশ্বকাপ লড়াই থাকলেও, আধুনিক যুগের সেরা ফুটবলারকে সেই দ্বৈরথের অংশ হতে এত বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে। এটি শুধু ক্যালেন্ডারের কাকতালীয় ঘটনা নয়; আন্তর্জাতিক ফুটবলের পরিবর্তিত বাস্তবতারও একটি প্রতিফলন।

এই দীর্ঘ ব্যবধানের শুরুটা হয়েছিল এক অদ্ভুত ঘটনায়। আন্তর্জাতিক অভিষেকে লাল কার্ড দেখায় তরুণ মেসি ইংল্যান্ডের বিপক্ষে নির্ধারিত প্রীতি ম্যাচে খেলতে পারেননি। তখন হয়তো কেউ কল্পনাও করেনি, সেই অনুপস্থিতি দুই দশকের বেশি সময় ধরে চলা এক অদ্ভুত শূন্যতার সূচনা করবে।

এরপর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে আন্তর্জাতিক সূচির পরিবর্তনের কারণে। ইউরোপের দলগুলো এখন ক্রমশ নেশনস লিগ, ইউরোপিয়ান বাছাইপর্ব এবং ঘন ঘন প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে ব্যস্ত। অন্যদিকে আর্জেন্টিনা অধিকাংশ সময় দক্ষিণ আমেরিকার প্রতিযোগিতা অথবা আর্থিকভাবে লাভজনক আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ বেছে নিয়েছে। ফলে ইউরোপের শীর্ষ জাতীয় দলের সঙ্গে নিয়মিত মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ ক্রমেই সীমিত হয়েছে।

আধুনিক ফুটবলে প্রীতি ম্যাচও আর শুধুই প্রস্তুতির অংশ নয়; এটি বড় ব্যবসায় পরিণত হয়েছে। বিশ্বকাপ জয়ের পর আর্জেন্টিনা বিশ্বজুড়ে বিপুল বাণিজ্যিক আকর্ষণের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। মেসির উপস্থিতি একটি ম্যাচের আর্থিক মূল্য বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। আয়োজকদের জন্য এটি লাভজনক হলেও সম্ভাব্য প্রতিপক্ষের জন্য খরচও অনেক বেড়ে যায়। ফলে এমন ম্যাচ আয়োজন আগের তুলনায় আরও কঠিন হয়ে উঠেছে।

অবশ্য অর্থই একমাত্র ব্যাখ্যা নয়। সাম্প্রতিক সময়ে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনকে ঘিরে নানা বিতর্কও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনার বিষয় হয়েছে। বাণিজ্যিক চুক্তি, প্রদর্শনী ম্যাচ এবং আর্থিক লেনদেন নিয়ে তদন্তের খবর সংগঠনটির ভাবমূর্তিকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। যদিও তদন্ত মানেই অপরাধ প্রমাণ নয়, তবু এসব ঘটনা আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সতর্কতার পরিবেশ তৈরি করে।

Argentina face England in the semifinals. One step away from the World Cup  final.

তবে এসব বিতর্কের বাইরেও সবচেয়ে বড় সত্য হলো, আন্তর্জাতিক ফুটবলের চরিত্রই বদলে গেছে। একসময় বড় বড় ফুটবল শক্তিগুলো নিয়মিত একে অপরের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ খেলত। সেই ম্যাচগুলো ছিল ভবিষ্যৎ টুর্নামেন্টের প্রস্তুতি এবং ফুটবল সংস্কৃতির আদান-প্রদানের অন্যতম মাধ্যম। এখন প্রতিটি আন্তর্জাতিক উইন্ডো এতটাই ব্যস্ত যে এ ধরনের ঐতিহাসিক দ্বৈরথ আয়োজনের সুযোগ খুব কমই থাকে।

এ কারণেই এবারের বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল শুধু আরেকটি নকআউট ম্যাচ নয়। এটি দুই যুগের প্রতীকী সংঘর্ষ। একদিকে ক্যারিয়ারের শেষ প্রান্তে পৌঁছে যাওয়া এমন এক কিংবদন্তি, যিনি প্রায় সব অর্জনই নিজের করে নিয়েছেন। অন্যদিকে এমন এক ইংল্যান্ড, যারা দীর্ঘদিনের সম্ভাবনাকে বাস্তব সাফল্যে রূপ দিতে মরিয়া।

মেসির বিপক্ষে ইংল্যান্ডের এই প্রথম সাক্ষাৎ এমন সময়ে হচ্ছে, যখন দুই দলই ভিন্ন বাস্তবতার মধ্য দিয়ে এগোচ্ছে। আর্জেন্টিনা এখনও অভিজ্ঞতা ও মানসিক দৃঢ়তায় সমৃদ্ধ, কিন্তু পুরো টুর্নামেন্টে তাদের পারফরম্যান্সে দুর্বলতার ইঙ্গিতও দেখা গেছে। অন্যদিকে ইংল্যান্ডের বর্তমান প্রজন্ম নিজেদের সক্ষমতা নিয়ে আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি আত্মবিশ্বাসী।

