০৩:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬
তারেক রহমান-ত্রিবেদী বৈঠক: বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক এগিয়ে নিতে নতুন উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিয়ে সংসদে আলোচনায় রাজি সরকার, জবাব দেবেন অমিত শাহ পরীক্ষার অনিয়মের প্রতিবাদে উত্তাল ঝাড়খণ্ড, বিধানসভা অভিমুখে শিক্ষার্থীদের মিছিল হিরোশিমার ৮টা ১৫ মিনিট: যে মুহূর্তে থমকে গিয়েছিল মানবসভ্যতা, ৮০ বছর পরও যার স্মৃতি কাঁদায় পৃথিবীকে ১৫০ বছর পরও মঞ্চ কাঁপাচ্ছে ওয়াগনারের ‘রিং’ চক্র কাজ ফেলে রাখার অভ্যাসে বড় ক্ষতি, চাইলেই বদলানো সম্ভব ট্রাম্পের কাটছাঁটে এইডসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বড় ধাক্কা, তবু মিলছে আশার আলো প্রাণী নিয়ে গবেষণা বন্ধের দাবি, আমেরিকায় বিরল রাজনৈতিক ঐক্য চীনা হামলা ঠেকাতে তাইওয়ানের মহড়া, প্রথমবার ধীর করা হবে মোবাইল ইন্টারনেট চীনের হামলার আশঙ্কা, রানওয়ে ধ্বংস হলেও যুদ্ধবিমান ওড়ানোর প্রস্তুতি তাইওয়ানের

হোটেলের চেয়েও ব্যয়বহুল আশ্রয়শিবির! যুক্তরাজ্যে আশ্রয়প্রার্থীদের আবাসন নিয়ে নতুন বিতর্ক

  • Sarakhon Report
  • ১২:১৪:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
  • 34

যুক্তরাজ্যে আশ্রয়প্রার্থীদের আবাসনের খরচ নিয়ে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে একটি সরকারি তথ্য। দেশটির পূর্ব সাসেক্সের ক্রোবোরো সামরিক প্রশিক্ষণ শিবিরে আশ্রয়প্রার্থীদের রাখার ব্যয় হোটেলে রাখার চেয়েও বেশি বলে জানা গেছে।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, মে মাসের শেষ পর্যন্ত ক্রোবোরো প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ৩৫০ জন আশ্রয়প্রার্থী অবস্থান করছিলেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বছরের প্রথম চার মাসে এই কেন্দ্র পরিচালনায় ব্যয় হয়েছে ৭.১ মিলিয়ন পাউন্ড। এতে প্রতি আশ্রয়প্রার্থীর জন্য দৈনিক আবাসন ব্যয় দাঁড়িয়েছে ১৬০ পাউন্ড, যেখানে হোটেলে একজন অভিবাসীকে রাখার গড় ব্যয় ১৪৪ পাউন্ড।

বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে ক্রোবোরো শিবির

স্থানীয় বাসিন্দাদের নিয়মিত বিক্ষোভের মুখে থাকা ক্রোবোরো কেন্দ্রটি বর্তমানে আরও সম্প্রসারিত হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান ক্লিয়ারস্প্রিংস রেডি হোমস জানিয়েছে, এখন সেখানে ৪৮০ জন পর্যন্ত আশ্রয়প্রার্থী রাখা হচ্ছে।

সরকারের লক্ষ্য ১২ মাসের চুক্তি মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই কেন্দ্রটির ধারণক্ষমতা ৫৪০ জনে উন্নীত করা। তবে জানা গেছে, ২০২১ ও ২০২২ সালে তৎকালীন কনজারভেটিভ সরকারও এই স্থানটি বিবেচনা করেছিল। পরে কর্মকর্তারা এটিকে আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য অনুপযুক্ত এবং অর্থের সঠিক ব্যবহার নয় বলে মত দিয়েছিলেন।

সরকারের যুক্তি

আশ্রয় ও সীমান্ত নিরাপত্তাবিষয়ক মন্ত্রী অ্যালেক্স নরিস বলেছেন, কেন্দ্রটি পূর্ণ সক্ষমতায় পৌঁছালে বছরের শেষ নাগাদ প্রতি শয্যার ব্যয় কমে প্রায় ১৩৫ পাউন্ডে নেমে আসবে। তবে সেটিও হোটেলের তুলনায় মাত্র ৯ পাউন্ড সাশ্রয় নিশ্চিত করবে।

