তামিলনাড়ুর আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক তৎপরতা যখন তুঙ্গে, তখন জোটসঙ্গী দুই শীর্ষ নেতা এম কে স্ট্যালিন ও রাহুল গান্ধীর একসঙ্গে মঞ্চ ভাগ করে নেওয়ার সম্ভাবনা কম বলেই ইঙ্গিত মিলেছে। ফলে জোট বজায় থাকলেও প্রচারের কৌশলে আলাদা পথে হাঁটছে দলগুলো—এমনই বার্তা স্পষ্ট হচ্ছে রাজনৈতিক মহলে।
প্রচারে আলাদা পথ, লক্ষ্য এক
দলীয় নেতাদের বক্তব্য অনুযায়ী, রাহুল গান্ধী নিজের কর্মসূচি অনুযায়ী একদিকে প্রচার চালাবেন, আর ডিএমকে নেতৃত্ব অন্যদিকে নিজেদের প্রচার চালাবে। তবে উভয় পক্ষই জোটের প্রার্থীদের জয় নিশ্চিত করতে একসঙ্গেই কাজ করবে। রাহুলের প্রচারে ডিএমকের নেতা-কর্মীরা অংশ নেবেন বলেও জানানো হয়েছে।
নির্ধারিত সূচি বদল নয়
স্ট্যালিনের ব্যস্ত প্রচারসূচির কারণেই এক মঞ্চে ওঠা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানানো হয়েছে। রাজ্যের প্রায় ৪০টির বেশি আসনে তাকে প্রচার চালাতে হবে। পাশাপাশি নিজের কেন্দ্র কোলাথুরেও নির্দিষ্ট দিনে ভোট চাইতে হবে। এই ঘন সূচির কারণে কোনো পরিবর্তন আনা সম্ভব নয় বলেই স্পষ্ট করেছেন দলীয় নেতারা।
একদিনে আলাদা মঞ্চ, জল্পনা বাড়ছে
সম্প্রতি একই দিনে পুদুচেরিতে দু’জনের আলাদা মঞ্চে প্রচার করা নিয়েও জল্পনা তৈরি হয়েছিল। রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছিল, কেন একসঙ্গে দেখা গেল না দুই নেতাকে। তবে দলীয় সূত্রে বলা হচ্ছে, এটি কৌশলগত সিদ্ধান্ত, যাতে বেশি জায়গায় পৌঁছানো যায়।
ভোটে অনিয়মের অভিযোগ
এদিকে নির্বাচনী অনিয়মের অভিযোগ তুলে প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলোর বিরুদ্ধে সরব হয়েছে ডিএমকে। তাদের দাবি, প্রতিপক্ষের কর্মীরা ভোটে প্রভাব ফেলতে বেআইনি পন্থা অবলম্বন করছে। অভিযোগ করা হয়েছে, ভোটের খরচ মেটাতে অর্থ বিতরণ এবং ভোটারদের প্রলুব্ধ করতে ভুয়া চেক দেওয়ার মতো ঘটনাও ঘটছে। এসব অভিযোগ খতিয়ে দেখতে নির্বাচন কমিশনের কাছেও অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জোটের ভেতরে সমন্বয় থাকলেও প্রচারের ধরনে এই ভিন্নতা নির্বাচনের ফলাফলে কতটা প্রভাব ফেলবে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















