০২:০৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
বার্নিং ম্যান উৎসবের ইতিহাস নিয়ে আসছে এইচবিও ডকুসিরিজ সিনেমা হলকে নতুনভাবে সাজাচ্ছে সাংহাই মেলনের বৈশ্বিক কে-পপ তালিকায় আলোচনায় রাইজ ও বয় নেক্সট ডোর হাঙ্গেরির প্রেসিডেন্টকে অপসারণে সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ, রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে ট্রাম্পের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের রায়, যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্তে আশ্রয়প্রার্থীদের ফেরানোর পথ খুলল রাশিয়ার যুব ফুটবল দলের ফেরার ইঙ্গিত, নতুন টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের পথ খুলছে ফিফা ডা. এ বি এম আবদুল্লাহর ইমেরিটাস অধ্যাপক পদ বাতিল, বেতন-ভাতা ফেরতের নির্দেশ সিরাজগঞ্জে যমুনার স্রোতে ভেসে প্রাণ গেল দুই মাদ্রাসাছাত্রের খেলাপি ঋণের চাপে ‘মোট শকে’ ব্যাংকিং খাত, সংসদে রেজা কিবরিয়ার কঠোর সমালোচনা ৪৩তম বিসিএসের নন-ক্যাডার মেধাতালিকা ৬০ দিনের মধ্যে প্রকাশের নির্দেশ হাইকোর্টের

জ্বালানির দাম ঊর্ধ্বমুখী, হিমশিম খাচ্ছে জাপানের মৎস্যশিল্প

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার প্রভাবে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বাড়তে থাকায় জাপানের মৎস্যশিল্প কঠিন চাপে পড়েছে। জ্বালানি ও সংশ্লিষ্ট সরঞ্জামের ব্যয় কয়েকগুণ বেড়ে যাওয়ায় অনেক প্রতিষ্ঠান লাভ ধরে রাখতে হিমশিম খাচ্ছে।

দূর সমুদ্রে মাছ ধরার খরচ বেড়ে দ্বিগুণ-তিনগুণ

মিয়াগি প্রদেশের কেসেননুমা শহরের একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক জানান, আগে একটি জাহাজের জন্য বছরে প্রায় ১৩ কোটি ইয়েন জ্বালানি খরচ হতো। কিন্তু এখন দক্ষিণ আফ্রিকায়, যেখানে তাদের জাহাজে জ্বালানি ভরা হয়, সেই খরচ দুই থেকে তিনগুণ বেড়ে গেছে। ফলে টুনা মাছ বিক্রি করে যে আয় হয়, তা প্রায় পুরোপুরি জ্বালানি ব্যয়েই শেষ হয়ে যাচ্ছে।

Lost” Winter Bonito: A New Delicacy of Japanese Cuisine | Nippon.com

মাছ ধরার অভিযান কমে যাচ্ছে

চিবা প্রদেশের কাটসুরার এক মৎস্য কর্মকর্তা বলেন, কাতসুও বা বনিটো মাছ ধরার নৌকাগুলোকে অনেক সময় কয়েকদিন ধরে সমুদ্রে ঘুরে মাছের খোঁজ করতে হয়। কিন্তু জ্বালানির উচ্চমূল্যের কারণে অনেক নৌকাই এখন আগেভাগে ফিরে আসছে।

টোপের সংকটেও বাধা

কাগোশিমা শহরে বনিটো মাছ ধরার নৌকাগুলো কখনও কখনও সমুদ্রে যেতেই পারছে না, কারণ টোপের সংকট দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় জাপানি অ্যাঙ্কোভি ধরার নৌকাগুলো, যেগুলো সাধারণত টোপ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, সেগুলোও তীরে আটকে আছে।

বিভিন্ন খাতে ব্যয়ের চাপ

Damage on the Fishing Industry on Japan

শিজুওকা প্রদেশের আতামি শহরের এক জেলে জানান, ম্যাকারেলসহ বিভিন্ন মাছ ধরার ক্ষেত্রে তারও খরচ বেড়েছে। মাছ পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত স্টাইরোফোম বাক্সের দাম বাড়ছে, পাশাপাশি তেলভিত্তিক জাহাজের রং সংগ্রহ করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।