তার মতে, বড় আকারের আবাসনকেন্দ্র ব্যবহারের বিষয়টি শুধু ব্যয়ের হিসাব নয়। ক্রোবোরো ও সাবেক আরএএফ ঘাঁটি ওয়েদার্সফিল্ডের মতো স্থাপনাগুলো নিরাপত্তার দিক থেকে সুবিধাজনক এবং স্থানীয় জনপদের ওপর চাপও কমায়। তিনি দাবি করেন, এ ধরনের ব্যবস্থা ইংলিশ চ্যানেল পেরিয়ে ছোট নৌকায় অভিবাসীদের আগমন নিরুৎসাহিত করতেও ভূমিকা রাখতে পারে।

বেসরকারি চুক্তি বাতিলের দাবি

অন্যদিকে ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির এমপি ক্রিস মারে আশ্রয়প্রার্থীদের আবাসনের দায়িত্বে থাকা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে করা দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি বাতিলের আহ্বান জানিয়েছেন।

বর্তমানে মিয়ার্স, সারকো এবং ক্লিয়ারস্প্রিংস রেডি হোমসের সঙ্গে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ১০ বছরের চুক্তি রয়েছে। আগস্ট থেকে সরকার চাইলে একটি বিশেষ ধারা ব্যবহার করে এসব চুক্তি পুনর্বিবেচনা বা বাতিল করতে পারবে।

মারের প্রস্তাব হলো, আবাসনের দায়িত্ব স্থানীয় কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেওয়া। তার মতে, বেসরকারি কোম্পানিকে অর্থ দেওয়ার পরিবর্তে স্থানীয় কাউন্সিলগুলোকে অর্থায়ন করা হলে নতুন আবাসন নির্মাণ, স্থানীয় জনগণের জন্য বাড়ির সরবরাহ বৃদ্ধি এবং আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য কম খরচে আবাসনের ব্যবস্থা করা সম্ভব হবে।

স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিয়ে প্রশ্ন

ক্রোবোরো এলাকার স্থানীয় কর্তৃপক্ষ উইলডেন জেলা কাউন্সিল সম্প্রতি অভিযোগ করেছে যে, কেন্দ্র পরিচালনার বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পর্যাপ্ত তথ্য দিচ্ছে না এবং প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী পরিকল্পনার বিস্তারিত প্রকাশ করছে না।

মারে বলেন, স্থানীয় নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সম্পৃক্ততা বাড়লে জবাবদিহি নিশ্চিত হবে এবং কোনো সমস্যা দেখা দিলে স্থানীয় পর্যায়েই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে।

ব্যয় বেড়েছে তিন গুণের বেশি

বর্তমানে প্রায় এক লাখ আশ্রয়প্রার্থী এসব চুক্তির আওতায় আবাসন সুবিধা পাচ্ছেন। হোটেলের ব্যবহার বৃদ্ধির কারণে চুক্তিগুলোর মোট ব্যয় ১৫ বিলিয়ন পাউন্ডেরও বেশি হয়ে গেছে, যা আগের তুলনায় তিন গুণের বেশি।

লেবার সরকার হোটেলে আশ্রয়প্রার্থীদের রাখার ব্যবস্থা বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দিলেও এখনও ২০ হাজার ৮৮৫ জন অভিবাসী হোটেলে অবস্থান করছেন। তবে সরকার জানিয়েছে, গত এক বছরে হোটেলে থাকা আশ্রয়প্রার্থীর সংখ্যা ৩৫ শতাংশ কমেছে এবং আগের সরকারের সময়কার সর্বোচ্চ সংখ্যার তুলনায় তা ৬৩ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, আশ্রয়প্রার্থীদের হোটেল থেকে সরিয়ে সাধারণ আবাসন ও সাবেক সামরিক স্থাপনায় স্থানান্তর করা হচ্ছে। সরকারের হিসাব অনুযায়ী, ক্ষমতায় আসার পর থেকে সামগ্রিক আশ্রয়ব্যবস্থার ব্যয় প্রায় ১ বিলিয়ন পাউন্ড কমেছে।

হোটেলের তুলনায় সামরিক শিবিরে আশ্রয়প্রার্থীদের আবাসন ব্যয় বেশি হওয়ায় যুক্তরাজ্যের অভিবাসন নীতি ও সরকারি ব্যয় ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।