তাই এই ম্যাচের গুরুত্ব কেবল কে ফাইনালে উঠবে, সেই প্রশ্নে সীমাবদ্ধ নয়। এটি এমন একটি ঐতিহাসিক শূন্যতার সমাপ্তি, যা আধুনিক আন্তর্জাতিক ফুটবলের অদ্ভুত বাস্তবতাকে সামনে নিয়ে এসেছে। ফুটবল ইতিহাসের দুই শক্তিশালী দেশের অসংখ্য নাটকীয় অধ্যায়ের মাঝেও বিশ্বের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়ের সঙ্গে ইংল্যান্ডের দেখা হতে এত বছর লেগে যাওয়া ভবিষ্যতের গবেষকদের কাছেও বিস্ময়ের বিষয় হয়ে থাকবে।

ফলাফল যাই হোক, এই ম্যাচ ইতিহাসে আলাদা জায়গা করে নেবে। কারণ এটি শুধু একটি বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল নয়; এটি এমন এক সাক্ষাৎ, যা ফুটবল বিশ্ব অনেক আগেই দেখার কথা ছিল, কিন্তু নানা কাকতালীয় ঘটনা, পরিবর্তিত আন্তর্জাতিক সূচি এবং সময়ের বাস্তবতা মিলিয়ে যার জন্য অপেক্ষা করতে হয়েছে দুই দশকেরও বেশি।

জনপ্রিয় সংবাদ

জিও নিউজের সম্প্রচার আবার শুরু, ১৫ দিনের স্থগিতাদেশ বহাল রাখল পেমরা

মেসির বিপক্ষে ইংল্যান্ড: দুই দশকের অপেক্ষার অবসানে ইতিহাসের এক অসমাপ্ত অধ্যায়

০৮:৪৯:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

লিওনেল মেসির নাম উচ্চারিত হলেই ইংলিশ ফুটবল সমর্থকদের মনে প্রথম যে ছবিগুলো ভেসে ওঠে, তার বেশির ভাগই ক্লাব ফুটবলের। বার্সেলোনার জার্সিতে তিনি একের পর এক ইংলিশ ক্লাবকে বিপর্যস্ত করেছেন। আর্সেনাল, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, চেলসি কিংবা ম্যানচেস্টার সিটি—চ্যাম্পিয়ন্স লিগের মঞ্চে প্রায় সবাই কোনো না কোনো সময় তাঁর অসাধারণ প্রতিভার সাক্ষী হয়েছে। অথচ বিস্ময়কর হলেও সত্য, এত দীর্ঘ আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের পরও ইংল্যান্ড জাতীয় দলের বিপক্ষে তাঁর কখনও মাঠে নামা হয়নি।

ফুটবলের ইতিহাসে কিছু ঘটনা এতটাই অস্বাভাবিক যে সেগুলো কেবল পরিসংখ্যান দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায় না। ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার মতো দুই ঐতিহাসিক প্রতিদ্বন্দ্বীর মধ্যে অসংখ্য স্মরণীয় বিশ্বকাপ লড়াই থাকলেও, আধুনিক যুগের সেরা ফুটবলারকে সেই দ্বৈরথের অংশ হতে এত বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে। এটি শুধু ক্যালেন্ডারের কাকতালীয় ঘটনা নয়; আন্তর্জাতিক ফুটবলের পরিবর্তিত বাস্তবতারও একটি প্রতিফলন।

এই দীর্ঘ ব্যবধানের শুরুটা হয়েছিল এক অদ্ভুত ঘটনায়। আন্তর্জাতিক অভিষেকে লাল কার্ড দেখায় তরুণ মেসি ইংল্যান্ডের বিপক্ষে নির্ধারিত প্রীতি ম্যাচে খেলতে পারেননি। তখন হয়তো কেউ কল্পনাও করেনি, সেই অনুপস্থিতি দুই দশকের বেশি সময় ধরে চলা এক অদ্ভুত শূন্যতার সূচনা করবে।

এরপর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে আন্তর্জাতিক সূচির পরিবর্তনের কারণে। ইউরোপের দলগুলো এখন ক্রমশ নেশনস লিগ, ইউরোপিয়ান বাছাইপর্ব এবং ঘন ঘন প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে ব্যস্ত। অন্যদিকে আর্জেন্টিনা অধিকাংশ সময় দক্ষিণ আমেরিকার প্রতিযোগিতা অথবা আর্থিকভাবে লাভজনক আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ বেছে নিয়েছে। ফলে ইউরোপের শীর্ষ জাতীয় দলের সঙ্গে নিয়মিত মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ ক্রমেই সীমিত হয়েছে।

