বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের প্রকৌশলীরা অঞ্চলের প্রযুক্তিগত, অবকাঠামোগত ও টেকসই উন্নয়নসংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পেশাগত সম্পর্ক আরও জোরদারের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। দুই দেশের প্রকৌশল সংস্থাগুলোর মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা বাড়ালে উদ্ভাবন ও দক্ষতা উন্নয়নে বড় ধরনের অগ্রগতি সম্ভব বলে তারা মনে করছেন।
যৌথ বৈঠকে সহযোগিতার নতুন দিক
রবিবার ঢাকায় ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ-এর সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এই আহ্বান জানানো হয়। বৈঠকে পাকিস্তানের প্রকৌশল সংস্থা ও প্রকৌশল কাউন্সিলের প্রতিনিধিরাও অংশ নেন। এতে দুই দেশের মধ্যে পেশাগত সহযোগিতা জোরদার এবং আঞ্চলিক সম্পৃক্ততা বাড়ানোর নতুন উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশের সভাপতি মোহাম্মদ রিয়াজুল ইসলাম (রেজু)। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে পাকিস্তানের প্রকৌশল সংস্থার সভাপতি এবং প্রকৌশল কাউন্সিলের শীর্ষ প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।
প্রযুক্তিগত সহযোগিতা ও জ্ঞান বিনিময়
বৈঠকে প্রযুক্তিগত সহযোগিতা, প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় এবং জ্ঞান বিনিময়ের সুযোগ বাড়ানোর বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। বিশেষ করে পেশাগত মানোন্নয়ন এবং প্রকৌশলভিত্তিক উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করার বিষয়টি গুরুত্ব পায়।
অংশগ্রহণকারীরা মনে করেন, প্রকৌশল সংস্থাগুলোর মধ্যে শক্তিশালী সহযোগিতা গড়ে উঠলে অবকাঠামো, জ্বালানি এবং ডিজিটাল রূপান্তরের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে উদ্ভাবন বাড়বে এবং আঞ্চলিক সক্ষমতা উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।
নেতাদের মতামত
সভায় বক্তারা বলেন, পারস্পরিক সহযোগিতা ও পেশাগত সম্পৃক্ততার মাধ্যমে প্রকৌশল খাতে উৎকর্ষ অর্জনের একটি যৌথ অঙ্গীকার প্রতিফলিত হয়েছে এই উদ্যোগে। তারা আরও উল্লেখ করেন, দুই দেশের সংস্থাগুলোর মধ্যে ধারাবাহিক সম্পর্ক বজায় থাকলে পেশাগত দক্ষতা বাড়বে এবং উদ্ভাবনভিত্তিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।
এছাড়া, আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখা এবং প্রকৌশলীদের ধারাবাহিক পেশাগত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে শক্তিশালী নিয়ন্ত্রক ও পেশাগত সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরা হয়।

যৌথ কর্মসূচি ও তরুণ প্রকৌশলীদের অগ্রাধিকার
বৈঠকে যৌথ সেমিনার, কর্মশালা, প্রশিক্ষণ কর্মসূচি এবং গবেষণা উদ্যোগ আয়োজনের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে প্রকৌশল জ্ঞান ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বিস্তৃত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয় তরুণ প্রকৌশলী ও কর্মজীবনের শুরুতে থাকা পেশাজীবীদের ওপর। তাদের জন্য আঞ্চলিক জ্ঞান বিনিময় প্ল্যাটফর্ম এবং আন্তর্জাতিক মানের অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ তৈরি করার বিষয়টি গুরুত্ব পায়।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