হোটেলের চেয়ে ব্যয়বহুল আশ্রয়প্রার্থী আবাসন নিয়ে যুক্তরাজ্যে বিতর্ক তীব্র হচ্ছে। সামরিক শিবির, বেসরকারি চুক্তি ও সরকারি ব্যয় নিয়ে নতুন প্রশ্ন উঠেছে।

#যুক্তরাজ্য #আশ্রয়প্রার্থী #অভিবাসননীতি #লেবারপার্টি #ক্রোবোরো #অভিবাসন #ইউকে_রাজনীতি #শরণার্থী #সামরিকশিবির #বিশ্বসংবাদ

জনপ্রিয় সংবাদ

তারেক রহমান-ত্রিবেদী বৈঠক: বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক এগিয়ে নিতে নতুন উদ্যোগ

হোটেলের চেয়েও ব্যয়বহুল আশ্রয়শিবির! যুক্তরাজ্যে আশ্রয়প্রার্থীদের আবাসন নিয়ে নতুন বিতর্ক

১২:১৪:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

যুক্তরাজ্যে আশ্রয়প্রার্থীদের আবাসনের খরচ নিয়ে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে একটি সরকারি তথ্য। দেশটির পূর্ব সাসেক্সের ক্রোবোরো সামরিক প্রশিক্ষণ শিবিরে আশ্রয়প্রার্থীদের রাখার ব্যয় হোটেলে রাখার চেয়েও বেশি বলে জানা গেছে।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, মে মাসের শেষ পর্যন্ত ক্রোবোরো প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ৩৫০ জন আশ্রয়প্রার্থী অবস্থান করছিলেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বছরের প্রথম চার মাসে এই কেন্দ্র পরিচালনায় ব্যয় হয়েছে ৭.১ মিলিয়ন পাউন্ড। এতে প্রতি আশ্রয়প্রার্থীর জন্য দৈনিক আবাসন ব্যয় দাঁড়িয়েছে ১৬০ পাউন্ড, যেখানে হোটেলে একজন অভিবাসীকে রাখার গড় ব্যয় ১৪৪ পাউন্ড।

বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে ক্রোবোরো শিবির

স্থানীয় বাসিন্দাদের নিয়মিত বিক্ষোভের মুখে থাকা ক্রোবোরো কেন্দ্রটি বর্তমানে আরও সম্প্রসারিত হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান ক্লিয়ারস্প্রিংস রেডি হোমস জানিয়েছে, এখন সেখানে ৪৮০ জন পর্যন্ত আশ্রয়প্রার্থী রাখা হচ্ছে।

সরকারের লক্ষ্য ১২ মাসের চুক্তি মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই কেন্দ্রটির ধারণক্ষমতা ৫৪০ জনে উন্নীত করা। তবে জানা গেছে, ২০২১ ও ২০২২ সালে তৎকালীন কনজারভেটিভ সরকারও এই স্থানটি বিবেচনা করেছিল। পরে কর্মকর্তারা এটিকে আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য অনুপযুক্ত এবং অর্থের সঠিক ব্যবহার নয় বলে মত দিয়েছিলেন।

সরকারের যুক্তি

আশ্রয় ও সীমান্ত নিরাপত্তাবিষয়ক মন্ত্রী অ্যালেক্স নরিস বলেছেন, কেন্দ্রটি পূর্ণ সক্ষমতায় পৌঁছালে বছরের শেষ নাগাদ প্রতি শয্যার ব্যয় কমে প্রায় ১৩৫ পাউন্ডে নেমে আসবে। তবে সেটিও হোটেলের তুলনায় মাত্র ৯ পাউন্ড সাশ্রয় নিশ্চিত করবে।

তার মতে, বড় আকারের আবাসনকেন্দ্র ব্যবহারের বিষয়টি শুধু ব্যয়ের হিসাব নয়। ক্রোবোরো ও সাবেক আরএএফ ঘাঁটি ওয়েদার্সফিল্ডের মতো স্থাপনাগুলো নিরাপত্তার দিক থেকে সুবিধাজনক এবং স্থানীয় জনপদের ওপর চাপও কমায়। তিনি দাবি করেন, এ ধরনের ব্যবস্থা ইংলিশ চ্যানেল পেরিয়ে ছোট নৌকায় অভিবাসীদের আগমন নিরুৎসাহিত করতেও ভূমিকা রাখতে পারে।

