১১:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

ইরান-মার্কিন সমঝোতার পথে: এক পাতার স্মারক ও ৩০ দিনের আলোচনার কাঠামো

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি এক পাতার সমঝোতা স্মারকের ভিত্তিতে যুদ্ধ সমাপ্তির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বলে বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছে। প্রস্তাবিত এই কাঠামোতে যুদ্ধ আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ করার ঘোষণার পর ৩০ দিনের মধ্যে পারমাণবিক কার্যক্রম, জব্দ সম্পদ মুক্তি এবং হরমুজ প্রণালির ভবিষ্যৎ ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা শুরু হবে। তেহরান আজকের মধ্যে পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীদের কাছে তাদের অবস্থান জানাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এক পাতার স্মারকে কী আছে

সূত্রমতে, স্মারকটিতে মূলত তিনটি বিষয় থাকবে: প্রথমত, উভয় পক্ষের সক্রিয় সামরিক অভিযান স্থগিত; দ্বিতীয়ত, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের নিরাপদ করিডোর নিশ্চিত করা এবং তৃতীয়ত, ৩০ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ শান্তি চুক্তির রূপরেখা তৈরির জন্য আলোচনা শুরু করা। পারমাণবিক ইউরেনিয়াম মজুতের বিষয়টি এই ৩০ দিনের আলোচনায় নিষ্পত্তি হবে বলে ধরা হচ্ছে।

বাধাগুলো এখনো বড়

ইরানের কট্টরপন্থিরা এই প্রস্তাবকে জাতীয় সার্বভৌমত্বের সাথে আপোষ বলে মনে করছেন। ইরানের সংসদের স্পিকার বলেছেন, “আমেরিকা অর্থনৈতিক চাপ দিয়ে ইরানকে ভাঙতে চাইছে।” অন্যদিকে মধ্যপন্থীরা বলছেন, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে ইরানের আরও বেশি ক্ষতি হবে। এই দ্বন্দ্বই এখন তেহরানের সিদ্ধান্তকে জটিল করে তুলছে।

US, Iran reportedly getting close to a framework deal to end the war |  investingLive

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান-মার্কিন সমঝোতার পথে: এক পাতার স্মারক ও ৩০ দিনের আলোচনার কাঠামো

০৪:০২:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি এক পাতার সমঝোতা স্মারকের ভিত্তিতে যুদ্ধ সমাপ্তির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বলে বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছে। প্রস্তাবিত এই কাঠামোতে যুদ্ধ আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ করার ঘোষণার পর ৩০ দিনের মধ্যে পারমাণবিক কার্যক্রম, জব্দ সম্পদ মুক্তি এবং হরমুজ প্রণালির ভবিষ্যৎ ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা শুরু হবে। তেহরান আজকের মধ্যে পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীদের কাছে তাদের অবস্থান জানাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এক পাতার স্মারকে কী আছে

সূত্রমতে, স্মারকটিতে মূলত তিনটি বিষয় থাকবে: প্রথমত, উভয় পক্ষের সক্রিয় সামরিক অভিযান স্থগিত; দ্বিতীয়ত, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের নিরাপদ করিডোর নিশ্চিত করা এবং তৃতীয়ত, ৩০ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ শান্তি চুক্তির রূপরেখা তৈরির জন্য আলোচনা শুরু করা। পারমাণবিক ইউরেনিয়াম মজুতের বিষয়টি এই ৩০ দিনের আলোচনায় নিষ্পত্তি হবে বলে ধরা হচ্ছে।

বাধাগুলো এখনো বড়

ইরানের কট্টরপন্থিরা এই প্রস্তাবকে জাতীয় সার্বভৌমত্বের সাথে আপোষ বলে মনে করছেন। ইরানের সংসদের স্পিকার বলেছেন, “আমেরিকা অর্থনৈতিক চাপ দিয়ে ইরানকে ভাঙতে চাইছে।” অন্যদিকে মধ্যপন্থীরা বলছেন, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে ইরানের আরও বেশি ক্ষতি হবে। এই দ্বন্দ্বই এখন তেহরানের সিদ্ধান্তকে জটিল করে তুলছে।

US, Iran reportedly getting close to a framework deal to end the war |  investingLive