রোববার মধ্যরাত থেকে দেশে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের গেজেট বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ডিজেলের দাম লিটারে ১৫ টাকা বেড়ে ১১৫ টাকা, অকটেন ২০ টাকা বেড়ে ১৪০ টাকা, পেট্রল ১৯ টাকা বেড়ে ১৩৫ টাকা এবং কেরোসিন ১৮ টাকা বেড়ে ১৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দর কার্যকর হয়েছে ১৯ এপ্রিল রোববার রাত ১২টা থেকে।
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধই মূল কারণ
সরকার জানিয়েছে, ইরানের সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরুর পর থেকে হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে দাম ব্যাপকভাবে বেড়েছে। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনকে অতিরিক্ত খরচে বিকল্প উৎস থেকে তেল আমদানি করতে হচ্ছে। জ্বালানি বিভাগের মুখপাত্র মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম একদিনের মধ্যেও ওঠানামা করছে, ফলে স্থিতিশীল মূল্য বজায় রাখা আর সম্ভব হচ্ছিল না।

বিরোধীদের সমালোচনা ও সাধারণ মানুষের উদ্বেগ
জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান ফেসবুকে এক পোস্টে মূল্যবৃদ্ধিকে “অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক” বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, বৈশ্বিক বাজারে দাম কমছে, অথচ বাংলাদেশে বাড়ানো হচ্ছে। পরিবহন শ্রমিক, কৃষক এবং দৈনন্দিন জীবনযাপনে জ্বালানির উপর নির্ভরশীল কোটি মানুষের জন্য এই মূল্যবৃদ্ধি সরাসরি আঘাত হানবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে বেশ কিছু পেট্রলপাম্পে পণ্য না থাকায় দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। কর্তৃপক্ষ বলছে, মজুত যথেষ্ট আছে এবং আতঙ্কিত হয়ে কেনাকাটা না করার অনুরোধ জানিয়েছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 

















