০৮:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
পাবনায় স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা, যুবদল নেতা সিরাজগঞ্জে গ্রেফতার সোনালি ভিসায় বদলে যাচ্ছে প্রবাসজীবন, সংযুক্ত আরব আমিরাতে দীর্ঘমেয়াদি ভবিষ্যৎ গড়ছেন বাসিন্দারা সৌদিতে দুপুরের রোদে কাজ নিষিদ্ধ: ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বেসরকারি খাতে নতুন নির্দেশনা ইসলামী ব্যাংকে আসছে নতুন স্বাধীন পরিচালনা পর্ষদ, ফিরছে আমানতকারীদের আস্থা কিয়ার স্টারমারের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষেধাজ্ঞা: শিশুদের সুরক্ষা নাকি বড়দের জন্যও সতর্কবার্তা? বাংলাদেশি পণ্যের জন্য বিশ্ববাজারে নতুন দুয়ার, সরাসরি অনলাইন রপ্তানির সুযোগ সহজ করল কেন্দ্রীয় ব্যাংক সরকারি নতুন পাটকল নয়, বেসরকারি ব্যবস্থাপনাতেই পুনরুজ্জীবনের পথে পাটশিল্প যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি চুক্তি ঘিরে মোদি সরকারকে নিশানা কংগ্রেসের, ভারতের কূটনৈতিক ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ঢাকার বাইরে যাচ্ছে তিন প্রধান বাস টার্মিনাল, যানজট কমাতে নতুন পরিকল্পনা হরমুজ প্রণালি খুলতে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা, শান্তি চুক্তির আগে রয়ে গেছে বড় শর্ত

উপদেষ্টাকে দিল্লি বিমানবন্দরে আটকে রাখার ঘটনায় সংসদে ক্ষোভ, মন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দাবি

ভারতের দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টাকে কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষায় রাখার এবং পরবর্তীতে দেশে ফিরে আসার ঘটনাকে কেন্দ্র করে জাতীয় সংসদে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ঢাকা-১২ আসনের সংসদ সদস্য মো. সাইফুল আলম খান মিলন। তিনি বিষয়টিকে জাতীয় মর্যাদা ও কূটনৈতিক সম্পর্কের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি স্পর্শকাতর ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করার আহ্বান জানিয়েছেন।

সোমবার জাতীয় সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে তিনি এ বিষয়ে বক্তব্য দেন। এর আগে রোববার দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ঘটে যাওয়া ঘটনাটি নিয়ে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়।

জাতীয় মর্যাদার প্রশ্ন তুললেন সংসদ সদস্য

সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন বলেন, প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক চিঠিপত্র থাকা সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টাকে বিমানবন্দরে প্রায় দুই ঘণ্টা বসিয়ে রাখা হয়েছে। পরে ভারতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হলেও তিনি অপমানবোধ থেকে সফর বাতিল করে দেশে ফিরে আসেন।

তিনি প্রশ্ন তোলেন, এমন পরিস্থিতির পেছনে বাংলাদেশের কোনো কূটনৈতিক ব্যর্থতা ছিল কি না এবং এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি বিষয়টির পূর্ণ ব্যাখ্যা সংসদের সামনে তুলে ধরার দাবি জানান।

মন্ত্রীর বক্তব্য চাইলেন

সংসদ সদস্যের মতে, ঘটনাটি শুধু একজন ব্যক্তিকে ঘিরে নয়; এটি দেশের মর্যাদা ও কূটনৈতিক সম্পর্কের সঙ্গে জড়িত। সে কারণে তিনি সংসদের ৩০০ বিধির আওতায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর পক্ষ থেকে একটি আনুষ্ঠানিক ও সুস্পষ্ট বিবৃতি দেওয়ার দাবি জানান।

তার বক্তব্যে উঠে আসে, এমন সংবেদনশীল বিষয়ে সংসদ ও জনগণকে অবহিত করা প্রয়োজন, যাতে ঘটনার প্রকৃত অবস্থা এবং সরকারের করণীয় সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যায়।

স্পিকারের পর্যবেক্ষণ

তবে স্পিকার বিষয়টি পয়েন্ট অব অর্ডার হিসেবে গ্রহণ করেননি। তিনি বলেন, উত্থাপিত বিষয়টি সংসদীয় কার্যপ্রণালীর দৃষ্টিতে পয়েন্ট অব অর্ডারের আওতায় পড়ে না। তবে এ বিষয়ে সংসদ সদস্য চাইলে পরে একটি আনুষ্ঠানিক নোটিশ দিতে পারেন। সে ক্ষেত্রে নিয়ম অনুযায়ী বিষয়টি বিবেচনার সুযোগ থাকবে।

