০৯:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬

শেরপুরে বাসের ধাক্কায় ট্রাক্টরচালক নিহত

শেরপুরে বাসের ধাক্কায় ট্রাক্টরচালক নিহত, গুরুতর আহত যাত্রী

শেরপুরের নকলায় বাসের ধাক্কায় এক ট্রাক্টরচালক নিহত হয়েছেন। শনিবার সকালে ঢাকা-শেরপুর মহাসড়কের জলালপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির নাম আবুল হাসেম। তার বয়স ৪০ বছর। তিনি নকলার গৌড়দ্বার ইউনিয়নের দড়িতেঘরি এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি যাত্রীবাহী বাস শেরপুরের দিকে যাচ্ছিল। পথে জলালপুর এলাকায় বাসটি পেছন দিক থেকে একটি মাহিন্দ্রা ট্রাক্টরকে ধাক্কা দেয়। এতে ট্রাক্টরচালক আবুল হাসেম ঘটনাস্থলেই মারা যান। দুর্ঘটনায় আরও একজন যাত্রী গুরুতর আহত হন। তাকে প্রথমে নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

পেছন থেকে ধাক্কা, সামনে প্রশ্ন

সড়ক দুর্ঘটনায় পেছন থেকে ধাক্কার ঘটনা প্রায়ই চালকের অসতর্কতা, অতিরিক্ত গতি, দূরত্ব না রাখা বা ওভারটেকিংয়ের চেষ্টার সঙ্গে যুক্ত থাকে। যদিও এই ঘটনার নির্দিষ্ট কারণ তদন্তে জানা যাবে, তবু এমন দুর্ঘটনা মহাসড়কে ভারী যানবাহন ও ধীরগতির যানবাহনের সহাবস্থানের ঝুঁকি সামনে আনে।

ঢাকা-শেরপুর মহাসড়কে বাস, ট্রাক, ট্রাক্টর, সিএনজি, অটোরিকশা ও স্থানীয় যানবাহন একসঙ্গে চলাচল করে। অনেক সময় দ্রুতগতির বাসের সঙ্গে ধীরগতির কৃষি বা স্থানীয় যানবাহনের সংঘর্ষ মারাত্মক রূপ নেয়। আবুল হাসেমের মৃত্যু সেই ঝুঁকির আরেকটি উদাহরণ।

জীবিকার পথে মৃত্যু

আবুল হাসেম পেশায় ট্রাক্টরচালক ছিলেন। তার মতো অনেক মানুষ প্রতিদিন জীবিকার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ সড়কে নামেন। দুর্ঘটনার খবরের ভেতরে তাই শুধু একটি সংখ্যা নয়, একটি পরিবারের উপার্জনক্ষম মানুষ হারানোর বাস্তবতাও থাকে।

স্থানীয়দের মতে, মহাসড়কে ধীরগতির যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ, বাসের গতি পর্যবেক্ষণ, চালকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা এবং দুর্ঘটনাপ্রবণ স্থানে সতর্কতা জোরদার করা দরকার। প্রতিটি সড়ক দুর্ঘটনার পর একই প্রশ্ন ফিরে আসে—প্রাণহানি না ঘটলে কি সড়কে শৃঙ্খলার কথা মনে পড়ে না?

জনপ্রিয় সংবাদ

শেরপুরে বাসের ধাক্কায় ট্রাক্টরচালক নিহত

০৮:৩৬:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

শেরপুরে বাসের ধাক্কায় ট্রাক্টরচালক নিহত, গুরুতর আহত যাত্রী

শেরপুরের নকলায় বাসের ধাক্কায় এক ট্রাক্টরচালক নিহত হয়েছেন। শনিবার সকালে ঢাকা-শেরপুর মহাসড়কের জলালপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির নাম আবুল হাসেম। তার বয়স ৪০ বছর। তিনি নকলার গৌড়দ্বার ইউনিয়নের দড়িতেঘরি এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি যাত্রীবাহী বাস শেরপুরের দিকে যাচ্ছিল। পথে জলালপুর এলাকায় বাসটি পেছন দিক থেকে একটি মাহিন্দ্রা ট্রাক্টরকে ধাক্কা দেয়। এতে ট্রাক্টরচালক আবুল হাসেম ঘটনাস্থলেই মারা যান। দুর্ঘটনায় আরও একজন যাত্রী গুরুতর আহত হন। তাকে প্রথমে নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

পেছন থেকে ধাক্কা, সামনে প্রশ্ন

সড়ক দুর্ঘটনায় পেছন থেকে ধাক্কার ঘটনা প্রায়ই চালকের অসতর্কতা, অতিরিক্ত গতি, দূরত্ব না রাখা বা ওভারটেকিংয়ের চেষ্টার সঙ্গে যুক্ত থাকে। যদিও এই ঘটনার নির্দিষ্ট কারণ তদন্তে জানা যাবে, তবু এমন দুর্ঘটনা মহাসড়কে ভারী যানবাহন ও ধীরগতির যানবাহনের সহাবস্থানের ঝুঁকি সামনে আনে।

ঢাকা-শেরপুর মহাসড়কে বাস, ট্রাক, ট্রাক্টর, সিএনজি, অটোরিকশা ও স্থানীয় যানবাহন একসঙ্গে চলাচল করে। অনেক সময় দ্রুতগতির বাসের সঙ্গে ধীরগতির কৃষি বা স্থানীয় যানবাহনের সংঘর্ষ মারাত্মক রূপ নেয়। আবুল হাসেমের মৃত্যু সেই ঝুঁকির আরেকটি উদাহরণ।

জীবিকার পথে মৃত্যু

আবুল হাসেম পেশায় ট্রাক্টরচালক ছিলেন। তার মতো অনেক মানুষ প্রতিদিন জীবিকার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ সড়কে নামেন। দুর্ঘটনার খবরের ভেতরে তাই শুধু একটি সংখ্যা নয়, একটি পরিবারের উপার্জনক্ষম মানুষ হারানোর বাস্তবতাও থাকে।

স্থানীয়দের মতে, মহাসড়কে ধীরগতির যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ, বাসের গতি পর্যবেক্ষণ, চালকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা এবং দুর্ঘটনাপ্রবণ স্থানে সতর্কতা জোরদার করা দরকার। প্রতিটি সড়ক দুর্ঘটনার পর একই প্রশ্ন ফিরে আসে—প্রাণহানি না ঘটলে কি সড়কে শৃঙ্খলার কথা মনে পড়ে না?