ইরান-মার্কিন সমঝোতার সম্ভাবনায় বৈশ্বিক শেয়ারবাজারে বড় উত্থান দেখা গেছে এবং তেলের দাম একদিনে ৭ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে। নিউ ইয়র্কের এসঅ্যান্ডপি ৫০০ সূচক ১.৫ শতাংশ এবং নাসডাক ২ শতাংশ বেড়ে রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। মার্কিন অশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৯৫ ডলারে এবং ব্রেন্ট ক্রুড ১০১ ডলারে নেমে এসেছে, যদিও বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত দাম এখনও ৬৫ শতাংশ বেশি।

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কী প্রভাব পড়বে
তেলের দাম কমা এবং হরমুজ প্রণালি খোলার সম্ভাবনা বাংলাদেশের জন্য একাধিক সুখবর একসাথে নিয়ে আসছে। প্রথমত, জ্বালানি আমদানি ব্যয় কমবে এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে চাপ কমবে। দ্বিতীয়ত, এলএনজির স্পট মূল্য কমলে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়বে ও লোডশেডিং কমবে। তৃতীয়ত, সার কারখানাগুলো পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন শুরু করতে পারবে, যা কৃষি খাতে স্বস্তি দেবে।
সতর্কতাও আছে
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, এই মুহূর্তে সমঝোতা চূড়ান্ত হয়নি এবং অতীতেও একাধিকবার আলোচনা শেষ মুহূর্তে ভেঙে পড়েছে। তাই আনন্দিত হওয়ার আগে বাংলাদেশকে নজর রাখতে হবে পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টায় কী ঘটে। দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি বৈচিত্র্য ও নবায়নযোগ্য শক্তিতে বিনিয়োগ না বাড়ালে এই ধরনের ধাক্কা বারবার আসবে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















