ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) নৌবাহিনী জানিয়েছে, “নতুন পদ্ধতি ও প্রোটোকল” মেনে চললে হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ যাতায়াত এখন সম্ভব। এই বিবৃতিকে কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা ইরানের কিছুটা নরম হওয়ার ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন। তবে বাস্তবে প্রণালিতে এখনও প্রায় ১,৬০০টি বাণিজ্যিক জাহাজ আটকে আছে এবং বিমা কোম্পানিগুলো যুদ্ধকালীন ধারা প্রয়োগ করে ক্ষতিপূরণ দিতে অস্বীকার করায় কোম্পানিগুলো ঝুঁকি নিতে সাহসী হচ্ছে না।

প্রণালিতে কী পরিস্থিতি
মঙ্গলবার মাত্র একটি এবং বুধবার শূন্য জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে বলে এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল মার্কেট ইন্টেলিজেন্স জানিয়েছে। স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন কয়েক শত জাহাজ এই পথে যাতায়াত করে এবং বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের ২০ শতাংশেরও বেশি এই পথে পরিবাহিত হয়। মার্কিন বাহিনী “প্রজেক্ট ফ্রিডম” নামে জাহাজ পথ দেখানোর অভিযান মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মাথায় বাতিল করেছে।
বাংলাদেশের জাহাজ কি আটকা পড়েছে
সূত্র জানাচ্ছে, বাংলাদেশে পণ্য নিয়ে আসা বেশ কয়েকটি কার্গো জাহাজ হরমুজ পরিস্থিতির কারণে বিকল্প দীর্ঘ পথ বেছে নিতে বাধ্য হয়েছে, যা পরিবহন সময় ও ব্যয় দুটোই বাড়িয়ে দিয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার জট এবং লাইটারেজ অপারেশনেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