বেসরকারি চুক্তি বাতিলের দাবি

অন্যদিকে ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির এমপি ক্রিস মারে আশ্রয়প্রার্থীদের আবাসনের দায়িত্বে থাকা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে করা দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি বাতিলের আহ্বান জানিয়েছেন।

বর্তমানে মিয়ার্স, সারকো এবং ক্লিয়ারস্প্রিংস রেডি হোমসের সঙ্গে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ১০ বছরের চুক্তি রয়েছে। আগস্ট থেকে সরকার চাইলে একটি বিশেষ ধারা ব্যবহার করে এসব চুক্তি পুনর্বিবেচনা বা বাতিল করতে পারবে।

মারের প্রস্তাব হলো, আবাসনের দায়িত্ব স্থানীয় কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেওয়া। তার মতে, বেসরকারি কোম্পানিকে অর্থ দেওয়ার পরিবর্তে স্থানীয় কাউন্সিলগুলোকে অর্থায়ন করা হলে নতুন আবাসন নির্মাণ, স্থানীয় জনগণের জন্য বাড়ির সরবরাহ বৃদ্ধি এবং আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য কম খরচে আবাসনের ব্যবস্থা করা সম্ভব হবে।

স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিয়ে প্রশ্ন

ক্রোবোরো এলাকার স্থানীয় কর্তৃপক্ষ উইলডেন জেলা কাউন্সিল সম্প্রতি অভিযোগ করেছে যে, কেন্দ্র পরিচালনার বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পর্যাপ্ত তথ্য দিচ্ছে না এবং প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী পরিকল্পনার বিস্তারিত প্রকাশ করছে না।

মারে বলেন, স্থানীয় নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সম্পৃক্ততা বাড়লে জবাবদিহি নিশ্চিত হবে এবং কোনো সমস্যা দেখা দিলে স্থানীয় পর্যায়েই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে।

ব্যয় বেড়েছে তিন গুণের বেশি

বর্তমানে প্রায় এক লাখ আশ্রয়প্রার্থী এসব চুক্তির আওতায় আবাসন সুবিধা পাচ্ছেন। হোটেলের ব্যবহার বৃদ্ধির কারণে চুক্তিগুলোর মোট ব্যয় ১৫ বিলিয়ন পাউন্ডেরও বেশি হয়ে গেছে, যা আগের তুলনায় তিন গুণের বেশি।

লেবার সরকার হোটেলে আশ্রয়প্রার্থীদের রাখার ব্যবস্থা বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দিলেও এখনও ২০ হাজার ৮৮৫ জন অভিবাসী হোটেলে অবস্থান করছেন। তবে সরকার জানিয়েছে, গত এক বছরে হোটেলে থাকা আশ্রয়প্রার্থীর সংখ্যা ৩৫ শতাংশ কমেছে এবং আগের সরকারের সময়কার সর্বোচ্চ সংখ্যার তুলনায় তা ৬৩ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, আশ্রয়প্রার্থীদের হোটেল থেকে সরিয়ে সাধারণ আবাসন ও সাবেক সামরিক স্থাপনায় স্থানান্তর করা হচ্ছে। সরকারের হিসাব অনুযায়ী, ক্ষমতায় আসার পর থেকে সামগ্রিক আশ্রয়ব্যবস্থার ব্যয় প্রায় ১ বিলিয়ন পাউন্ড কমেছে।

হোটেলের তুলনায় সামরিক শিবিরে আশ্রয়প্রার্থীদের আবাসন ব্যয় বেশি হওয়ায় যুক্তরাজ্যের অভিবাসন নীতি ও সরকারি ব্যয় ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।

হোটেলের চেয়ে ব্যয়বহুল আশ্রয়প্রার্থী আবাসন নিয়ে যুক্তরাজ্যে বিতর্ক তীব্র হচ্ছে। সামরিক শিবির, বেসরকারি চুক্তি ও সরকারি ব্যয় নিয়ে নতুন প্রশ্ন উঠেছে।

#যুক্তরাজ্য #আশ্রয়প্রার্থী #অভিবাসননীতি #লেবারপার্টি #ক্রোবোরো #অভিবাসন #ইউকে_রাজনীতি #শরণার্থী #সামরিকশিবির #বিশ্বসংবাদ