০২:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
জৈবপ্রযুক্তির নতুন বিশ্বযুদ্ধে ভারতের সামনে যে ঐতিহাসিক সুযোগ যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনা স্থগিত , অনিশ্চয়তায় সমঝোতা ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনে কুড়িগ্রামের চরে গৃহহীন ৩০ পরিবার, ঝুঁকিতে আরও শতাধিক আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ২৩ জুন ঘিরে সুনির্দিষ্ট হুমকি নেই, বললেন ডিএমপি কমিশনার শ্রমিক শ্রেণির ক্ষোভ, ভাঙা আস্থা এবং ব্রিটিশ রাজনীতির নতুন সন্ধিক্ষণ মার্কিন-ইরান সমঝোতার পরও অশান্ত মধ্যপ্রাচ্য, লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় নিহত অন্তত ১৬ হোটেলের চেয়েও ব্যয়বহুল আশ্রয়শিবির! যুক্তরাজ্যে আশ্রয়প্রার্থীদের আবাসন নিয়ে নতুন বিতর্ক জনাথন ডেভিডের হ্যাটট্রিকে কাতারকে উড়িয়ে কানাডার ঐতিহাসিক ৬-০ জয় মেক্সিকোর ঐতিহাসিক জয়, সবার আগে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে স্বাগতিকরা নতুন সমঝোতার পথে ওয়াশিংটন-তেহরান: কেন কূটনীতির ভাষাই হয়ে উঠেছিল সবচেয়ে বড় বাধা

দুই সার কারখানার পর এবার বন্ধের পথে ডিএপিএফসিএল

ডিএপিএফসিএল বন্ধের শঙ্কা

চট্টগ্রামের ডিএপি ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) অচিরেই বন্ধ হয়ে যেতে পারে। কারখানার কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে, আগামী ১০ দিনের মধ্যে যদি কাঁচামাল অ্যামোনিয়া সরবরাহ নিশ্চিত না করা যায়, তবে উৎপাদন বন্ধের সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) আলমগীর জলিল বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, “কারখানার অ্যামোনিয়ার মজুত শেষ হওয়ার পথে। যে পরিমাণ আছে, তা দিয়ে মাত্র ১০ দিনের উৎপাদন চালানো সম্ভব।”


অ্যামোনিয়ার সরবরাহের সংকট

ডিএপিএফসিএল মূলত চিটাগং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড (সিইউএফএল) ও কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো) থেকে অ্যামোনিয়া পায়। কিন্তু উল্লিখিত দুটি কারখানা ইতোমধ্যে গ্যাস সংকটের কারণে বন্ধ রয়েছে। ফলে, ডিএপিএফসিএলের জন্য অ্যামোনিয়া সরবরাহও অনিশ্চিত হয়ে উঠেছে।

আলমগীর জলিল আরও বলেন, “আগামী ১০ দিনের মধ্যে এই দুটি কারখানা যদি চালু না হয় এবং অ্যামোনিয়া সরবরাহ শুরু না করে, তাহলে আমাদের পক্ষে উৎপাদন চালানো সম্ভব হবে না।”

Production temporarily halted at two fertilizer factories in Ctg due to gas shortage | Others | Bangladesh Sangbad Sangstha (BSS)

দেশের সার উৎপাদনে ডিএপিএফসিএলের ভূমিকা

ডিএপিএফসিএল দেশের কৃষি খাতে সুষম সারের ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাস সমৃদ্ধ যৌগিক সার উৎপাদনের চাহিদা মেটানোর জন্য শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসির তত্ত্বাবধানে প্রতিষ্ঠিত হয়।

আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় প্রতিষ্ঠিত কারখানার দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) দৈনিক ৮০০ টন ডিএপি সার উৎপাদন সক্ষম। ২০০৬ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হওয়া কারখানাটি বর্তমানে দৈনিক ৬০০ থেকে ৭০০ টন ইউরিয়া উৎপাদন করছে।


বর্তমান সংকটের প্রেক্ষাপট

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় গ্যাস সংকটের কারণে ইতোমধ্যেই সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে, ডিএপিএফসিএলও অ্যামোনিয়া সংকটে উৎপাদন বন্ধের মুখে পড়েছে। কৃষি খাতের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সংকট হিসেবে দেখা হচ্ছে, কারণ বাজারে সার সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

জৈবপ্রযুক্তির নতুন বিশ্বযুদ্ধে ভারতের সামনে যে ঐতিহাসিক সুযোগ

দুই সার কারখানার পর এবার বন্ধের পথে ডিএপিএফসিএল

০৯:০০:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

ডিএপিএফসিএল বন্ধের শঙ্কা

চট্টগ্রামের ডিএপি ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) অচিরেই বন্ধ হয়ে যেতে পারে। কারখানার কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে, আগামী ১০ দিনের মধ্যে যদি কাঁচামাল অ্যামোনিয়া সরবরাহ নিশ্চিত না করা যায়, তবে উৎপাদন বন্ধের সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) আলমগীর জলিল বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, “কারখানার অ্যামোনিয়ার মজুত শেষ হওয়ার পথে। যে পরিমাণ আছে, তা দিয়ে মাত্র ১০ দিনের উৎপাদন চালানো সম্ভব।”


অ্যামোনিয়ার সরবরাহের সংকট

ডিএপিএফসিএল মূলত চিটাগং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড (সিইউএফএল) ও কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো) থেকে অ্যামোনিয়া পায়। কিন্তু উল্লিখিত দুটি কারখানা ইতোমধ্যে গ্যাস সংকটের কারণে বন্ধ রয়েছে। ফলে, ডিএপিএফসিএলের জন্য অ্যামোনিয়া সরবরাহও অনিশ্চিত হয়ে উঠেছে।

আলমগীর জলিল আরও বলেন, “আগামী ১০ দিনের মধ্যে এই দুটি কারখানা যদি চালু না হয় এবং অ্যামোনিয়া সরবরাহ শুরু না করে, তাহলে আমাদের পক্ষে উৎপাদন চালানো সম্ভব হবে না।”

Production temporarily halted at two fertilizer factories in Ctg due to gas shortage | Others | Bangladesh Sangbad Sangstha (BSS)

দেশের সার উৎপাদনে ডিএপিএফসিএলের ভূমিকা

ডিএপিএফসিএল দেশের কৃষি খাতে সুষম সারের ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাস সমৃদ্ধ যৌগিক সার উৎপাদনের চাহিদা মেটানোর জন্য শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসির তত্ত্বাবধানে প্রতিষ্ঠিত হয়।

আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় প্রতিষ্ঠিত কারখানার দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) দৈনিক ৮০০ টন ডিএপি সার উৎপাদন সক্ষম। ২০০৬ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হওয়া কারখানাটি বর্তমানে দৈনিক ৬০০ থেকে ৭০০ টন ইউরিয়া উৎপাদন করছে।


বর্তমান সংকটের প্রেক্ষাপট

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় গ্যাস সংকটের কারণে ইতোমধ্যেই সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে, ডিএপিএফসিএলও অ্যামোনিয়া সংকটে উৎপাদন বন্ধের মুখে পড়েছে। কৃষি খাতের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সংকট হিসেবে দেখা হচ্ছে, কারণ বাজারে সার সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।