হরমুজ প্রণালির অচলাবস্থায় বৈশ্বিক তেলের বাজারে টানা ঊর্ধ্বমুখী চাপ অব্যাহত। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুড এখন ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৯৫ ডলারে উঠেছে, যা গত ২৮ ফেব্রুয়ারি — যেদিন ইরানে হামলা শুরু হয়েছিল — তার চেয়ে ৩০ শতাংশেরও বেশি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চুক্তি হলেও পুরোনো মাত্রায় ফিরতে মাসের পর মাস লাগতে পারে।

বাংলাদেশের পাকেট কতটা পুড়ছে
হরমুজ দিয়েই বাংলাদেশ আমদানি করা এলপিজি ও তেলের সিংহভাগ আসে। জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিতে পরিবহন খরচ থেকে শুরু করে কৃষি উপকরণ পর্যন্ত সব কিছুতে প্রভাব পড়ছে। আইএমএফ পূর্বাভাস দিয়েছে, সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে মূল্যস্ফীতি আরও বাড়বে।
বাজার বিশ্লেষকদের সতর্কবার্তা
কমোডিটি কনটেক্সটের রোরি জনস্টন বলেছেন, “হরমুজ থেকে এখন পর্যন্ত প্রতিদিন প্রায় ১৩ মিলিয়ন ব্যারেলের সমতুল্য তেল সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।” এমনকি চুক্তি হলেও সেই ঘাটতি পূরণে মাসের পর মাস সময় লেগে যাবে।
-20260421122027.jpg)
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















