১২:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬
হরমুজ বন্ধে জাপানে আসছে রাশিয়ার তেলের ট্যাংকার পুলিশ নেতৃত্বে বড় রদবদল, ১৬ ডিআইজি সহ ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে ৮ মাস পরে এপ্রিলে রফতানি কিছুটা বাড়লো ২৯ হাজার ফুটে বই পড়া—একজন নারী পাইলটের সহজ-সরল দিনের গল্প খিলক্ষেতে ফ্ল্যাটে একা থাকা বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার, মৃত্যুর কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার মামলার আসামি কি যুবদল নেতা? সবুজ নীতির নামে কাদের ওপর চাপ? নান্দাইলে পানির নীচে বোরো, কৃষকের চোখের পানি শুকিয়ে গেছে ১৭৭ দিন মৃত্যুফাঁদে বন্দি: স্ত্রীর কণ্ঠই ছিল ইউক্রেনীয় সৈনিকের বেঁচে থাকার ভরসা ভোটাধিকার আইন: সুরক্ষার সীমা কোথায়, সমতার প্রশ্ন কোথায়

ব্যাংক রেজোলিউশন আইন ২০২৬ পাস, সাবেক মালিকদের সহজে ব্যাংক নিয়ন্ত্রণে ফেরার সুযোগ

সংসদে সম্প্রতি পাস হওয়া ব্যাংক রেজোলিউশন আইন, ২০২৬ নিয়ে আর্থিক খাতে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই আইনে একীভূত বা পুনর্গঠিত ব্যাংকে সাবেক মালিকদের তুলনামূলক সহজ শর্তে নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। সমালোচকদের মতে, এটি অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে নেওয়া ব্যাংকিং সংস্কার উদ্যোগের পরিপন্থি।

কেন এটি সংস্কারের বিরুদ্ধে বলছেন বিশেষজ্ঞরা

গত কয়েক বছরে বেশ কিছু বেসরকারি ব্যাংকে অনিয়ম, ঋণ কেলেঙ্কারি ও মন্দ ঋণের কারণে ব্যাংকিং খাত টলমলে হয়ে পড়েছিল। সংস্কারের অংশ হিসেবে বেশ কিছু ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ পরিবর্তন ও একীভূতকরণ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। নতুন আইনের ফলে ওই মালিকরা আবার নিয়ন্ত্রণ নিতে পারবেন এমন আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আমানতকারীদের অর্থের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগও বাড়ছে।

ব্যাংক রেজোল্যুশন আইন পাস, পুরোনো মালিকদের ফেরার সুযোগ

সরকারের অবস্থান

সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, এই আইনটি ব্যাংকিং খাতে স্থিতিশীলতা আনার জন্য প্রয়োজনীয় একটি কাঠামোগত পদক্ষেপ। একীভূত ব্যাংকের দায়দেনা মেটানো ও পরিচালনার জন্য একটি সুনির্দিষ্ট আইনি কাঠামো দরকার ছিল বলে মনে করছেন কেউ কেউ। তবে নাগরিক সমাজ ও ব্যাংক গ্রাহকরা এই আইনের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিয়ে সতর্কতার সঙ্গে নজর রাখছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ বন্ধে জাপানে আসছে রাশিয়ার তেলের ট্যাংকার

ব্যাংক রেজোলিউশন আইন ২০২৬ পাস, সাবেক মালিকদের সহজে ব্যাংক নিয়ন্ত্রণে ফেরার সুযোগ

০৩:৩০:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

সংসদে সম্প্রতি পাস হওয়া ব্যাংক রেজোলিউশন আইন, ২০২৬ নিয়ে আর্থিক খাতে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই আইনে একীভূত বা পুনর্গঠিত ব্যাংকে সাবেক মালিকদের তুলনামূলক সহজ শর্তে নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। সমালোচকদের মতে, এটি অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে নেওয়া ব্যাংকিং সংস্কার উদ্যোগের পরিপন্থি।

কেন এটি সংস্কারের বিরুদ্ধে বলছেন বিশেষজ্ঞরা

গত কয়েক বছরে বেশ কিছু বেসরকারি ব্যাংকে অনিয়ম, ঋণ কেলেঙ্কারি ও মন্দ ঋণের কারণে ব্যাংকিং খাত টলমলে হয়ে পড়েছিল। সংস্কারের অংশ হিসেবে বেশ কিছু ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ পরিবর্তন ও একীভূতকরণ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। নতুন আইনের ফলে ওই মালিকরা আবার নিয়ন্ত্রণ নিতে পারবেন এমন আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আমানতকারীদের অর্থের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগও বাড়ছে।

ব্যাংক রেজোল্যুশন আইন পাস, পুরোনো মালিকদের ফেরার সুযোগ

সরকারের অবস্থান

সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, এই আইনটি ব্যাংকিং খাতে স্থিতিশীলতা আনার জন্য প্রয়োজনীয় একটি কাঠামোগত পদক্ষেপ। একীভূত ব্যাংকের দায়দেনা মেটানো ও পরিচালনার জন্য একটি সুনির্দিষ্ট আইনি কাঠামো দরকার ছিল বলে মনে করছেন কেউ কেউ। তবে নাগরিক সমাজ ও ব্যাংক গ্রাহকরা এই আইনের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিয়ে সতর্কতার সঙ্গে নজর রাখছেন।