মূল্য বাড়ালেও ভোক্তার ওপর চাপ দেওয়া কঠিন

মাছের সরবরাহ ব্যবস্থা অন্যান্য খাদ্যের তুলনায় বেশি জটিল হওয়ায় বাড়তি খরচ সরাসরি ভোক্তার ওপর চাপানো সহজ নয়। ফলে মৎস্যজীবীরা আর্থিক সংকটে পড়ছেন।

জরুরি সহায়তার দাবি

এই পরিস্থিতিতে জাপানের মৎস্য খাতের সংগঠনগুলো সরকারকে জরুরি সহায়তা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে, যাতে এই সংকট মোকাবিলা করে টিকে থাকা যায়।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

বার্নিং ম্যান উৎসবের ইতিহাস নিয়ে আসছে এইচবিও ডকুসিরিজ

জ্বালানির দাম ঊর্ধ্বমুখী, হিমশিম খাচ্ছে জাপানের মৎস্যশিল্প

০৩:১৬:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার প্রভাবে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বাড়তে থাকায় জাপানের মৎস্যশিল্প কঠিন চাপে পড়েছে। জ্বালানি ও সংশ্লিষ্ট সরঞ্জামের ব্যয় কয়েকগুণ বেড়ে যাওয়ায় অনেক প্রতিষ্ঠান লাভ ধরে রাখতে হিমশিম খাচ্ছে।

দূর সমুদ্রে মাছ ধরার খরচ বেড়ে দ্বিগুণ-তিনগুণ

মিয়াগি প্রদেশের কেসেননুমা শহরের একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক জানান, আগে একটি জাহাজের জন্য বছরে প্রায় ১৩ কোটি ইয়েন জ্বালানি খরচ হতো। কিন্তু এখন দক্ষিণ আফ্রিকায়, যেখানে তাদের জাহাজে জ্বালানি ভরা হয়, সেই খরচ দুই থেকে তিনগুণ বেড়ে গেছে। ফলে টুনা মাছ বিক্রি করে যে আয় হয়, তা প্রায় পুরোপুরি জ্বালানি ব্যয়েই শেষ হয়ে যাচ্ছে।

Lost” Winter Bonito: A New Delicacy of Japanese Cuisine | Nippon.com

মাছ ধরার অভিযান কমে যাচ্ছে

চিবা প্রদেশের কাটসুরার এক মৎস্য কর্মকর্তা বলেন, কাতসুও বা বনিটো মাছ ধরার নৌকাগুলোকে অনেক সময় কয়েকদিন ধরে সমুদ্রে ঘুরে মাছের খোঁজ করতে হয়। কিন্তু জ্বালানির উচ্চমূল্যের কারণে অনেক নৌকাই এখন আগেভাগে ফিরে আসছে।

টোপের সংকটেও বাধা

কাগোশিমা শহরে বনিটো মাছ ধরার নৌকাগুলো কখনও কখনও সমুদ্রে যেতেই পারছে না, কারণ টোপের সংকট দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় জাপানি অ্যাঙ্কোভি ধরার নৌকাগুলো, যেগুলো সাধারণত টোপ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, সেগুলোও তীরে আটকে আছে।

বিভিন্ন খাতে ব্যয়ের চাপ

Damage on the Fishing Industry on Japan

শিজুওকা প্রদেশের আতামি শহরের এক জেলে জানান, ম্যাকারেলসহ বিভিন্ন মাছ ধরার ক্ষেত্রে তারও খরচ বেড়েছে। মাছ পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত স্টাইরোফোম বাক্সের দাম বাড়ছে, পাশাপাশি তেলভিত্তিক জাহাজের রং সংগ্রহ করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।

মূল্য বাড়ালেও ভোক্তার ওপর চাপ দেওয়া কঠিন

মাছের সরবরাহ ব্যবস্থা অন্যান্য খাদ্যের তুলনায় বেশি জটিল হওয়ায় বাড়তি খরচ সরাসরি ভোক্তার ওপর চাপানো সহজ নয়। ফলে মৎস্যজীবীরা আর্থিক সংকটে পড়ছেন।

জরুরি সহায়তার দাবি

এই পরিস্থিতিতে জাপানের মৎস্য খাতের সংগঠনগুলো সরকারকে জরুরি সহায়তা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে, যাতে এই সংকট মোকাবিলা করে টিকে থাকা যায়।