০৮:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
ভারতের আমদানি বিল নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ, সতর্কবার্তা দিলেন মোদি কেরালায় কংগ্রেসের প্রত্যাবর্তন, মুখ্যমন্ত্রী হয়ে বড় ঘোষণা সতীশনের পুরোনো গাড়ি আমদানি কমায় স্বস্তি, ঘুরে দাঁড়ানোর আশায় পাকিস্তানের অটো শিল্প অস্ত্রোপচারের জটিলতা থেকে কুশিং সিনড্রোম, কঠিন স্বাস্থ্যযুদ্ধের গল্প জানালেন অ্যামি শুমার পশ্চিমবঙ্গে দুর্নীতি ও নারী নির্যাতন তদন্তে দুই কমিশন, চালু হচ্ছে সপ্তম বেতন কমিশন আম্মা ক্যান্টিনে খাবারের মান বাড়াতে বড় উদ্যোগ, অবকাঠামো উন্নয়নের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের রাশিয়ার তেল স্থাপনায় ইউক্রেনের হামলা, কৃষ্ণসাগর উপকূলে ভয়াবহ পরিবেশ বিপর্যয় ইন্দোনেশিয়ার আগ্নেয়গিরিতে মৃত্যুর পরও থামছে না অভিযাত্রা, ঝুঁকি জেনেও পাহাড়ে উঠতে প্রস্তুত পর্যটকেরা চীনের পিংলু খাল খুলছে সেপ্টেম্বরে, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাণিজ্যে নতুন গতি উত্তর ও মধ্য ভারতে তীব্র তাপপ্রবাহের সতর্কতা, কয়েকটি রাজ্যে জারি কমলা সতর্কবার্তা

বাংলাদেশ ব্যাংকের একদিনে ৮ কোটি ৫০ লাখ ডলার কেনা, স্থিতিশীল হচ্ছে বৈদেশিক মুদ্রাবাজার

দেশের বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে একদিনেই ৮ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মঙ্গলবার ছয়টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে এই ডলার কেনে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রতি ডলারের বিনিময় হার নির্ধারণ করা হয় ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা।

চলতি মে মাসে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের মোট ডলার কেনার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার। আর ২০২৫-২৬ অর্থবছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংক মোট ৬০৬ কোটি ডলার কিনেছে।

বাজারে ডলারের সরবরাহ বেড়েছে

অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংকারদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে প্রবাসী আয় ও রপ্তানি আয়ের প্রবাহ বাড়ায় বাজারে ডলারের সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এর ফলে অনেক ব্যাংকের হাতে প্রয়োজনের অতিরিক্ত ডলার জমা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বাজারে ডলারের দর হঠাৎ কমে যাওয়া ঠেকাতে বাংলাদেশ ব্যাংক নিয়মিত ডলার কিনছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গত কয়েক বছর ধরে ডলার সংকট, উচ্চ আমদানি ব্যয় এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে যাওয়ার কারণে দেশের অর্থনীতি চাপে ছিল। তবে এখন পরিস্থিতি ধীরে ধীরে উন্নতির দিকে যাচ্ছে।

আরও আড়াই কোটি ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংক | Campus Times

রিজার্ভ শক্তিশালী করার উদ্যোগ

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, বাজারে যখন ডলারের অতিরিক্ত সরবরাহ থাকে তখন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডলার কিনে নেয়। আবার সংকট দেখা দিলে বাজারে ডলার ছেড়ে দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা করা হয়।

ব্যাংকারদের মতে, বর্তমানে আন্তঃব্যাংক বাজারে আগের মতো চাপ নেই। অনেক ব্যাংকের হাতে উদ্বৃত্ত ডলার থাকায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক সহজেই সেগুলো কিনতে পারছে। এতে একদিকে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী হচ্ছে, অন্যদিকে ডলারের দর অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ার ঝুঁকিও কমছে।

অর্থনীতিতে স্বস্তির আভাস

বিশ্লেষকদের মতে, বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়া, রপ্তানি আয়ের উন্নতি এবং আমদানি ব্যয় নিয়ন্ত্রণে থাকায় বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। এর প্রভাব দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতেও পড়তে শুরু করেছে। তারা মনে করছেন, এই ধারা অব্যাহত থাকলে সামনের মাসগুলোতে অর্থনীতিতে আরও স্বস্তি ফিরতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতের আমদানি বিল নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ, সতর্কবার্তা দিলেন মোদি

বাংলাদেশ ব্যাংকের একদিনে ৮ কোটি ৫০ লাখ ডলার কেনা, স্থিতিশীল হচ্ছে বৈদেশিক মুদ্রাবাজার

০৭:২৬:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

দেশের বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে একদিনেই ৮ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মঙ্গলবার ছয়টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে এই ডলার কেনে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রতি ডলারের বিনিময় হার নির্ধারণ করা হয় ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা।

চলতি মে মাসে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের মোট ডলার কেনার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার। আর ২০২৫-২৬ অর্থবছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংক মোট ৬০৬ কোটি ডলার কিনেছে।

বাজারে ডলারের সরবরাহ বেড়েছে

অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংকারদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে প্রবাসী আয় ও রপ্তানি আয়ের প্রবাহ বাড়ায় বাজারে ডলারের সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এর ফলে অনেক ব্যাংকের হাতে প্রয়োজনের অতিরিক্ত ডলার জমা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বাজারে ডলারের দর হঠাৎ কমে যাওয়া ঠেকাতে বাংলাদেশ ব্যাংক নিয়মিত ডলার কিনছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গত কয়েক বছর ধরে ডলার সংকট, উচ্চ আমদানি ব্যয় এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে যাওয়ার কারণে দেশের অর্থনীতি চাপে ছিল। তবে এখন পরিস্থিতি ধীরে ধীরে উন্নতির দিকে যাচ্ছে।

আরও আড়াই কোটি ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংক | Campus Times

রিজার্ভ শক্তিশালী করার উদ্যোগ

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, বাজারে যখন ডলারের অতিরিক্ত সরবরাহ থাকে তখন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডলার কিনে নেয়। আবার সংকট দেখা দিলে বাজারে ডলার ছেড়ে দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা করা হয়।

ব্যাংকারদের মতে, বর্তমানে আন্তঃব্যাংক বাজারে আগের মতো চাপ নেই। অনেক ব্যাংকের হাতে উদ্বৃত্ত ডলার থাকায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক সহজেই সেগুলো কিনতে পারছে। এতে একদিকে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী হচ্ছে, অন্যদিকে ডলারের দর অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ার ঝুঁকিও কমছে।

অর্থনীতিতে স্বস্তির আভাস

বিশ্লেষকদের মতে, বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়া, রপ্তানি আয়ের উন্নতি এবং আমদানি ব্যয় নিয়ন্ত্রণে থাকায় বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। এর প্রভাব দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতেও পড়তে শুরু করেছে। তারা মনে করছেন, এই ধারা অব্যাহত থাকলে সামনের মাসগুলোতে অর্থনীতিতে আরও স্বস্তি ফিরতে পারে।