এর ফলে সংসদে তাৎক্ষণিক কোনো আলোচনা বা মন্ত্রীর বক্তব্যের সুযোগ সৃষ্টি না হলেও বিষয়টি ভবিষ্যতে সংসদীয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উত্থাপনের পথ খোলা রয়েছে।

ঘটনাটি নিয়ে সংসদে যে প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে, তা বাংলাদেশ-ভারত কূটনৈতিক সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে বিষয়টির গুরুত্বকে নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে। এখন সরকারের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া বা পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে নজর রয়েছে সংশ্লিষ্ট মহলের।

জনপ্রিয় সংবাদ

পাবনায় স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা, যুবদল নেতা সিরাজগঞ্জে গ্রেফতার

উপদেষ্টাকে দিল্লি বিমানবন্দরে আটকে রাখার ঘটনায় সংসদে ক্ষোভ, মন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দাবি

০৭:০৮:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

ভারতের দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টাকে কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষায় রাখার এবং পরবর্তীতে দেশে ফিরে আসার ঘটনাকে কেন্দ্র করে জাতীয় সংসদে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ঢাকা-১২ আসনের সংসদ সদস্য মো. সাইফুল আলম খান মিলন। তিনি বিষয়টিকে জাতীয় মর্যাদা ও কূটনৈতিক সম্পর্কের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি স্পর্শকাতর ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করার আহ্বান জানিয়েছেন।

সোমবার জাতীয় সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে তিনি এ বিষয়ে বক্তব্য দেন। এর আগে রোববার দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ঘটে যাওয়া ঘটনাটি নিয়ে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়।

জাতীয় মর্যাদার প্রশ্ন তুললেন সংসদ সদস্য

সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন বলেন, প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক চিঠিপত্র থাকা সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টাকে বিমানবন্দরে প্রায় দুই ঘণ্টা বসিয়ে রাখা হয়েছে। পরে ভারতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হলেও তিনি অপমানবোধ থেকে সফর বাতিল করে দেশে ফিরে আসেন।

তিনি প্রশ্ন তোলেন, এমন পরিস্থিতির পেছনে বাংলাদেশের কোনো কূটনৈতিক ব্যর্থতা ছিল কি না এবং এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি বিষয়টির পূর্ণ ব্যাখ্যা সংসদের সামনে তুলে ধরার দাবি জানান।

মন্ত্রীর বক্তব্য চাইলেন

সংসদ সদস্যের মতে, ঘটনাটি শুধু একজন ব্যক্তিকে ঘিরে নয়; এটি দেশের মর্যাদা ও কূটনৈতিক সম্পর্কের সঙ্গে জড়িত। সে কারণে তিনি সংসদের ৩০০ বিধির আওতায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর পক্ষ থেকে একটি আনুষ্ঠানিক ও সুস্পষ্ট বিবৃতি দেওয়ার দাবি জানান।

তার বক্তব্যে উঠে আসে, এমন সংবেদনশীল বিষয়ে সংসদ ও জনগণকে অবহিত করা প্রয়োজন, যাতে ঘটনার প্রকৃত অবস্থা এবং সরকারের করণীয় সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যায়।

স্পিকারের পর্যবেক্ষণ

তবে স্পিকার বিষয়টি পয়েন্ট অব অর্ডার হিসেবে গ্রহণ করেননি। তিনি বলেন, উত্থাপিত বিষয়টি সংসদীয় কার্যপ্রণালীর দৃষ্টিতে পয়েন্ট অব অর্ডারের আওতায় পড়ে না। তবে এ বিষয়ে সংসদ সদস্য চাইলে পরে একটি আনুষ্ঠানিক নোটিশ দিতে পারেন। সে ক্ষেত্রে নিয়ম অনুযায়ী বিষয়টি বিবেচনার সুযোগ থাকবে।

এর ফলে সংসদে তাৎক্ষণিক কোনো আলোচনা বা মন্ত্রীর বক্তব্যের সুযোগ সৃষ্টি না হলেও বিষয়টি ভবিষ্যতে সংসদীয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উত্থাপনের পথ খোলা রয়েছে।

ঘটনাটি নিয়ে সংসদে যে প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে, তা বাংলাদেশ-ভারত কূটনৈতিক সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে বিষয়টির গুরুত্বকে নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে। এখন সরকারের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া বা পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে নজর রয়েছে সংশ্লিষ্ট মহলের।