০১:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অভিশংসন প্রক্রিয়ায় সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ কতটা সাংবিধানিক? কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নিরাপত্তা নিয়ে স্কটল্যান্ডে বড় বৈঠক, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোকে সতর্ক করলেন রাজা চার্লস ক্যানসার রোগীদের জীবনে বাড়তি সময়ের আশা, ইংল্যান্ডে NHS-এ মিলবে নতুন ওষুধ ব্রিটেনে ফিরেই নতুন সমীকরণে প্রিন্স হ্যারি, নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ—রাজপরিবারে মর্যাদা কতটা? সমুদ্রের তলায় প্রবালের বাগান, ২১ হাজারের বেশি প্রবাল বাঁচানোর লড়াই বিশ্ব রোগী নিরাপত্তা দিবস: জীবনভর নিরাপদ চিকিৎসা নিশ্চিত হোক ৬ লাখ ৫০ হাজার মানুষের শহর ছেড়ে ৪৬ জনের দ্বীপে, বদলে গেল এক দম্পতির জীবন জাপানের সামরিক ব্যয় বাড়ানোর পরিকল্পনা, বেইজিং নিরাপত্তা সম্মেলনে চীনের সতর্কবার্তা রুশ জ্বালানি কেনায় চীনের ওপর চাপ বাড়াল যুক্তরাষ্ট্র, পাল্টা অবস্থানে বেইজিং হালদওয়ানির ঘটনাই দেখাল, জাতিভিত্তিক অপমান ঠেকানোর আইনে কোথায় কাঠামোগত দুর্বলতা

নাহিদ রানার ঝড়ে আইসিসির মাসসেরা সম্মান বাংলাদেশের

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দুর্দান্ত বোলিং নৈপুণ্য দেখিয়ে ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসের জন্য আইসিসি পুরুষ ক্রিকেটার অব দ্য মান্থ নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশের তরুণ পেসার নাহিদ রানা। ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের পুরস্কার হিসেবে এই স্বীকৃতি পেলেন ডানহাতি এই গতিতারকা। এক বছর আগে মেহেদী হাসান মিরাজ এই পুরস্কার জয়ের পর এবার আবারও বাংলাদেশের কোনো ক্রিকেটার আইসিসির মাসসেরা সম্মান ঘরে তুললেন।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের একদিনের সিরিজে নাহিদ রানা নিয়েছিলেন আট উইকেট। পুরো সিরিজে তার গড় ছিল ১৬ দশমিক ৭৫ এবং ইকোনমি রেট ছিল ৪ দশমিক ৪৬। এর আগেও মার্চ মাসে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজে আট উইকেট নিয়ে আলোচনায় এসেছিলেন তিনি। টানা দুই সিরিজে ধারাবাহিক সাফল্য তাকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।

শুরুটা ছিল কিছুটা নিস্তেজ

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ম্যাচে খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি নাহিদ। সেই ম্যাচে তিনি একটি উইকেট পেলেও খরচ করেন ৬৫ রান। তবে পরের ম্যাচেই বদলে যায় দৃশ্যপট।

দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচে ক্যারিয়ারসেরা বোলিং করেন এই তরুণ পেসার। পাওয়ারপ্লেতে দ্রুত দুই উইকেট তুলে নিয়ে নিউজিল্যান্ডের শুরুর ব্যাটিং ধসিয়ে দেন তিনি। পরে আবারও আঘাত হেনে মধ্যক্রম গুঁড়িয়ে দেন। শেষ পর্যন্ত ৩২ রানে ৫ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা পারফরম্যান্স উপহার দেন নাহিদ। তার দাপুটে বোলিংয়ে নিউজিল্যান্ড অলআউট হয় ১৯৮ রানে।

আইসিসির মাসসেরা নাহিদ রানা

সিরিজ জয়ে বড় ভূমিকা

চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ম্যাচেও নিজের ধার বজায় রাখেন নাহিদ রানা। আরও দুই উইকেট নিয়ে দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন তিনি। তার ধারাবাহিক বোলিংয়ে ভর করে বাংলাদেশ ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জয় নিশ্চিত করে।

পুরো সিরিজে প্রতিপক্ষ ব্যাটারদের ওপর নিয়মিত চাপ সৃষ্টি করায় নাহিদকে সিরিজসেরার পুরস্কারও দেওয়া হয়। গতির সঙ্গে নিয়ন্ত্রিত লাইন ও লেংথ মিলিয়ে তিনি হয়ে উঠেছেন বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণের অন্যতম বড় ভরসা।

