০৬:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬
বাণিজ্যিক গ্যাসের দামে বড় স্বস্তি, তবে বেড়েছে বিমান জ্বালানির দাম হাম ভাইরাসে জিনগত পরিবর্তনের প্রমাণ মেলেনি, টিকার সুরক্ষা এখনও কার্যকর: আইসিডিডিআর,বি আগুনের বিরুদ্ধে ইউরোপের নতুন ‘নীরব সেনা’—বন রক্ষায় গাধার অভিনব ব্যবহার হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, দেশে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮৪৪ ‘তেলাপোকা’ থেকে তুমুল গণজাগরণ: তিন তরুণের হাত ধরে কাঁপল ভারতের ছাত্র আন্দোলন প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে ভারতের নতুন আইন: তদন্ত ৬০ দিনে, বিচার তিন মাসে, শাস্তি আরও কঠোর ভূমধ্যসাগরের ঢেউ পেরিয়ে সেউতায় হাজারো মানুষের মরিয়া ছুটে চলা, অভিবাসন সংকটে চাপে স্পেন যুদ্ধের ক্ষত, নেতৃত্বের সংকট এবং ইসরায়েলের নতুন রাজনৈতিক সন্ধিক্ষণ রোগনির্ণয়ের যুগে আমরা কি অতিরিক্ত লেবেল দিচ্ছি? বাংলাদেশকে আমেরিকা, ভারতসহ অন্যান্য দেশের গড়ে ওঠা চীনের বিকল্প সাপ্লাই চেইন জোট ‘প্যাক্স সিলিকা’য় যোগ দিতে আহ্বান সার্জিও গরের

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চুক্তি না হওয়ায় এখন কী ঘটতে যাচ্ছে?

  • Sarakhon Report
  • ০৫:৫৭:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
  • 47

পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার শান্তি আলোচনা কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়েছে। এর ফলে দুই দেশের মধ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার বিষয়টি আপাতত প্রশ্নের মুখে পড়ল।

আলোচনার আগে, পাকিস্তান সরকারের কর্মকর্তাদের বেশ আশাবাদী ভঙ্গিমায় কথা বলতে শোনা গিয়েছিল। জোর দিয়ে তারা বলছিলেন যে, পাকিস্তানের উপর উভয় পক্ষের আস্থা রয়েছে যা অন্যদের নেই।

মার্কিন প্রতিনিধিদলের প্রধান ও দেশটির ভাইস-প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও বেশ আশাবাদী ছিলেন। কিন্তু রবিবার রাতভর আলোচনা হওয়ার পরে তিনি ঘোষণা করেন যে, আলোচনা কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়েছে।

আলোচনায় একাধিক বিষয় অমীমাংসিতই রয়ে যায় যার মধ্যে অন্যতম হলো, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি। এই বিষয়গুলিতে একমত হতে পারেনি দুই পক্ষ। মতবিরোধের কারণে আলোচনা ভেস্তে যায়।

তাহলে, এই সংঘাতের পরিণতি কী দাঁড়াল এবং যুদ্ধের প্রধান পক্ষগুলোর সামনে এখন কী বিকল্প রয়েছে?

জনপ্রিয় সংবাদ

বাণিজ্যিক গ্যাসের দামে বড় স্বস্তি, তবে বেড়েছে বিমান জ্বালানির দাম

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চুক্তি না হওয়ায় এখন কী ঘটতে যাচ্ছে?

০৫:৫৭:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার শান্তি আলোচনা কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়েছে। এর ফলে দুই দেশের মধ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার বিষয়টি আপাতত প্রশ্নের মুখে পড়ল।

আলোচনার আগে, পাকিস্তান সরকারের কর্মকর্তাদের বেশ আশাবাদী ভঙ্গিমায় কথা বলতে শোনা গিয়েছিল। জোর দিয়ে তারা বলছিলেন যে, পাকিস্তানের উপর উভয় পক্ষের আস্থা রয়েছে যা অন্যদের নেই।

মার্কিন প্রতিনিধিদলের প্রধান ও দেশটির ভাইস-প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও বেশ আশাবাদী ছিলেন। কিন্তু রবিবার রাতভর আলোচনা হওয়ার পরে তিনি ঘোষণা করেন যে, আলোচনা কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়েছে।

আলোচনায় একাধিক বিষয় অমীমাংসিতই রয়ে যায় যার মধ্যে অন্যতম হলো, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি। এই বিষয়গুলিতে একমত হতে পারেনি দুই পক্ষ। মতবিরোধের কারণে আলোচনা ভেস্তে যায়।

তাহলে, এই সংঘাতের পরিণতি কী দাঁড়াল এবং যুদ্ধের প্রধান পক্ষগুলোর সামনে এখন কী বিকল্প রয়েছে?