আধুনিক ফুটবলে প্রীতি ম্যাচও আর শুধুই প্রস্তুতির অংশ নয়; এটি বড় ব্যবসায় পরিণত হয়েছে। বিশ্বকাপ জয়ের পর আর্জেন্টিনা বিশ্বজুড়ে বিপুল বাণিজ্যিক আকর্ষণের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। মেসির উপস্থিতি একটি ম্যাচের আর্থিক মূল্য বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। আয়োজকদের জন্য এটি লাভজনক হলেও সম্ভাব্য প্রতিপক্ষের জন্য খরচও অনেক বেড়ে যায়। ফলে এমন ম্যাচ আয়োজন আগের তুলনায় আরও কঠিন হয়ে উঠেছে।

অবশ্য অর্থই একমাত্র ব্যাখ্যা নয়। সাম্প্রতিক সময়ে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনকে ঘিরে নানা বিতর্কও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনার বিষয় হয়েছে। বাণিজ্যিক চুক্তি, প্রদর্শনী ম্যাচ এবং আর্থিক লেনদেন নিয়ে তদন্তের খবর সংগঠনটির ভাবমূর্তিকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। যদিও তদন্ত মানেই অপরাধ প্রমাণ নয়, তবু এসব ঘটনা আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সতর্কতার পরিবেশ তৈরি করে।

Argentina face England in the semifinals. One step away from the World Cup  final.

তবে এসব বিতর্কের বাইরেও সবচেয়ে বড় সত্য হলো, আন্তর্জাতিক ফুটবলের চরিত্রই বদলে গেছে। একসময় বড় বড় ফুটবল শক্তিগুলো নিয়মিত একে অপরের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ খেলত। সেই ম্যাচগুলো ছিল ভবিষ্যৎ টুর্নামেন্টের প্রস্তুতি এবং ফুটবল সংস্কৃতির আদান-প্রদানের অন্যতম মাধ্যম। এখন প্রতিটি আন্তর্জাতিক উইন্ডো এতটাই ব্যস্ত যে এ ধরনের ঐতিহাসিক দ্বৈরথ আয়োজনের সুযোগ খুব কমই থাকে।

এ কারণেই এবারের বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল শুধু আরেকটি নকআউট ম্যাচ নয়। এটি দুই যুগের প্রতীকী সংঘর্ষ। একদিকে ক্যারিয়ারের শেষ প্রান্তে পৌঁছে যাওয়া এমন এক কিংবদন্তি, যিনি প্রায় সব অর্জনই নিজের করে নিয়েছেন। অন্যদিকে এমন এক ইংল্যান্ড, যারা দীর্ঘদিনের সম্ভাবনাকে বাস্তব সাফল্যে রূপ দিতে মরিয়া।

মেসির বিপক্ষে ইংল্যান্ডের এই প্রথম সাক্ষাৎ এমন সময়ে হচ্ছে, যখন দুই দলই ভিন্ন বাস্তবতার মধ্য দিয়ে এগোচ্ছে। আর্জেন্টিনা এখনও অভিজ্ঞতা ও মানসিক দৃঢ়তায় সমৃদ্ধ, কিন্তু পুরো টুর্নামেন্টে তাদের পারফরম্যান্সে দুর্বলতার ইঙ্গিতও দেখা গেছে। অন্যদিকে ইংল্যান্ডের বর্তমান প্রজন্ম নিজেদের সক্ষমতা নিয়ে আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি আত্মবিশ্বাসী।

তাই এই ম্যাচের গুরুত্ব কেবল কে ফাইনালে উঠবে, সেই প্রশ্নে সীমাবদ্ধ নয়। এটি এমন একটি ঐতিহাসিক শূন্যতার সমাপ্তি, যা আধুনিক আন্তর্জাতিক ফুটবলের অদ্ভুত বাস্তবতাকে সামনে নিয়ে এসেছে। ফুটবল ইতিহাসের দুই শক্তিশালী দেশের অসংখ্য নাটকীয় অধ্যায়ের মাঝেও বিশ্বের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়ের সঙ্গে ইংল্যান্ডের দেখা হতে এত বছর লেগে যাওয়া ভবিষ্যতের গবেষকদের কাছেও বিস্ময়ের বিষয় হয়ে থাকবে।

ফলাফল যাই হোক, এই ম্যাচ ইতিহাসে আলাদা জায়গা করে নেবে। কারণ এটি শুধু একটি বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল নয়; এটি এমন এক সাক্ষাৎ, যা ফুটবল বিশ্ব অনেক আগেই দেখার কথা ছিল, কিন্তু নানা কাকতালীয় ঘটনা, পরিবর্তিত আন্তর্জাতিক সূচি এবং সময়ের বাস্তবতা মিলিয়ে যার জন্য অপেক্ষা করতে হয়েছে দুই দশকেরও বেশি।