আইসিসির স্বীকৃতিতে উচ্ছ্বসিত নাহিদ

মাসসেরা ক্রিকেটারের পুরস্কার জয়ের পর নাহিদ রানা বলেন, নিউজিল্যান্ডের মতো বিশ্বমানের দলের বিপক্ষে ভালো পারফরম্যান্সের পর আইসিসির এই সম্মান পাওয়া তার জন্য বিশেষ অনুভূতির। তিনি এই সাফল্যের পেছনে সতীর্থদের সমর্থনের কথাও উল্লেখ করেন।

জাতীয় দলের হয়ে ভবিষ্যতেও ধারাবাহিকভাবে অবদান রাখার প্রত্যাশার কথাও জানান এই তরুণ পেসার। মাত্র ২৩ বছর বয়সে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তার এমন পারফরম্যান্স বাংলাদেশের ক্রিকেট সমর্থকদের মধ্যেও নতুন আশার সঞ্চার করেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

অভিশংসন প্রক্রিয়ায় সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ কতটা সাংবিধানিক?

নাহিদ রানার ঝড়ে আইসিসির মাসসেরা সম্মান বাংলাদেশের

০৬:০১:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দুর্দান্ত বোলিং নৈপুণ্য দেখিয়ে ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসের জন্য আইসিসি পুরুষ ক্রিকেটার অব দ্য মান্থ নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশের তরুণ পেসার নাহিদ রানা। ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের পুরস্কার হিসেবে এই স্বীকৃতি পেলেন ডানহাতি এই গতিতারকা। এক বছর আগে মেহেদী হাসান মিরাজ এই পুরস্কার জয়ের পর এবার আবারও বাংলাদেশের কোনো ক্রিকেটার আইসিসির মাসসেরা সম্মান ঘরে তুললেন।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের একদিনের সিরিজে নাহিদ রানা নিয়েছিলেন আট উইকেট। পুরো সিরিজে তার গড় ছিল ১৬ দশমিক ৭৫ এবং ইকোনমি রেট ছিল ৪ দশমিক ৪৬। এর আগেও মার্চ মাসে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজে আট উইকেট নিয়ে আলোচনায় এসেছিলেন তিনি। টানা দুই সিরিজে ধারাবাহিক সাফল্য তাকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।

শুরুটা ছিল কিছুটা নিস্তেজ

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ম্যাচে খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি নাহিদ। সেই ম্যাচে তিনি একটি উইকেট পেলেও খরচ করেন ৬৫ রান। তবে পরের ম্যাচেই বদলে যায় দৃশ্যপট।

দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচে ক্যারিয়ারসেরা বোলিং করেন এই তরুণ পেসার। পাওয়ারপ্লেতে দ্রুত দুই উইকেট তুলে নিয়ে নিউজিল্যান্ডের শুরুর ব্যাটিং ধসিয়ে দেন তিনি। পরে আবারও আঘাত হেনে মধ্যক্রম গুঁড়িয়ে দেন। শেষ পর্যন্ত ৩২ রানে ৫ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা পারফরম্যান্স উপহার দেন নাহিদ। তার দাপুটে বোলিংয়ে নিউজিল্যান্ড অলআউট হয় ১৯৮ রানে।

আইসিসির মাসসেরা নাহিদ রানা

সিরিজ জয়ে বড় ভূমিকা

চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ম্যাচেও নিজের ধার বজায় রাখেন নাহিদ রানা। আরও দুই উইকেট নিয়ে দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন তিনি। তার ধারাবাহিক বোলিংয়ে ভর করে বাংলাদেশ ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জয় নিশ্চিত করে।

পুরো সিরিজে প্রতিপক্ষ ব্যাটারদের ওপর নিয়মিত চাপ সৃষ্টি করায় নাহিদকে সিরিজসেরার পুরস্কারও দেওয়া হয়। গতির সঙ্গে নিয়ন্ত্রিত লাইন ও লেংথ মিলিয়ে তিনি হয়ে উঠেছেন বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণের অন্যতম বড় ভরসা।

আইসিসির স্বীকৃতিতে উচ্ছ্বসিত নাহিদ

মাসসেরা ক্রিকেটারের পুরস্কার জয়ের পর নাহিদ রানা বলেন, নিউজিল্যান্ডের মতো বিশ্বমানের দলের বিপক্ষে ভালো পারফরম্যান্সের পর আইসিসির এই সম্মান পাওয়া তার জন্য বিশেষ অনুভূতির। তিনি এই সাফল্যের পেছনে সতীর্থদের সমর্থনের কথাও উল্লেখ করেন।

জাতীয় দলের হয়ে ভবিষ্যতেও ধারাবাহিকভাবে অবদান রাখার প্রত্যাশার কথাও জানান এই তরুণ পেসার। মাত্র ২৩ বছর বয়সে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তার এমন পারফরম্যান্স বাংলাদেশের ক্রিকেট সমর্থকদের মধ্যেও নতুন আশার সঞ্চার করেছে।