কেরলে আসন্ন ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার আগে কংগ্রেসের ভেতরে নেতৃত্ব নিয়ে দ্বন্দ্ব আবারও সামনে চলে এসেছে। ৪ মে ফল প্রকাশের আগেই এই অভ্যন্তরীণ টানাপোড়েন দলটির রাজনীতিকে প্রভাবিত করছে।
নেতৃত্ব প্রশ্নে নতুন বিতর্ক
কেরল প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির সাবেক সভাপতি কে. সুধাকরন এক ফেসবুক পোস্টে সর্বভারতীয় কংগ্রেস কমিটির সাধারণ সম্পাদক কে. সি. ভেনুগোপালের ‘শক্তিশালী নেতৃত্ব’-এর পক্ষে মত দেন। তার এই বক্তব্য নির্বাচনের পর দলীয় গোষ্ঠীদ্বন্দ্বকে নতুন করে উসকে দিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

বামপন্থীদের সমালোচনা
এদিকে বামপন্থী দল সিপিআই(এম)-এর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কংগ্রেসের এই অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বকে ব্যক্তিগত ক্ষমতার লড়াই হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। তাদের দাবি, নির্বাচনের পর কংগ্রেসে যে কোন্দল দেখা যাচ্ছে, তা দলটির সুস্পষ্ট নীতি বা শাসন ভাবনার অভাবের ইঙ্গিত দেয়।
বাম সমর্থকরাও অভিযোগ করেছেন, নেতৃত্ব নিয়ে এই বিরোধ আসলে দলীয় আনুগত্য যাচাই এবং সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বীদের চিহ্নিত করার কৌশল।
ভেনুগোপালকে ঘিরে প্রশংসা
সুধাকরন তার বক্তব্যে বলেন, নির্বাচনী প্রচারে ভেনুগোপালের উপস্থিতি ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি দাবি করেন, ভেনুগোপাল দলের কর্মীদের সক্রিয় করেছেন, জোট প্রার্থীদের আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছেন এবং দলীয় সাফল্যের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
তিনি আরও বলেন, কেরলের জন্য দূরদৃষ্টিসম্পন্ন নেতৃত্ব প্রয়োজন, যেমন অতীতে কে. করুণাকরণ, উম্মেন চান্ডি, এ. কে. অ্যান্টনি ও ভায়ালার রবি ছিলেন। তার মতে, ভেনুগোপাল সেই মানদণ্ড পূরণ করেন এবং তিনি কেরল কংগ্রেসের ‘অঘোষিত নেতা’।

ভেনুগোপালের প্রতিক্রিয়া
সুধাকরনের বক্তব্য থেকে ভেনুগোপাল নিজেকে দূরে সরাননি। দিল্লিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে তিনি জানান, সুধাকরন তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু।
তাকে কেউ কেউ রাজ্য রাজনীতিতে ‘শূন্য’ বলে মন্তব্য করেছেন—এ বিষয়ে তিনি বলেন, এ ধরনের মন্তব্য নিয়ে তার কোনো অভিযোগ নেই। পাশাপাশি তিনি সবাইকে ৪ মে ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করার আহ্বান জানান।
চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে হাইকমান্ড
অন্যদিকে কংগ্রেসের জ্যেষ্ঠ নেতা রমেশ চেন্নিথালা বলেন, নেতৃত্ব নিয়ে শেষ সিদ্ধান্ত নেবে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















