স্কটল্যান্ডের সর্বোচ্চ পর্বত বেন নেভিসে বেড়াতে গিয়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে টোকিও নামের একটি কালো ল্যাব্রাডর কুকুর। পরে উদ্ধারকারী দলের তৎপরতায় তাকে নিরাপদে নিচে নামিয়ে স্থানীয় পশু চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হয়। বর্তমানে কুকুরটি পুরোপুরি সুস্থ রয়েছে বলে জানা গেছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট
পাহাড়ে ওঠার মাঝপথেই অসুস্থ টোকিও
গত সপ্তাহান্তে স্কটল্যান্ড সফরে গিয়েছিলেন কুকুর প্রশিক্ষক ক্রিস্টিনা ব্লুহমে। তার সঙ্গে ছিল টোকিও নামের কালো ল্যাব্রাডর। বেন নেভিসে ওঠার সময় পাহাড়ের মাঝামাঝি পথেই হঠাৎ টোকিওর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে। সে দাঁড়াতে পারছিল না এবং বারবার অচেতন হয়ে পড়ছিল।
উদ্ধারকারী দলের দ্রুত পদক্ষেপ
পরিস্থিতি গুরুতর হয়ে ওঠায় পাহাড়ি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে টোকিওকে স্ট্রেচারে করে পাহাড় থেকে নিচে নামায়। এরপর তাকে স্থানীয় একটি পশু চিকিৎসাকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকদের ধারণা, পাহাড়ি পথে ফেলে রাখা গাঁজা খাওয়ার কারণেই টোকিও অসুস্থ হয়ে পড়েছিল।

মালিকের উদ্বেগের মুহূর্ত
ক্রিস্টিনা জানান, এক সময় তার মনে হয়েছিল টোকিওকে হয়তো আর বাঁচানো যাবে না। ২৫ কেজি ওজনের কুকুরটিকে একা পাহাড় থেকে নামানো তার পক্ষে সম্ভব ছিল না। উদ্ধারকারী দলের দ্রুত সহযোগিতা ও পেশাদারিত্বের কারণেই টোকিও নিরাপদে চিকিৎসা পায়।
পরদিনই সুস্থ হয়ে ওঠে
চিকিৎসার পরদিনই টোকিও সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠে। এ ঘটনায় স্বস্তি প্রকাশ করে ক্রিস্টিনা উদ্ধারকারী দল ও চিকিৎসকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। একই সঙ্গে তিনি অন্য পোষা প্রাণীর মালিকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, প্রকৃতির মনোরম পরিবেশেও কখনও কখনও ক্ষতিকর মাদক বা বিষাক্ত বস্তু পড়ে থাকতে পারে, যা প্রাণীদের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
সতর্ক থাকার আহ্বান
ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট উদ্ধারকারী দলও জানায়, সাধারণত সুস্থ ও সক্রিয় টোকিও সম্ভবত পথের মধ্যে এমন কিছু খেয়েছিল, যার কারণে তার শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন হয়ে পড়ে। দ্রুত উদ্ধার ও চিকিৎসার ফলে সে আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পেরেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পাহাড়ি পথে মাদক বা ক্ষতিকর বস্তু ফেলে না রাখার গুরুত্বও সামনে এসেছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















