১২:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা সূচকে তিন ধাপ নামল বাংলাদেশ, অবস্থান এখন ১৫২তম

২০২৬ সালের বিশ্ব সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা সূচকে বাংলাদেশ তিন ধাপ নেমে ১৮০টি দেশের মধ্যে ১৫২তম অবস্থানে নেমে এসেছে। রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্স প্রকাশিত এই সূচকে বাংলাদেশকে “অত্যন্ত গুরুতর” বিভাগে রাখা হয়েছে। ২০২৫ সালে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৪৯তম। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনার পতনের পর গণমাধ্যম স্বাধীনতার প্রত্যাশা তৈরি হলেও বাস্তবে নতুনভাবে দমন-পীড়নের শিকার হয়েছেন সাংবাদিকরা।

কী কারণে অবনমন

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সূচকে তিন ধাপ অবনতি বাংলাদেশের

প্রতিবেদনে সমালোচনামূলক সাংবাদিকতার প্রতি সহনশীলতার তীব্র হ্রাস, রাজনৈতিক অভিনেতাদের চাপ এবং মিডিয়া জবাবদিহিতায় দুর্বল সমর্থনকে মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। কিছু সংবাদমাধ্যম ও সাংবাদিককে “ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের সহযোগী” তকমা দিয়ে হেনস্তা করা হচ্ছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সাইবার নিরাপত্তা আইনের অপব্যবহার এখনো সাংবাদিকদের ঝুঁকিতে রাখছে।

অর্থনৈতিক প্রভাবও উল্লেখ

প্রতিবেদনটি ঐতিহাসিক তথ্যের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেছে, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতায় আঘাত আসলে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ১ থেকে ২ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে। বিনিয়োগকারীরা মুক্ত তথ্য প্রবাহকে স্থিতিশীলতার নির্দেশক হিসেবে দেখেন এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সংকুচিত হলে বিদেশি বিনিয়োগেও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় পিছিয়েছে বাংলাদেশ, নতুন সূচকে ১৫২তম | বাংলাদেশ |  Citizens Voice

 

জনপ্রিয় সংবাদ

সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা সূচকে তিন ধাপ নামল বাংলাদেশ, অবস্থান এখন ১৫২তম

০৩:২৪:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬

২০২৬ সালের বিশ্ব সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা সূচকে বাংলাদেশ তিন ধাপ নেমে ১৮০টি দেশের মধ্যে ১৫২তম অবস্থানে নেমে এসেছে। রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্স প্রকাশিত এই সূচকে বাংলাদেশকে “অত্যন্ত গুরুতর” বিভাগে রাখা হয়েছে। ২০২৫ সালে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৪৯তম। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনার পতনের পর গণমাধ্যম স্বাধীনতার প্রত্যাশা তৈরি হলেও বাস্তবে নতুনভাবে দমন-পীড়নের শিকার হয়েছেন সাংবাদিকরা।

কী কারণে অবনমন

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সূচকে তিন ধাপ অবনতি বাংলাদেশের

প্রতিবেদনে সমালোচনামূলক সাংবাদিকতার প্রতি সহনশীলতার তীব্র হ্রাস, রাজনৈতিক অভিনেতাদের চাপ এবং মিডিয়া জবাবদিহিতায় দুর্বল সমর্থনকে মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। কিছু সংবাদমাধ্যম ও সাংবাদিককে “ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের সহযোগী” তকমা দিয়ে হেনস্তা করা হচ্ছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সাইবার নিরাপত্তা আইনের অপব্যবহার এখনো সাংবাদিকদের ঝুঁকিতে রাখছে।

অর্থনৈতিক প্রভাবও উল্লেখ

প্রতিবেদনটি ঐতিহাসিক তথ্যের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেছে, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতায় আঘাত আসলে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ১ থেকে ২ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে। বিনিয়োগকারীরা মুক্ত তথ্য প্রবাহকে স্থিতিশীলতার নির্দেশক হিসেবে দেখেন এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সংকুচিত হলে বিদেশি বিনিয়োগেও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় পিছিয়েছে বাংলাদেশ, নতুন সূচকে ১৫২তম | বাংলাদেশ |  Citizens Voice